
ডা. রাহুল মিত্র
ডা. রাহুল মিত্র
সকল লেখা

শিশুর দুধদাঁতের যত্ন
মানুষের দুধদাঁতের সংখ্যা ২০টি। সাধারণত ৬ বছর বয়সের দিকে শিশুদের এই দুধদাঁত পড়তে শুরু করে। ১২ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে আবার দাঁত গজাতে শুরু করে।

কীভাবে চিনবেন মুখের ক্যানসার
ওপরের চোয়াল, নিচের চোয়াল, ঠোঁট, গালের ভেতরের দিক, ওপরের তালু, জিভ ও দাঁতের মাঝের জায়গা, দুই চোয়ালের শেষ অংশ–এই পুরো জায়গার ক্যানসারকে বলে মুখের কানসার বা ওরাল ক্যানসার।

কীভাবে চিনবেন মুখের ক্যানসার
ওপরের চোয়াল, নিচের চোয়াল, ঠোঁট, গালের ভেতরের দিক, ওপরের তালু, জিভ ও দাঁতের মাঝের জায়গা, দুই চোয়ালের শেষ অংশ–এই পুরো জায়গার ক্যানসারকে বলে মুখের কানসার বা ওরাল ক্যানসার।

প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার করছেন তো
প্রতিদিন দাঁত মাজার মতোই পরিষ্কার করা দরকার জিভ। দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শে দিনে দুইবার সঠিক নিয়মে জিভ পরিষ্কার করা উচিত। না হলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার না করলে জিভের ওপর সাদা রঙের আস্তরণ জমা হয়ে যায়।

ডায়াবেটিসে দাঁতের যত্ন
রক্তে চিনির বাড়তি মাত্রা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল করে দিতে শুরু করে। বংশগত এই রোগের কারণে হৃৎপিণ্ড, চোখ, কিডনি, স্নায়ুর পাশাপাশি দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের মুখগহ্বরের অন্যতম প্রধান সমস্যা মুখের লালা শুকিয়ে যাওয়া।

ডায়াবেটিসে দাঁতের যত্ন
রক্তে চিনির বাড়তি মাত্রা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল করে দিতে শুরু করে। বংশগত এই রোগের কারণে হৃৎপিণ্ড, চোখ, কিডনি, স্নায়ুর পাশাপাশি দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের মুখগহ্বরের অন্যতম প্রধান সমস্যা মুখের লালা শুকিয়ে যাওয়া। মেডিকেল সায়েন্সে একে বলে জেরোস্টেমিয়া বা হাইপোস্যালাইভেশন

শিশু ঘুমে দাঁত কিড়মিড় করলে
অনেক শিশুই রাতে ঘুমানোর সময় দাঁত পিষতে থাকে। একে ব্রুক্সিজম বলা হয়। সাধারণত ছয় মাস বয়সে মাড়িতে ব্যথা ও শিরশিরের কারণে অনেক শিশুই এমন করে।

করোনা-ডেঙ্গুতে দাঁতের যত্ন
ডেঙ্গু জ্বরের উল্লেখযোগ্য লক্ষণ প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা কমে যাওয়া। প্লাটিলেট কমে গেলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে। জ্বরের মধ্যে দাঁত মাজতে গিয়ে হঠাৎ মাড়ি থেকে রক্ত বের হলে ডেঙ্গুর পরীক্ষা করানো উচিত। ডেঙ্গু হলে প্লাটিলেট কমে গিয়ে রক্ত পাতলা হয়ে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

দাঁতের মর্যাদা রাখুন
দাঁতের ইনফেকশন অবহেলা করার সুযোগ নেই। কারণ, দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা থেকে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক কিংবা ফুসফুসের মতো অঙ্গ আক্রান্ত হয়ে দেখা দিতে পারে জটিল সমস্যা।
