
ড. মিল্টন বিশ্বাস
ড. মিল্টন বিশ্বাস
সকল লেখা

শেখ হাসিনার কারামুক্তিই উন্নয়নবিপ্লবের বিস্ময়
আবার এসেছে ১১ জুন। জুন মাসটি নানা কারণে ঐতিহাসিক। ৭ জুন ৬ দফা দিবস, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২৫ জুন পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন। সবগুলো দিবসের কেন্দ্রে আছেন বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা। বিশেষত ২৫ জুনের ঐতিহাসিক ক্ষণটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনের জন্য যেমন, তেমনি বাংলা

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
প্রকৃতপক্ষে ১৭ মে এ দেশের ইতিহাসের মাইলফলক। সেদিন থেকেই দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে দ্রুত দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে থাকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে বঙ্গবন্ধু ও জয়বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ ছিল। সেদিন থেকেই সেই স্লোগান প্রকম্পিত হয়ে উঠল আকাশে-বাতাসে; রাজপথ জনগণের দখলে চলে গেল। সেনাশাসক জিয়া এত দিন শেখ হাসিনার স্বদে

জীবনের প্রাত্যহিকতায় রবীন্দ্রনাথ
আজ ২৫ বৈশাখ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) ১৬১তম জন্মবার্ষিকী। করোনাভাইরাসমুক্ত পৃথিবীতে তাঁর জন্মদিন ভিন্নতর তাৎপর্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে শেষ হয়েছে ‘মুজিববর্ষ’। স্বাধীনতার ৫০ বছরও উদ্যাপিত হয়েছে। এই বিশেষ সময়ের পরও বঙ্গবন্ধুর প্রিয় কবিকে শ্রদ্ধা জানানোর

জন্মদিনে শেখ জামাল অনুসন্ধান
বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’য় শেখ জামালের কথা এসেছে নানা প্রসঙ্গে। যেমন ১৯৬৬ সালের ৯ জুন বন্দী বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেগম মুজিব শেখ জামালসহ অন্য সন্তানদের নিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘...জামালের জ্বর, দূরেই বসেছিল, কাছে ডেকে আনলাম। বড় মেয়ে, বড় ছেলে, খোকা, আমার

বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের দিন
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে স্মরণীয় একটি দিন ১৭ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া (বর্তমান মেহেরপুর) জেলার বৈদ্যনাথতলায় এক আমবাগানে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার।

নববর্ষে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে
২০২২ সালে আমাদের বৈশাখী আয়োজনের মধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সুন্দর মেলবন্ধন ঘটেছে। করোনাকাল তথা ২০২০ সালের আগে যেভাবে অতি সহজ-সরল, প্রশান্ত কিন্তু উদ্দীপনাময় আয়োজন ছিল তা এখন আবার স্বাভাবিক হয়েছে। এখন আমরা স্বপ্নময়, আমাদের চিত্ত স্থির এবং আমাদের চেষ্টা অব্যর্থ।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধ
১০ এপ্রিল ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ (প্রোক্লেমেশন অব ইনডিপেনডেন্টস) দিবস। আজ থেকে ৫১ বছর আগে এই দিনে ঢাকা শহর থেকে দূরে নিভৃত এক গ্রামের আম্রকাননে উদ্ভাসিত হয়েছিল এর অবিনাশী বাক্যগুলো। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকিস্তানি

একাত্তরের জেনোসাইড আজও বিশ্বকে নাড়া দেয়
‘মুজিববর্ষ’ এবং ২০২২ সালের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল রাত্রিকে স্মরণ করছি। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয়
