
সালেহীন আরশাদী
সালেহীন আরশাদী
সকল লেখা

গৌরী শৃঙ্গের চূড়া
ঝকঝকে রোদ উঠেছে। সোনালি আলোয় কুলকুল বয়ে চলা শান্ত নদীটিতে মনে হচ্ছে ফিরোজা রঙের শাড়ি সাজিয়ে রেখেছে কেউ। পরবর্তী গন্তব্য বেদিং পৌঁছাতে হাজার মিটারের মতো চড়াই ঠেঙাতে হবে। তাই সাতসকালে হাঁটতে শুরু করলাম। ভোরের এই সময়টা কেমন যেন অপার্থিব মনে হয়। পাহাড়ের এক ঢাল দিয়ে কাত হয়ে সোনালি আলো নেমে আসে।

এখানে পাহাড়ের ঢালে সোনালি আলো নেমে আসে
ভোরে হাতে বানানো রুটি-তরকারি খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম। কুয়াশামাখা হিম ঠান্ডায় রডোডেনড্রন, দেবদারু আর পাইন বনের মাঝ দিয়ে চলতে শুরু করলাম। পথজুড়ে থোকা থোকা লাল ফুল ঝুলে আছে। প্রথমে ১০০ মিটারের মতো চড়াই। এরপর পথ নিচে নামতে নামতে একেবারে রোলওয়ালিং খোলায় নেমে গেছে। হিমবাহ গলে আসা নদী সব ভেঙেচুরে নিচে নেমে আসছে।

শেরপাদের গ্রামে
অদ্ভুত প্রশান্তি নিয়ে হিমালয়ে ভোর এল। সূর্যের কোমল উষ্ণতায় হিমে জমে যাওয়া ঘরবাড়ি, গাছপালা, পাহাড়—সব যেন আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠতে লাগল। পাহাড়ে সংসারের ঘড়ি সূর্য ওঠার সঙ্গে শুরু হয়। বিছানা ছেড়ে নিচে নেমে দেখি, বাড়ির কর্তা কোচি শেরপা ঘরের সামনে সবজিবাগানে কাজ করছেন। তাঁকে দেখে কেন যেন শেরপা মনে হয় না। মাঝ
