
সাইফুল ইসলাম, চরফ্যাশন (ভোলা)
সাইফুল ইসলাম, চরফ্যাশন (ভোলা)
সকল লেখা

জেলে পরিবারের উৎকণ্ঠা
প্রাকৃতিক বৈরিতা, ঝড়-বন্যার মৌসুম শুরু হওয়ায় উৎকণ্ঠা বাড়ছে ভোলার চরফ্যাশনের জেলেদের। সঙ্গে জলদস্যুর আতঙ্ক রয়েছেই। নদী ও সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রতিবছর অনেক জেলে নিখোঁজ হন।

বিদ্যালয় নয়, নদীমুখী শিশুরা
ঝুঁকি নিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উপকূলবর্তী এলাকার প্রায় তিন হাজার শিশু। অভাবের কারণেই শিশুরা এ কাজ করে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পড়ালেখা। ওই শিশুদের অভিভাবকদের দাবি, একজনের রোজগারে সংসার চলে না। তাই বাধ্য হয়েই তাঁরা সন্তানদের মাছ ধরার কাজে পাঠাচ্ছেন।

নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ
জেলেদের জালে ধরা পড়তে শুরু করেছে ইলিশ। ভোলার চরফ্যাশনের মৎস্যঘাটগুলো জেলে ও পাইকারদের হাঁকডাকে এখন সরগরম। আড়তগুলোতে দিন-রাত চলছে কর্মযজ্ঞ। জানা যায়, চরফ্যাশনের বড় মৎস্যঘাটগুলো হলো সামরাজ...

দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর চরফ্যাশনের বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক
সারি সারি সিসি ব্লক, বেড়ি বাঁধের ওপর ছোট-বড় বেঞ্চ ও গোলাকার ছাউনি। নদীর উত্তাল ঢেউ, প্রকৃতির নির্মল বাতাস আর সূর্যাস্ত নিয়ে ভোলার চরফ্যাশনে গড়ে উঠেছে ‘বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক’। উপজেলার পূর্ব প্রান্তে মেঘনা নদীর তীরে পার্কটির অবস্থান। বর্তমানে এ অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের অন্যতম একটি কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়ে

জলাবদ্ধতায় রবি শস্যের বড় ক্ষতি
অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছেন চরফ্যাশন উপজেলার চাষিরা। বৃষ্টিতে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় মুগ ডাল, চিনাবাদাম ও মরিচসহ রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বাদাম, মরিচ ও মুগ ডালখেত।

স্থাপনা নির্মাণ আর নদী ভাঙনে কমছে কৃষিজমি
ফসলি জমি ভরাট করে অপরিকল্পিতভাবে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর নির্মাণ ও নদীভাঙনে ভোলার চরফ্যাশনে আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে কৃষিজমি। এতে উদ্বেগজনকভাবে উৎপাদনও কমে যাচ্ছে।

চরফ্যাশনের কৃষকেরা ঋণ ও দাদনে জিম্মি
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও), আড়তদার ও পাইকারদের দাদনের জালে জিম্মি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুই লক্ষাধিক কৃষক। তাঁদের অনেকেই নিজের জমিতে ও বর্গা নিয়ে মৌসুমভিত্তিক ফসল চাষ করেন।

হাতবদলে দাম বাড়ে চার গুণ
চাষি থেকে হাতবদল হয়ে ভোক্তাপর্যায়ে চার গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের জন্য সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক ও ক্রেতা।

হাতবদলে দাম বাড়ে চার গুণ
চাষি থেকে হাতবদল হয়ে ভোক্তা পর্যায়ে চারগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। বর্তমানে চরফ্যাশন খুচরা বাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে প্রতিটি ২৫০ থেকে ৪৮০ টাকা। অথচ খেত থেকে যে তরমুজটি চাষিরা ১০০ টাকায় বিক্রি করেন

ছয় বছরে সন্ধান মেলেনি শতাধিক জেলের
বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে ট্রলার ও নৌকাডুবিতে গত ছয় বছরে শতাধিক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ এসব জেলের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায়। সাগর ও নদীতে নিখোঁজ জেলেদের লাশও পাওয়া যায় না

বাঁধ প্রকল্পের পাশ থেকেই মাটি কেটে ভাটায় বিক্রি
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় শহররক্ষা বাঁধ প্রকল্পের পাশ থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীণ নদীভাঙন রোধ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ ডাম্পিং ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

তরমুজের বাম্পার ফলন ভালো দামে খুশি চাষি
আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চরফ্যাশনের তরমুজ যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায়। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকেরা।

হাঁসের খামারে স্বাবলম্বী তাঁরা
দেশি হাঁস পালন করে চরফ্যাশনের দুই শতাধিক বেকার স্বাবলম্বী হয়েছেন। নিজ বাড়ির আঙিনা, পতিত জায়গা কিংবা মাছের ঘের অথবা পুকুর-জলাশয়ে বাণিজ্যিকভাবে এই হাঁস পালন করছেন বেকার যুবক ও দরিদ্র নারীরা। হাঁসের এসব খামার গড়ে ওঠায় উপজেলার অনেক বেকার ছেলে-মেয়ে এখন দেশি হাঁসের খামারে ঝুঁকছেন এবং করছেন বিনিয়োগ। বিভিন্

পর্যটকদের ঝোঁক চরে
বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত চর কুকরি-মুকরি। বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মোহনায় এই চরটি অবস্থিত। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার অন্তর্গত কুকরি-মুকরি ইউনিয়নটি। বিস্তীর্ণ শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল এবং প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের একটি সৈকত নিয়ে এ চর গঠিত।

নোনা ইলিশের ঐতিহ্য হারানোর পথে
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নোনা ইলিশ। গৃহস্থ ও মৌসুমি ইলিশ ব্যবসায়ীরা মৌসুমে কম দামে বড় ও মাঝারি আকারের ইলিশ ক্রয় করে লবণ দিয়ে কিছুদিনের জন্য টিনের পাত্রে প্রক্রিয়াজাত করে। পরে ইলিশ মৌসুম শেষ হলে তা খোলা বাজারে অধিক দরে বিক্রি করে।

বাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে আশ্রয়ণের ঘর
শীত বাড়ছে দক্ষিণাঞ্চলে। ঠান্ডা বাতাস আর শীতে ভোগান্তি বাড়ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের। দীর্ঘ ২৩ বছরেও সংস্কার না করায় জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ব্যারাক হাউসটি। পলেস্তারা খসে পড়া সিমেন্টের খুঁটির ওপর নড়বড়ে অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে এখানকার ঘরগুলো।
