
রাসেল আহমেদ, তেরখাদা (খুলনা)
রাসেল আহমেদ, তেরখাদা (খুলনা)
সকল লেখা

তেরখাদা বিএনপিতে ৪ ভাগ
খুলনার তেরখাদা উপজেলা বিএনপি এখন চার ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলা কমিটির সভাপতি চৌধুরী কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফকরুল ইসলাম বুলু ও সাবেক সহসভাপতি শরিফ নাঈমুল হকের নেতৃত্বে নিজস্ব পক্ষ রয়েছে। একই দলের নেতা-কর্মী হলেও এক পক্ষ আরেক পক্ষের সদস্যদের মুখ দেখাদেখি পর্যন্

চক্রে ঘেরা ভূমি অফিস সেবা নিতে বাড়তি টাকা
খুলনার তেরখাদা ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি চক্র। নামজারি, বিআরএস খতিয়ান মুদ্রণ, জমির শ্রেণি বা পরিমাণ নির্ধারণ, ভুল সংশোধন—সব ক্ষেত্রেই নির্ধারিত টাকার কয়েকগুণ আদায় করছেন এ চক্রের সদস্যরা। অতিরিক্ত টাকা না দিলে...

ঘেরের পাড়ে সবজি চাষে স্বাবলম্বী চাষি
খুলনার তেরখাদায় ঘেরের পাড়ে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের তিন হাজার ঘেরে এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাষিরা। এসব ঘেরের পাড় এখন সবুজে ছেয়ে গেছে।

শামুক শাঁসে জীবিকা
খুলনার তেরখাদাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলায় মাছের ঘেরে উৎকৃষ্ট খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয় শামুকের ভেতরের শাঁস। শামুক ভেঙে ভেতরের এই শাঁস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে তেরখাদা উপজেলার শতাধিক পরিবার।

নেই নালার ব্যবস্থা, অল্প বৃষ্টিতেই কাদাপানি
খুলনার তেরখাদা উপজেলা সদর, কাটেংগা ও জয়সেনা বাজারের অধিকাংশ রাস্তার পাশে নেই নালার ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টি হলেই শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় জমে কাদাপানি। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারীরা।

দালালকে টাকা দিলে বাড়ে কাজের গতি
খুলনার তেরখাদা উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে মানুষ প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এখানে টাকা ছাড়া মেলে না সেবা। খাজনা, নামজারিসহ ভূমিসংক্রান্ত যেকোনো কাজে দালালদের দিতে হয় বাড়তি টাকা।

ঘরের পাশে সবজি চাষ
খুলনার তেরখাদা উপজেলায় শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের জীবনমানের পরিবর্তন হচ্ছে। হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালনসহ বাড়ির আঙিনায় শাকসবজি চাষ করে সচ্ছল হচ্ছেন তাঁরা। ভাগ্যবদলে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতার পাশাপাশি নিজেরাই নানা উদ্যোগ নিয়েছেন একসময়ের আশ্রয়হীন মানুষগুলো।
