Ajker Patrika
Add

মো. রবিউল ইসলাম, অভয়নগর (যশোর)

মো. রবিউল ইসলাম, অভয়নগর (যশোর)

সকল লেখা
রেলের ইয়ার্ডকে পতিত জমি দেখিয়ে ইজারা

রেলের ইয়ার্ডকে পতিত জমি দেখিয়ে ইজারা

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ার চেঙ্গুটিয়া রেলস্টেশনের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারসহ ইয়ার্ডকে পতিত জমি দেখিয়ে ইজারা (লিজ) দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী যোগসাজশ করে ওই ইয়ার্ড রেলওয়ের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত এক কর্মচারীর ছেলেকে লিজ দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

৩০ নভেম্বর ২০২২
বন্দরের সড়ক ও ঘাট বেহাল, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা

বন্দরের সড়ক ও ঘাট বেহাল, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া নৌবন্দরে যাওয়ার বিভিন্ন সড়ক ও বেশির ভাগ ঘাট ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দু-একটা পন্টুন ও জেটি ছাড়া কিছুই নেই এই বন্দরে। এ ছাড়া একটু বৃষ্টি হলেই বন্দরজুড়ে

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিলুপ্তির পথে অভয়নগরের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

বিলুপ্তির পথে অভয়নগরের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

মৃৎশিল্পের জন্য একসময় যশোরের অভয়নগর উপজেলার সুনাম ছিল। কিন্তু নানা প্রতিকূলতায় বর্তমানে অভয়নগরের ঐতিহ্যবাহী চলিশিয়া গ্রামের পালবাড়িতে মৃৎশিল্প বিপন্ন হতে না হতেই ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে এই শিল্প। তাই বংশানুক্রমে গড়ে ওঠা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িত কুমার বা পালরা এ পেশা নিয়ে বেশ চিন্তিত।

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
৪ দফা কয়লার দাম বাড়ার প্রভাব ইটের বাজারে

৪ দফা কয়লার দাম বাড়ার প্রভাব ইটের বাজারে

গত বছরের শুরুতে মাঝারি মানের প্রতিটি ইট বিক্রি হতো ৫ থেকে ৬ টাকায়। বর্তমানে একই মানের ইট বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে সাড়ে ৭ টাকায়। অন্যদিকে ভালো মানের ইটের দাম ছিল ৮ থেকে ৯ টাকা। বর্তমানে একই মানের ইট বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত। 

২৩ জানুয়ারি ২০২২
কেঁচো সারে সুখের হাসি আনোয়ারের

কেঁচো সারে সুখের হাসি আনোয়ারের

সৌদি প্রবাসী আনোয়ার হোসেন। দেশে ফিরে কেঁচো সারে ভাগ্য বদলে গেছে তাঁর। কেঁচো সার উৎপাদনে বর্তমানে তাঁর মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। রাসায়নিক সারের চেয়ে জৈব সারের উপকারিতা বেশি হওয়ায় কৃষকের চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। আর এই চাহিদাকে লক্ষ করে নেওয়া উদ্দোগ তাঁর মুখের হাসি নিয়ে এসেছে।

০২ ডিসেম্বর ২০২১
নৌকা চললেও চলে না তাঁদের সংসার 

নৌকা চললেও চলে না তাঁদের সংসার 

করোনার আগে প্রতিদিন আমরা ৫০০-৬০০ টাকা আয় করতাম। কিন্তু করোনার জন্য সবকিছু বন্ধ থাকায় মানুষ আর ঘর থেকে বের হয় না। এখন আর আগের মত আয় হয় না। এখন দিনে ১০০-১৫০ টাকা আয় হয়। বিভিন্ন মহলকে দিয়ে সংসারের খরচের জন্য কিছুই থাকে না 

০৫ জুলাই ২০২১