
বাসন্তি সাহা
বাসন্তি সাহা
সকল লেখা

সুবর্ণ নাগরিক বা প্রতিবন্ধী কার্ড
অটিজম একধরনের ব্রেড ডিসঅর্ডার, যার ফলে বাচ্চাদের কথা বলা, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, বন্ধু তৈরি, পড়াশোনা এমনকি নিজের কাজ নিজে করতে পারা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। যা শুধু এই শিশুই নয়, এদের মা-বাবাসহ পুরো পরিবারকে প্রভাবিত করে।

মধুর তোমার শেষ যে না পাই...
বাঙালির খাবারদাবার আজকাল অনেকটাই পাল্টে গেছে। মৌসুমি সবজি বা শীতের সবজি বলে এখন আর তেমন কিছু নেই। সুপারমার্কেটে সারা বছরই প্রায় ফুলকপি-পটোল মেলে। মরিঙ্গা পাউডার আর চিয়াসিড ভেজানো পানি না খেলে স্বাস্থ্যরক্ষা হবে না—এগুলো এখন প্রায় স্বতঃসিদ্ধ বিষয়। এই তো সেদিন একজনের সঙ্গে আলাপ হলো, আমি গ্রিন টি খাই ন

বিশেষ শিশুদের ভবিষ্যৎ কী
আমি প্রতিদিন বাবিকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে অফিসে যাই। স্কুলের কম্পাউন্ডে ঢুকি না। ছুটির সময়ও আমি বাইরেই থাকি। কারণ ওখানে ২০ বছরের ছেলেরাও ভাষাহীন চোখে তাকিয়ে থাকে। দোলনায় দোল খায়। ছুটির সময় মা আসতে দেরি করলে চিৎকার করে কাঁদে।

ঘরের ভেতরে দিশেহারা মুখ
অফিসে বসে কাজ করছি। থেকে থেকে একজন নারীর চিৎকার আমাকে বিচলিত করছে। আমি ওদের বললাম, ‘শুনতে পাচ্ছো তোমরা?’ হ্যাঁ, শুনতে পাচ্ছে সবাই। আমি দ্রুত কাজ করছি, আমাকে বের হতে হবে। কারুশিল্পীদের জেন্ডার ইকুয়িটি নিয়ে আমার একটা প্রেজেন্টেশন আছে পর্যটন ভবনে। কিন্তু চিৎকার বাড়ছেই। মরণপণ চিৎকার। বিল্ডিংয়ের সামনে সব

উৎসবে, আনন্দে শাড়ির একাল
বনলতা সেন কি শাড়ি পরতেন? জানি না, তবে লাবণ্য পরতেন। লাবণ্যর কথা ভাবলেই ঘিয়ে বা লেবু হলুদ রঙের শাড়ি পরা এক কোমল, কঠিন নারীর কথা মনে হয় আমার।

এই অচলায়তন ভাঙতে হবে
সাফ ফুটবলজয়ী রাজিয়া খাতুনের মৃত্যু হয়েছে প্রসব-পরবর্তী জটিলতায়। প্রসব-পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, এটা এখন পুরোনো খবর। মানুষ ভুলেও গেছে। আলোচনার বিষয়ও নয় এটা। আলোচনার বিষয় হচ্ছে, যে নারী একজন জাতীয় ফুটবল দলের

আকাশটা আমারও
স্বামী চুল ধরে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। রাস্তায় বেরিয়ে উচ্চশিক্ষিত লাবণীর মনে হলো, কোথায় যাব? স্বামী যখন মারা যান, তখন পলির সন্তান হয়নি। বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার উপায় ছিল না। কারণ তত দিনে দুই ভাই বাড়ি ভাগ করে নিয়েছেন। স্বামীও কিছু দিয়ে যাননি তাঁকে। শাশুড়ির দয়াদাক্ষিণ্য নিয়ে থাকতে বাধ্য হন। এগুলো

রূপকথা ও বই পড়া
গল্পটা আর কখনো শেষই হয়নি। প্রতি রাতেই আমি জানালার ফাঁক দিয়ে আসা আলোর নকশা দেখতে দেখতে ভাবতাম, ঘর থেকে লেবুতলা কত দূর হতে পারে! প্রতিদিনই এমন হতো।
