
নাঈমা ইসলাম অন্তরা
নাঈমা ইসলাম অন্তরা
সকল লেখা

হ্যাপি হরমোন বাড়ায় নাচ
ক্রিয়েটিভ থেরাপি বা সৃজনশীল থেরাপি একজন ব্যক্তির মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা এবং চিকিৎসার জন্য একটি থেরাপিউটিক অ্যাপ্রোচ হিসেবে কাজ করে। প্রশিক্ষিত থেরাপিস্ট সৃজনশীল থেরাপি ব্যবহার করে রোগীর মানসিক

শিশুর ডিভাইস আসক্তি অভিভাবকের করণীয়
বর্তমানে অভিভাবকদের বড় দুশ্চিন্তার কারণ হচ্ছে শিশুদের মোবাইল ফোন, ট্যাব ব্যবহারের আসক্তি। সকালে ঘুম থেকে উঠে শিশুরা হাতে নিচ্ছে স্মার্টফোন। এরপর কার্টুন দেখা, গেম খেলা, এমনকি ক্ষতিকর কনটেন্টে আসক্ত হচ্ছে শিশুরা। সন্তানের প্রযুক্তি ব্যবহারের অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে মা-বাবাকে বেশ বেগ পেতে হচ্

আতঙ্কগ্রস্ত হওয়া একধরনের রোগ
প্যানিক ডিসঅর্ডার এমন একটি মানসিক রোগ, যাতে ব্যক্তি প্রচণ্ড আতঙ্কের শিকার হন। সাধারণত প্রতিটি প্যানিক অ্যাটাকের স্থায়িত্বকাল দশ থেকে পনেরো মিনিটের মতো হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ৩০ মিনিটের বেশি হতে পারে। প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার প্যানিক অ্যাটাক হবে।

বিষণ্ন সুর কি বিষণ্নতা বাড়ায়
ধরুন, কারও প্রিয়জন তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। মনঃকষ্টে থাকা মানুষটি কীভাবে অনুভূতি প্রকাশ করবেন বুঝতে পারছেন না। ঠিক তখনই যদি তাঁর কানের কাছে হৈমন্তী শুক্লার গাওয়া ‘আমার বলার কিছু ছিল না।

শিশুর মোবাইল-আসক্তি অভিভাবকের করণীয়
বর্তমানে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার বড় কারণ হচ্ছে ছেলেমেয়েদের মোবাইল ফোন কিংবা ট্যাব ব্যবহারে আসক্ত হওয়া। সন্তানের প্রযুক্তি ব্যবহারের অভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ আনার ক্ষেত্রে মা-বাবাকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে এক সাম্প্রতিক জরিপ।

শঙ্কা দূরে থাকুক
প্যানিক ডিসঅর্ডার এমন একটি মানসিক রোগ, যাতে ব্যক্তি প্রচণ্ড আতঙ্কের শিকার হন। সাধারণত প্রতিটি প্যানিক অ্যাটাকের স্থায়িত্বকাল ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মতো হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ৩০ মিনিটের বেশি হতে পারে এবং প্রতি মাসে কমপক্ষে এক বার প্যানিক অ্যাটাক হবে।

যা ভাবছেন তা বাস্তব নয়
‘হ্যালুসিনেশন’ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এটি এমন এক মানসিক অবস্থা, যখন কেউ অজান্তে ভ্রান্তির মধ্যে বা অলীক কোনো বস্তু বা বিষয়ের ভেতর বসবাস করে। যেমন ধরুন, কেউ একজন হয়তো দাবি করল, অদৃশ্য কেউ তার কানে কানে কথা বলে যায়, তার মানে ওই ব্যক্তির শ্রবণেন্দ্রিয়ের হ্যালুসিনেশন ঘটে। হ্যালুসিনেশন দে

অতি চিন্তা ভালো নয়
আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ ভাবতে থাকেন এবং ভেবে ভেবে তিল থেকে তাল তৈরি করে ফেলেন। ফলস্বরূপ অ্যাংজাইটি, দুশ্চিন্তা, শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যা ধীরে ধীরে শরীরে বাসা বাঁধে। চিন্তায় জর্জরিত মানুষটি যে কখন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তা নিজেও বুঝতে পারেন না।

অতি চিন্তা ভালো নয়
আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ ভাবতে থাকেন এবং ভেবে ভেবে তিল থেকে তাল তৈরি করে ফেলেন। ফলস্বরূপ অ্যাংজাইটি, দুশ্চিন্তা, শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যা ধীরে ধীরে শরীরে বাসা বাঁধে।

মোবাইল ফোন আসক্তি
এক গবেষণায় পাওয়া গেছে, ছাত্রছাত্রীরা মোবাইলে প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা সময় ইন্টারনেট ব্রাউজ এবং মেসেজ আদান-প্রদানে ব্যয় করেন। আমেরিকার ৮২ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে যে তাদের মধ্যে মোবাইলের আসক্তি বিদ্যমান।

মোবাইল ফোন আসক্তি
মোবাইল ফোনের আসক্তি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কেবল শিশু কিংবা তরুণদের মধ্যে নয়; বরং অনেক বয়স্কদের মাঝেও এ আসক্তি দেখা যায়। এক গবেষণায় পাওয়া গেছে, ছাত্রছাত্রীরা মোবাইলে প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা সময় ইন্টারনেট ব্রাউজ এবং মেসেজ আদান-প্রদানে ব্যয় করেন। আমেরিকার ৮২ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে যে তাদের

মানসিক চাপে ভুগছেন?
মানসিক চাপ বা স্ট্রেস বর্তমানে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত মানসিক চাপের প্রভাবে বেশির ভাগ মানুষ তাঁদের জীবন ভালো করে উপভোগ করতে পারছেন না। এর ফলে তৈরি হচ্ছে হতাশা, বিষণ্নতাসহ বিভিন্ন সমস্যা।

সন্তান বয়ঃসন্ধিতে?
বয়ঃসন্ধিকাল একজন মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে মা-বাবার খারাপ আচরণ, স্বভাব, উদাসীনতার কারণে সন্তান মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। হতাশায় ভোগে। আবার মা-বাবার ভালো আচরণ, বন্ধুর মতো ব্যবহার সন্তানকে সফল করে। অনেক আত্মবিশ্বাসী করে।

গর্ভাবস্থার মানসিক চাপ
গর্ভাবস্থা নারীর জন্য খুবই আনন্দের এবং সুন্দর এক সময়। গর্ভধারণের পর হবু মায়ের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে যায়। এই চাপ ও উদ্বেগ যদি স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেশি বেড়ে যায়, তাহলে বিষন্নতা ও অন্যান্য মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
