
ড. মুফতি হুমায়ুন কবির
ড. মুফতি হুমায়ুন কবির
সকল লেখা

ওমরাহ ফজিলতপূর্ণ ইবাদত
ওমরাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ জিয়ারত করা ও কোনো জনবসতিপূর্ণ স্থান দেখার ইচ্ছা করা। নির্দিষ্ট স্থান থেকে ইহরাম বাঁধা, তাওয়াফ করা, সাফা-মারওয়াতে সায়ি করা এবং মাথা মুণ্ডন করা বা চুল কাটা—এই চার কাজকে...

যে পদ্ধতিতে হজ করা উত্তম
হজ তিন প্রকার। এক. ইফরাদ হজ অর্থাৎ হজের মাসে শুধু হজ করা। দুই. তামাত্তু হজ অর্থাৎ হজের মাসে দুই ইহরাম দিয়ে হজ ও ওমরাহ করা। ওমরাহর জন্য মিকাত থেকে ইহরাম বাঁধবে আর হজের জন্য ৭ বা ৮ তারিখ মক্কাতেই ইহরাম বাঁধবে। প্রথমে ওমরাহর জন্য তাওয়াফ, সাই করা ও মাথা মুণ্ডানো সেরে নেবে। এরপর হজের জন্য ইহরাম বেঁধে মক্

সাদাসিধে পোশাক পরা সুন্নত
ইসলাম বিলাসিতা পরিহার করে সাদাসিধে জীবনযাপনের নির্দেশ দেয়। পোশাকপরিচ্ছদের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখা নারী-পুরুষের জন্য ফরজ করা হয়েছে। কারণ মহান আল্লাহ পোশাককে মানুষের সতর ঢাকার উপাদান হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। তিনি এরশাদ করেন, ‘হে আদম সন্তান, আমি তোমাদের লজ্জাস্থান ঢেকে রাখা এবং শোভাবর্ধনের জন্য তোমাদ

আল্লাহর স্মরণ বড় ইবাদত
মহানবী (সা.) সব সময় আল্লাহর স্মরণে মশগুল থাকতেন। কখনো মুখে, কখনো হৃদয়ে আবার কখনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করতেন। ঘুমের সময়ও তাঁর অন্তর জেগে থাকত

মানবিকতার উন্নয়নে ধর্মীয় শিক্ষা
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। মহান আল্লাহ মানবজাতিকে জ্ঞান অর্জনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে তিনি এরশাদ করেন, ‘তুমি পড়ো তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে রক্তপিণ্ড থেকে। পড়ো এবং তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত। যিনি কলমের সাহ

কাজা নামাজের বিধান
মহানবী (সা.) সব সময় সঠিক সময়ে জামাতসহকারে নামাজ আদায় করতেন। অপারগতা ছাড়া তিনি কখনো নামাজ কাজা করতেন না। তবুও কিছু নামাজ তাঁর কাজা হয়েছিল; উম্মতের জন্য যা রহমত প্রমাণিত হয়েছে।

মহানবী (সা.)-এর মর্যাদা নির্ণয়ে ভারসাম্য
আল্লাহ তাআলার মর্যাদার সঙ্গে কারও মর্যাদার তুলনা হতে পারে না। তিনি মহান সৃষ্টিকর্তা; তাঁর সঙ্গে কোনো সৃষ্টির তুলনা চলে না। মহান আল্লাহর পরে নবী-রাসুলদের মর্যাদা। আর রাসুলদের মধ্যে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বশ্রেষ্ঠ।
