Ajker Patrika
Add

এ আর চন্দন, ঢাকা

এ আর চন্দন, ঢাকা

সকল লেখা
স্বাধীনতার ঘোষণা যেভাবে জেনেছিল বিশ্ববাসী

স্বাধীনতার ঘোষণা যেভাবে জেনেছিল বিশ্ববাসী

অপারেশন সার্চলাইট নামের নীলনকশা অনুযায়ী একাত্তরের ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী অতর্কিত হামলে পড়েছিল নিরস্ত্র বাঙালির ওপর। নির্বিচারে শুরু করেছিল তারা গণহত্যাসহ মানবতা-বিরোধী অপরাধ। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সে অবস্থায় সঙ্গে সঙ্গেই (২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে) ব

২৬ মার্চ ২০২৪
বিদেশি সাংবাদিক আটকে রেখেই গণহত্যা শুরু

বিদেশি সাংবাদিক আটকে রেখেই গণহত্যা শুরু

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে নিরস্ত্র বাঙালি জনসাধারণের ওপর ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগেই হিংস্র পাকিস্তানি সেনারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আটকে রেখেছিল সব বিদেশি সাংবাদিককে। পরের কয়েক দিন ঢাকায় তো কোনো সংবাদপত্রই প্রকাশ করতে দেওয়া হয়নি। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েকটি সংবাদপত্রের অফিস।  

২৫ মার্চ ২০২৪
‘এ তবে কিসের আলামত?’

‘এ তবে কিসের আলামত?’

১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ ছিল অসহযোগ আন্দোলনের ২৩তম দিন। অগ্নিঝরা মার্চের এই দিনে বিক্ষোভে উত্তাল ছিল ঢাকাসহ সারা দেশ। একদিকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের পরামর্শক দল প্রহসনের আলোচনা চালাচ্ছিল, অন্যদিকে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে নির্বিচারে গণহত্যা চালানোর সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল সামরিক জান্তা।

২৪ মার্চ ২০২৪
বাংলার পতাকা হাতে রাজপথে মিছিলের স্রোত

বাংলার পতাকা হাতে রাজপথে মিছিলের স্রোত

একাত্তরের এই দিনে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। অজুহাত হিসেবে পাকিস্তানের উভয় অংশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের পরিবেশ সৃষ্টির সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র লিখিত ঘোষণায় বলেন, ‘দেশের উভয় অংশের রাজনৈতিক দলগুলীর মধ্যে মতৈক্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ

২২ মার্চ ২০২৪
‘জনসমুদ্রের উত্তাল জোয়ার’

‘জনসমুদ্রের উত্তাল জোয়ার’

একাত্তরের এই দিনে বিকেলে ধানমন্ডির বাসভবনে সমবেত জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু বলেন, বুলেট-বেয়নেট দিয়ে কখনো সাড়ে সাত কোটি বাঙালির দাবিকে স্তব্ধ করা যাবে না। তিনি গুজব ও বিভেদ সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর সেই আহ্বান পরদিন দৈনিক পাকিস্তানে প্রধান শিরোনামের

২১ মার্চ ২০২৪
‘হাড় দিয়ে ভাই জ্বালবো এবার মুক্তির বজ্রানল’

‘হাড় দিয়ে ভাই জ্বালবো এবার মুক্তির বজ্রানল’

১৯৭১ সালের ২০ মার্চ সকালে ঢাকায় প্রেসিডেন্ট ভবনে কঠোর সামরিক পাহারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের মধ্যে চতুর্থ দফা বৈঠক হয়। বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর ছয়জন শীর্ষস্থানীয় সহকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা চলে এই বৈঠক। পরদিনের সংবাদপত্রে প্রথম পাতায় গ

২০ মার্চ ২০২৪
‘লেফট রাইট  লেফট...’

‘লেফট রাইট লেফট...’

এক দিন বিরতির পর ১৯ মার্চ ঢাকায় প্রেসিডেন্ট ভবনে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও আওয়ামী লীগপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে তৃতীয় দফা আলোচনা হয়। ১০ মিনিট স্থায়ী এই বৈঠকে অন্য কেউ ছিলেন না। সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট ভবনে উপদেষ্টা পর্যায়ের বৈঠক হয়।

১৯ মার্চ ২০২৪
‘রাজপথেই জনতার দুর্বার মোর্চা’

‘রাজপথেই জনতার দুর্বার মোর্চা’

পরপর দুদিন মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠকের পর পরবর্তী বৈঠকের কোনো সময় নির্ধারিত না হওয়ায় জনমনে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। একাত্তরের ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার কোনো বৈঠক হয়নি। দিনব্যাপী জনতার মিছিলের পর রাতে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়, পরদিন শুক্রবার বেলা ১১টায় প্রেসিডেন্ট ভবনে আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রেসিডেন্ট ইয়

১৮ মার্চ ২০২৪
‘স্বাধীনতা  অনিবার্য’

‘স্বাধীনতা অনিবার্য’

১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চের ১৭ তারিখ বুধবার ছিল মুক্তিকামী বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম জন্মবার্ষিকী। অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ এ দিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মিছিল করে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে

১৭ মার্চ ২০২৪
শিল্পীসমাজও রাজপথে

শিল্পীসমাজও রাজপথে

একাত্তরের উত্তাল মার্চের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের বৈঠক হয়েছিল। বৈঠকে বঙ্গবন্ধু সামরিক আইন প্রত্যাহার চাওয়ার পাশাপাশি বাঙালিদের ওপর গুলিবর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধ করাসহ বিভিন্ন নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে এর জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার দাবি করেছি

১৬ মার্চ ২০২৪
শিল্পীসমাজও রাজপথে

শিল্পীসমাজও রাজপথে

একাত্তরের উত্তাল মার্চের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের বৈঠক হয়েছিল। বৈঠকে বঙ্গবন্ধু সামরিক আইন প্রত্যাহার চাওয়ার পাশাপাশি বাঙালিদের ওপর গুলিবর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধ করাসহ বিভিন্ন নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে এর জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার দাবি করেছি

১৬ মার্চ ২০২৪
অবশেষে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

অবশেষে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সকালে বিমান হামলা বিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কিছু আগে তা আরও ছয় ঘণ্টা বাড়াতে জাতিসংঘের প্রতিনিধি জন কেলির মাধ্যমে বার্তা পাঠান মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। সেই সঙ্গে ভারতীয় সামরিক কর্তৃপক্ষকে একজন স্টাফ অফিসার পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন, যাতে অস্ত্র সমর্পণের

১৬ ডিসেম্বর ২০২৩
আত্মসমর্পণে নিয়াজির টালবাহানা

আত্মসমর্পণে নিয়াজির টালবাহানা

মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী আগেই চারদিক দিয়ে ঢাকাকে ঘিরে ফেলেছিল। পালানোর কোনো পথ নেই। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিভিন্ন সামরিক স্থাপনার ওপর মিত্রবাহিনীর বিমান হামলায় পাকিস্তানিরা বিপর্যস্ত। যদিও অবরুদ্ধ ঢাকাবাসীর মনে তখনো নানা প্রশ্ন—মার্কিন সপ্তম নৌবহর কি আসবে? এলে কী হবে?

১৫ ডিসেম্বর ২০২৩
পরাজয়ের আগে গোপনে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ

পরাজয়ের আগে গোপনে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ

একাত্তরের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পরাজয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ৬ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় মিত্রবাহিনী মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ শুরু করলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক হানাদার ঘাঁটির পতন হতে থাকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের এক মুখপাত্র

১৪ ডিসেম্বর ২০২৩
ভয়ে পদত্যাগ করেন দালাল গভর্নর মালিক

ভয়ে পদত্যাগ করেন দালাল গভর্নর মালিক

মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী এদিন জয়দেবপুর, টঙ্গী ও সাভার হয়ে ঢাকার উপকণ্ঠে এসে উপস্থিত হয়। লে. কর্নেল শফিউল্লাহর ‘এস’ ফোর্স ঢাকার ডেমরায় পৌঁছায়। যৌথ বাহিনীর অগ্রবর্তী সেনাদল শীতলক্ষ্যা ও বালু নদ অতিক্রম করে ঢাকার পাঁচ-ছয় মাইলের মধ্যে পৌঁছে যায়। বাসাব ও খিলগাঁও এলাকার চারদিকে আগে থেকেই পাকিস্তানি বাহি

১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
ঢাকায় বোমা পড়লে সবার কী উল্লাস

ঢাকায় বোমা পড়লে সবার কী উল্লাস

একাত্তরের ১২ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী দিনাজপুরের খানসামা আক্রমণ করে। সেই আক্রমণে ভারতীয় বাহিনীর ১৫ জন এবং মুক্তিবাহিনীর ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। মিত্রবাহিনী তখন পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর খুরশীদ ওমানসহ ১৯ সেনাকে আটক করে।

১২ ডিসেম্বর ২০২৩