ইউরোপীয় বা আফ্রিকানরা ক্যারিবীয় অঞ্চলে আসার বহু আগে থেকে এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান খাদ্য ছিল কাসাভা বা শিমুল আলু। তিতকুটে শিমুল আলু থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে, তা কুচি করে আগুনে সেঁকে রুটি বা পিঠা তৈরি করার একটি নিজস্ব ও প্রাচীন কৌশল তাদের জানা ছিল। এই আদিবাসী রন্ধনশৈলী থেকে জন্ম হয় গায়ানার জনপ্রিয় পুডিংজাতীয় পিঠা কাসাভা পোনের। তাজা শিমুল আলু কুচি করে এর সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে কোরানো নারকেল, চিনি, মাখন, ঘন দুধ বা নারকেলের দুধ, সুগন্ধের জন্য দারুচিনির গুঁড়া, জায়ফলের গুঁড়া, ভ্যানিলা এসেন্স এবং সামান্য আদাকুচি একসঙ্গে মিশিয়ে বাটার তৈরি করে সোনালি-বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত বেক করা হয়। অনেকে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে এতে কিশমিশও যোগ করেন। খাবারটি খুব বেশি মিষ্টি হয় না, বাইরে থেকে কিছুটা মচমচে এবং ভেতর থেকে নরম ও আঠালো হয়। গায়ানায় এটি বিকেলের নাশতায় চা বা কফির সঙ্গে কিংবা যেকোনো উৎসব-অনুষ্ঠানে ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করা হয়।
ছবি সৌজন্য: দ্যাট গার্ল কুকস হেলদি

কোস্টারিকার একটি প্রচলিত গল্প অনুসারে, ১৯৩০-এর দশকে সান হোসের সান সেবাস্তিয়ান নামক এলাকায় এক খামারি সেন্ট সেবাস্তিয়ান দিবসে অতিথিদের খাওয়ানোর জন্য একটি দাগযুক্ত মোরগ লালন-পালন করছিলেন। স্প্যানিশ ভাষায় এ রকম মোরগকে বলা হয় গালো পিন্টো।
৫ দিন আগে
ভারতের মেইনস্ট্রিম লেফটরা এটা উপলব্ধিই করতে পারেননি যে এখানকার শ্রেণি পরিচিতির মধ্যেও বর্ণবিভাজন, লৈঙ্গিক বিভাজন ও জাতিসত্তা এবং ভাষা প্রশ্নগুলো মিলেমিশে আছে। এটা হয় তাঁরা উপলব্ধি করতে পারেননি অথবা উপলব্ধি করলেও এই বিষয়টাকে এড়িয়ে চলতে চেয়েছেন।
৬ দিন আগে
ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কোমোরোস বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভ্যানিলা উৎপাদনকারী দেশ হওয়ায় তাদের রান্নায় ভ্যানিলার ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। উনিশ শতকে কোমোরোস ফরাসি উপনিবেশে পরিণত হলে ফরাসিরা এখানে বাণিজ্যিকভাবে ভ্যানিলা চাষ শুরু করেন। তখন স্থানীয়রা খেয়াল করেন যে ভ্যানিলার সুবাস কেবল মিষ্টি খাবারে...
৭ দিন আগে
একসময় ক্যামেরুনের উপকূলীয় অঞ্চলের ডুয়ালা উপজাতি এবং সাওয়া জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার ছিল এনডোলে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় খাবারটির চমৎকার স্বাদের কারণে পুরো দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং ক্যামেরুনের জাতীয় খাবারে পরিণত হয়। ডুয়ালা ভাষায় এনডোলে মানে তিতা পাতা।
২২ দিন আগে