সম্প্রতি ভারতের বিজ্ঞানীরা হিমায়িতকরণ ছাড়াই ইনসুলিন সংরক্ষণ করা যাবে বলে দাবি করেছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাঁরা তাপসহনীয় একধরনের ইনসুলিন আবিষ্কার করেছেন। এর ফলে ইনসুলিন ফ্রিজে রাখার দরকার হবে না।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক সংবাদে বলা হয়, এটি ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে একটি বিরাট সাফল্য অর্জন।
গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন ভারতের বোস ইনস্টিটিউট ও ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিকেল বায়োলজি এর দুজন বিজ্ঞানী। এ ছাড়া ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজির দুজন বিজ্ঞানী ছিলেন।
গবেষক দল সফলভাবে ইনসুলিন অণুর ভেতরে চারটি অ্যামাইনো অ্যাসিড পেপটাইড অণুর একটি ম্যাট্রিক্স প্রবর্তন করেন, যা ফ্রিজে না থাকলেও ইনসুলিন অণুগুলোকে শক্ত করতে বাধা দেয়।
গবেষক দল দাবি করেছে, স্বাভাবিকভাবে ৩৬ থেকে ৪৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা লাগে, কিন্তু এই নতুন ধরনের ইনসুলিন ১৪৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে সক্ষম।
বোস ইনস্টিটিউটের কেমিক্যাল বায়োলজিস্ট শুভ্রাংশু চ্যাটার্জি বলেন, এটা পৃথিবীব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী হবে। কারণ সব সময় ইনসুলিন সংরক্ষণ ছাড়া নিজের কাছে রাখা সম্ভব নয়। কিন্তু উদ্ভাবিত নতুন ধরনের ইনসুলিনটি কেউ চাইলে যতক্ষণ ইচ্ছা ফ্রিজের বাইরে রাখতে পারবেন।

স্বাস্থ্যখাতে চীনের চলমান সহযোগিতার প্রশংসা করে তা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কিট ও সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ও গবেষকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে সহযোগিতা চান।
৩ ঘণ্টা আগে
রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন হওয়ার কারণে এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিংবা ইমিউন সিস্টেম কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে। একজন চিকিৎসক ও অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে মনে করি, সঠিক বৈজ্ঞানিক সচেতনতা থাকলে রোজার মাধ্যমেও শরীর রোগমুক্ত, দূষণমুক্ত...
২ দিন আগে
রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। এটি হতে পারে অটো এমিনোর কারণে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো সংক্রমণ বা আয়োডিনের ঘাটতি অথবা থাইরয়েডের কোনো অপারেশন বা থাইরয়েড গ্রন্থিতে রেডিও আয়োডিন থেরাপি দেওয়ার পর।
২ দিন আগে