
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন ১২ দলীয় জোটের নেতারা। আজ রোববার বেলা ১১টায় তাঁরা হাসপাতালে যান। সেখানে আধা ঘণ্টা অবস্থান করেন তাঁরা। এ সময় খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে চিকিৎসকদের কাছে খোঁজখবর নেন।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ১২ দলীয় জোট নেতা এবং কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। লিভারের জটিলতা প্রকট হওয়ায় তাঁর বুকে ও পেটে পানি জমছে। এ জন্য পানি বের করতে প্রায়ই তাঁকে সিসিইউতে নিতে হচ্ছে।’
মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘চিকিৎসকেরা বলেছেন, খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে তাঁর লিভার প্রতিস্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশে লিভার প্রতিস্থাপনের অভিজ্ঞতা ভালো না হওয়ায় বিদেশের উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়ার কথা বলছেন তাঁরা। এ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি আমরা। অন্যথায় খালেদা জিয়ার কিছু হলে এর দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।’
১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদত হোসেন সেলিমসহ এ সময় জোটের আরও নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিক সোহেল আখঞ্জির বর্ণনার সময় ভুল করে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলের ছবি ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশে গণতন্ত্র ও কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন একটা মুক্ত পরিবেশ আছে। এটা কতদিন থাকবে, আমরা কেউ জানি না। ধীরে ধীরে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে গণতন্ত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে। ফলে সেই সংকোচন ঠেকাতে হবে—আপনাদের, আমাদের...
১৭ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের সুরক্ষাসহ বেশ কিছু ভালো নীতি ও সুপারিশ ছিল। এগুলো বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
১৮ ঘণ্টা আগে
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পূর্বঘোষিত দেশব্যাপী চারটি লংমার্চের কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে এসব লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচি শেষে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে জোটটি।
১৮ ঘণ্টা আগে