বৈশাখের শেষের দিকে চলে এসেছি আমরা। মাঝে মাঝে ঝড়-বৃষ্টি হলেও, ঝাঁজালো গরম থেকেই যাচ্ছে। এই গরমে ঝামেলা হয় যন্ত্রপাতিতেও। গরমে আমরা যেমন নিজেদের সুস্থ ও হাইড্রেটেড রাখার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলি, তেমনি গরমকালে গাড়ির যত্নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। গরমকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ও গাড়ির ইঞ্জিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে গরম হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাতে গাড়ির যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি যাত্রীর ক্ষতিরও কারণ হতে পারে।
কোন কোন কারণে গাড়ির ইঞ্জিন গরম হয়, গাড়ি ও ইঞ্জিন গরম হয়ে গেলেই বা কী করবেন এবং গাড়ির ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়গুলো কী—সেসব জানা থাকলে সুবিধা আপনারই।
ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয় কেন
বিভিন্ন কারণে গাড়ির ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হতে পারে। শুধু যে গরম বা অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণেই গাড়ির ইঞ্জিন ওভারহিট হয়, তা নয়। ইঞ্জিনের কুলিং সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করলে ইঞ্জিন ওভারহিট হয়ে যেতে পারে। এর ফলে গাড়ির ইঞ্জিন অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায় এবং বুঝতেই পারছেন, তা মেরামতে অনেক টাকাও খরচ হয়।
ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরমের কারণ
যা করতে পারেন
অতিরিক্ত গরম প্রতিরোধে
শুধু যে ইঞ্জিনই অতিরিক্ত গরম হয়, তা নয়। গাড়ি ও ইঞ্জিন দুটোই অতিরিক্ত গরমের কবলে পড়তে পারে। যদি সে রকম বাজে অবস্থায় পড়েই যান, ঘাবড়াবেন না। কিছু বিষয় একটু মেনে চললেই গাড়ি ও ইঞ্জিন ঠান্ডা করা সম্ভব।
লেখক: ফাউন্ডার ও সিইও, বাংলা অটোমোবাইল স্কিলস

বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষ। দিনটি ঘিরে কত পরিকল্পনা, কত-না আয়োজন! পরিকল্পনার অনেকটা জুড়েই রয়েছে পোশাক ও বিভিন্ন অনুষঙ্গ। এখন নববর্ষ উৎসবের ফ্যাশনে আইকনে পরিণত হয়েছে গামছা প্রিন্ট বা গামছা ডিজাইনের নকশা করা পোশাক ও অনুষঙ্গ।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলা স্বাদ! এটি শুনে অনেকে ফিক করে হেসে ফেলেন। আছে নাকি বাংলার স্বাদ? মধুমাস শেষ। আজ থেকে শুরু গ্রীষ্মকাল—প্রখর রুদ্র গ্রীষ্ম। এ সময় নাকি খাবারে বৈচিত্র্য থাকে না। সে জন্যই প্রাচীন বাংলায় গড়ে উঠেছিল ‘থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়’ নামের প্রবাদটি।
২১ ঘণ্টা আগে
আপনার অধিপতি মঙ্গল আজ তুঙ্গে, তাই সকাল থেকেই আপনার মধ্যে ‘বিপ্লবী’ ভাব দেখা দেবে। হয়তো পাঞ্জাবি পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে মনে ভাববেন, ‘আজ আমিই বাংলার নবাব’। কিন্তু বাস্তবতা হলো, গিন্নি বা মায়ের নির্দেশে পান্তা ভাতের জন্য কাঁচালঙ্কা ডলে আপনার হাত জ্বলে যাওয়ার প্রবল যোগ আছে।
২১ ঘণ্টা আগে
কথায় কথায় আমরা বলি, আমাদের নিজস্ব পানীয় নেই। কিন্তু এই গ্রীষ্মের জন্য নিজস্ব পানীয় আছে। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে সেগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায় কখনো ‘আমের পানা’ কিংবা কখনো ‘বেলের পানা’ নামে। মূলত ‘পানা’ শব্দটি দিয়ে পানীয় বোঝানো হতো।
২১ ঘণ্টা আগে