স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, যা স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখা ব্যক্তিদের দেওয়া হয়। এই পদক বিজয়ীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে জাতি তাদের অবদানের স্মরণ করে।

শিক্ষা ও গবেষণায় গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। অবশ্য তিনি এ সম্মাননা নিতে রাজি হননি। কিন্তু তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দিতে পেরে গর্বিত বলে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদ

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আজকের (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠান আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়ার চাইতে জীবদ্দশায় পুরস্কারটা পেলে যে আনন্দ দেশের জন্য, পরিবারের জন্য, ব্যক্তির জন্য, তা মরণোত্তর পুরস্কারে পাওয়া যায় না। যাকে আমরা সম্মান দেখাচ্ছি, তিনি আমাদের সঙ্গে নেই।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীসহ আট ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেবে সরকার। সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে। ২০২৫ সালের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই পদকের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এবার আটজন ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পদক দেবে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শিগগিরই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই পদকের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করবে। এই তালিকায় রয়েছেন আবরার ফাহাদ। এ নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে, কেন তাঁকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হবে? এই প্রশ্নের জবাবে মুখ খুলেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা