
রাজধানীর ফার্মগেট পার হয়ে রাজাবাজার। সেখানে একটি বাড়ি খুঁজে খুঁজে হয়রান। ওই বাড়ির একজনের নাম শুনে চিনলেও বাড়িটি নিশ্চিত করতে পারলেন না। ওই নামটি সুইডেন আসলাম। রাজধানীর ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর অন্যতম। পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ আসলাম, ২৫ বছর ধরে যাঁর ঠিকানা কারাগার। এখন আছেন কাশিমপুর কারাগারের হাই সিকিউরিটি স

বাইরে থেকে ফটকে প্রচণ্ড আঘাতের শব্দে ঘুম ভাঙে বাড়ির কেয়ারটেকারের। তখনো ভোর। ঘুম ঘুম চোখে ফটকের কাছে গিয়ে দেখেন, সাদাপোশাকে অস্ত্রধারী পাঁচ-সাতজন বাইরে দাঁড়িয়ে। নির্দেশ পেয়ে ফটক খুললে অস্ত্রের মুখে সিঁড়ি বেয়ে ওপরের একটি ফ্ল্যাটের সামনে নিয়ে তাঁকে দিয়ে কলবেল বাজানো হলো। দরজা খুলতেই

দোতলায় উঠে টোকা দিতে দরজা খুললেন এক ভদ্রমহিলা। অপরিচিত মানুষ দেখে তাঁর মুখ কেমন ফ্যাকাসে হয়ে গেল। ‘বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ নেই’ বলে দরজা বন্ধ করতে চাইলেন। তখনই ভেতর থেকে এলেন ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি। লুঙ্গি ও স্যান্ডো

এক বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে অঝোরে কাঁদছিলেন আব্বাস। তখন নবম বা দশম শ্রেণিতে পড়তেন। নীরব সেই কান্নার কারণ জানতে চাইলেন ছোট ভাই জিয়া। কিন্তু কান্না আর থামে না। দীর্ঘক্ষণ পর কান্না থামলে জানালেন, এলাকার কয়েকজন ছেলে বিনা কারণে তাঁকে চড়-থাপ্পড় মেরেছে। বড় ভাইকে প্রবোধ দিতে ওই ছেলেদের খুঁজতে গিয়েছিলেন জ