
বেইলি রোডের আগুনে ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতিকে হারিয়ে শোকে কাতর আবুল কাশেম। আজ রোববার সকালে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ছুটে আসেন গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের সামনে। আক্ষেপ করে বলেন, এত নিরাপত্তা তখন ছিল কোথায়। তখন যদি প্রশাসন নিরাপত্তা দিত তাহলে এতগুলো মানুষ মরত না

রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল শাখা। এর মাত্র ১০০ গজের মধ্যে গড়ে উঠেছে শতাধিক কোচিং সেন্টার। এসব সেন্টারের অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষার্থীই ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

চুলা জ্বালানো অবস্থায় গ্যাসের সিলিন্ডার পরিবর্তন করছিলেন চুমুক কফি হাউসের কর্মচারী। এ সময় একটি সিলিন্ডার থেকে বের হতে থাকা গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে আসে। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায় দোকানে। সেই আগুন বড় হয়ে কেড়ে নেয় ৪৬ জন মানুষের প্রাণ।

স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টির দাবিতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের সামনে মানববন্ধন করেছেন শান্তিনগর, সিদ্ধেশ্বরী ও বেইলি রোড এলাকার বাসিন্দারা। মানববন্ধন থেকে নগরীর ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অনুমতি ও ছাড়পত্র পরীক্ষা করে দেখার দাবি জানান তাঁরা