
দেশের অভিন্ন নদীগুলোকে প্রবহমান করতে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, ফারাক্কা চুক্তিসহ নদীর সমস্যাগুলো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, ভারতের ফারাক্কা বাঁধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমাদের বিকল্প পদক্ষেপ লাগবে, আর সেটা হলো রাজবাড়ীর হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারাজ। অচিরেই হাবাসপুর লংমার্চ করা হবে।

‘দয়া হিসেবে ভারতের কাছ থেকে পদ্মার পানি চাওয়া হয় না, এটি ভাটির দেশ বাংলাদেশের অধিকার। ভারত এত দিন ধরে সেই অধিকার থেকে বাংলাদেশকে বঞ্চিত করেছে। এখন সময় এসেছে, ভারতের কাছ থেকে এই অধিকার আদায় করে নেওয়ার।’ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের ৪৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা...

অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, পদ্মার উজানে ভারতের দেওয়া ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশে কারবালা তৈরি করেছে। পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ার কারণে এ দেশ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার তৎপর রয়েছে।