
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ ও এলাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শাহীন ওরফে গেদু (৪০) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর বাম হাত ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিল্পনগরী আল্লারদর্গা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে চারজনের মরদেহ কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় দেবাশীষের ভাড়া বাসায় পৌঁছায়। পরে আফসানা শারমীন ও আকরাম হোসেনের মরদেহ তাঁর শ্বশুরবাড়ি থানা পাড়ায় নেওয়া হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের মরদেহ কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় নেওয়া হয় এবং তাঁর শ্বশুরের মরদেহ নেওয়া হয় থানাপাড়ায়। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তের সৎকারের প্রস্তুতি চলছে।

হাতে মেহেদির রং এখনো শুকায়নি। নববধূকে নিয়ে আনন্দে ভাসছিল পুরো পরিবার। কিন্তু মুহূর্তের এক অসতর্কতায় সেই আনন্দ রূপ নিল শোকে। বাসর রাতেই বিদ্যুতায়িত হয়ে প্রাণ হারালেন বর আহমেদ আনাস বাপ্পি (২২)। বিধবা হলেন নববধূ সাইরা খাতুন (১৮)। নববধূকে বাড়িতে আনার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিয়ের বাড়ির আনন্দ পরিণত...