
মাথায় ঝাঁকড়া চুল থাকায় কেউ কেউ তাঁকে হামজা চৌধুরী ভেবে বসেন। আসলে নাম তাঁর আমিরুল ইসলাম। ভারতে চলমান জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই করেছেন হ্যাটট্রিক। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি শোনালেন ড্রাগ অ্যান্ড ফ্লিক স্পেশালিস্ট হওয়ার গল্প। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনোয়ার সোহাগ
আনোয়ার সোহাগ, ঢাকা

প্রশ্ন: জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক। ম্যাচসেরাও হয়েছেন। কোনটি এগিয়ে রাখবেন?
আমিরুল: অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকটা এগিয়ে রাখব। ম্যাচটা একটু কঠিন ছিল। কারণ, আমরা ৩-০ তে পিছিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটা সহজ ছিল না। খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দেব, আমরা সবাই এক হয়ে খেলার কারণে ড্র করতে পেরেছি।
প্রশ্ন: তিন গোলে পিছিয়ে থাকার পরও ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কতটুকু আত্মবিশ্বাসী ছিলেন?
আমিরুল: প্রথমত মাঠে নামার আগে আমাদের যে ব্রিফিং ছিল, সেখানে আলোচনা হয়, আমরা যদি কোনোভাবে গোল হজম করি, হাল ছাড়ব না। শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব। ৩ গোল হজম করার পর কোচিং স্টাফের সবাই বলেছে, আমাদের সামর্থ্য আছে ঘুরে দাঁড়ানোর। মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী ছিলাম আমরা। সেই বিশ্বাস নিয়ে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে হ্যাটট্রিকের ভাবনা ছিল?
আমিরুল: প্রথমত বিশ্বকাপ অবশ্যই আমাদের জন্য আত্মমর্যাদার। প্রথমবারের জন্য আমরা এখানে অংশগ্রহণ করছি, এটা গর্বের বিষয়। আমি যে দুটো ম্যাচে হ্যাটট্রিক করব, সেই ভাবনা মাথায় ছিল না। কোচ আমাকে সুযোগ দিলে সেটা সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব এবং এটাই ছিল আমার ভাবনা। কারণ, দল সবার আগে।
প্রশ্ন: আপনাকে ঘিরে আস্থার জায়গাটা এখন বেড়েছে...
আমিরুল: হ্যাঁ। এটা দেখতে পাচ্ছি। অবশ্যই খুশি যে কোচ আমার ওপর আস্থা রাখছেন। এর প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছি ৷ আমি অবশ্যই নিজের সেরাটা দেব এবং দলকে সহায়তা করব।
প্রশ্ন: কোচ কীভাবে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেন?
আমিরুল: এত বড় মঞ্চে প্রথমবার খেলতে এসেছি। সেখানে মানসিকভাবে শক্তিশালী না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন আসলে। তাই আমার আত্মবিশ্বাসে এক ভাগও যদি ঘাটতি থাকে, তখন সেটা নিয়ে কোচের সঙ্গে আলোচনা করি। তিনি (সিগফ্রাইড আইকম্যান) অনেক বড় মাপের কোচ। সব সময় আমাকে সহায়তা করেন।
প্রশ্ন: ৬টি গোলই এসেছে পেনাল্টি কর্নার থেকে। পেনাল্টি কর্নারে কীভাবে দক্ষ হয়ে উঠলেন?
আমিরুল: সবচেয়ে বড় অবদান আমি বলব যে বিকেএসপির রাজু স্যার, নান্নু স্যার ও আমাদের সাবেক কোচ গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি স্যার। তাঁরাই আমাকে অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও সাহস দিয়েছেন। টেকনিক্যালি ও স্ট্রেন্থলি—সবদিক থেকে আমি তাঁদের সহায়তা পেয়েছি। এরপর অনুশীলনে প্রায় ১৫০ বার ড্রাগ ফ্লিক করার চেষ্টা করি।

প্রশ্ন: ড্রাগ অ্যান্ড ফ্লিক করার ক্ষেত্রে প্রথম ভাবনাটা কী থাকে?
আমিরুল: আমি যেন গোল করতে পারি, সেটাই আমার প্রথম ভাবনা থাকে। আমি চেষ্টা করি যে যতটুকু সুযোগ পাব, সেটা কাজে লাগানোর। এ বিষয়ে খুব মনোযোগ দিই। সতীর্থরাও এটা নিয়ে আরও সচেতন থাকে; বিশেষ করে ফরোয়ার্ডরা খুব চেষ্টা করে পেনাল্টি কর্নার আদায় করতে। কারণ, পেনাল্টি কর্নার পেলেই সেটা গোলে পরিণত করার সুযোগ থাকে। আমি চেষ্টা করি সতীর্থদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার।
প্রশ্ন: হকিতে কীভাবে উঠে এলেন?
আমিরুল: ২০১৫ সালে আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন আন্তস্কুল একটা টুর্নামেন্ট হয়েছিল। তো সেখানে হকির স্টিক নিয়ে একটু অনুশীলন করছিলাম। আমার আঙ্কেল হকির কোচিং করাতেন। তাঁর মাধ্যমেই বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়া। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলার প্রতি বেশি আগ্রহ ছিল। ফুটবল বেশি খেলা হতো আমার। হকিস্টিক যখন হাতে নিলাম, তখন এটাই ভালো লাগতে শুরু করে। অথচ ২০১৫ সালের আগে হকি কী জিনিস, সেটা জানতামই না। হকির জন্য অনেক কিছু পেয়েছি।
প্রশ্ন: মানুষ আপনাকে হকির হামজা বলে। বিষয়টা কেমন লাগে?
আমিরুল: আসলে ঝাঁকড়া চুল আমার অনেক আগে থেকেই। হামজা ভাই অবশ্যই একজন অসাধারণ খেলোয়াড়। আমার মতে ফুটবলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিনি। কারণ, তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবলকে কিন্তু চিনতে শুরু করেছে। আমি অবশ্যই গর্বিত, হামজা ভাইয়ের মতো একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমাকে নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয়টা আমি ইতিবাচকভাবে নিই। সতীর্থরাও আমার সঙ্গে উপভোগ করে।
প্রশ্ন: ফ্রান্সের বিপক্ষে (আজকের) ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা কী?
আমিরুল: প্রথমত আমরা অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলব। ফ্রান্স অবশ্যই শক্তিশালী, আমরা তাদের সম্মান করি। এটা মাথায় রাখলেও হাল ছেড়ে দেব না। চেষ্টা করব সেরা ফলটা বের করে আনার।
প্রশ্ন: জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক। ম্যাচসেরাও হয়েছেন। কোনটি এগিয়ে রাখবেন?
আমিরুল: অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকটা এগিয়ে রাখব। ম্যাচটা একটু কঠিন ছিল। কারণ, আমরা ৩-০ তে পিছিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটা সহজ ছিল না। খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দেব, আমরা সবাই এক হয়ে খেলার কারণে ড্র করতে পেরেছি।
প্রশ্ন: তিন গোলে পিছিয়ে থাকার পরও ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কতটুকু আত্মবিশ্বাসী ছিলেন?
আমিরুল: প্রথমত মাঠে নামার আগে আমাদের যে ব্রিফিং ছিল, সেখানে আলোচনা হয়, আমরা যদি কোনোভাবে গোল হজম করি, হাল ছাড়ব না। শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব। ৩ গোল হজম করার পর কোচিং স্টাফের সবাই বলেছে, আমাদের সামর্থ্য আছে ঘুরে দাঁড়ানোর। মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী ছিলাম আমরা। সেই বিশ্বাস নিয়ে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে হ্যাটট্রিকের ভাবনা ছিল?
আমিরুল: প্রথমত বিশ্বকাপ অবশ্যই আমাদের জন্য আত্মমর্যাদার। প্রথমবারের জন্য আমরা এখানে অংশগ্রহণ করছি, এটা গর্বের বিষয়। আমি যে দুটো ম্যাচে হ্যাটট্রিক করব, সেই ভাবনা মাথায় ছিল না। কোচ আমাকে সুযোগ দিলে সেটা সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব এবং এটাই ছিল আমার ভাবনা। কারণ, দল সবার আগে।
প্রশ্ন: আপনাকে ঘিরে আস্থার জায়গাটা এখন বেড়েছে...
আমিরুল: হ্যাঁ। এটা দেখতে পাচ্ছি। অবশ্যই খুশি যে কোচ আমার ওপর আস্থা রাখছেন। এর প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছি ৷ আমি অবশ্যই নিজের সেরাটা দেব এবং দলকে সহায়তা করব।
প্রশ্ন: কোচ কীভাবে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেন?
আমিরুল: এত বড় মঞ্চে প্রথমবার খেলতে এসেছি। সেখানে মানসিকভাবে শক্তিশালী না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন আসলে। তাই আমার আত্মবিশ্বাসে এক ভাগও যদি ঘাটতি থাকে, তখন সেটা নিয়ে কোচের সঙ্গে আলোচনা করি। তিনি (সিগফ্রাইড আইকম্যান) অনেক বড় মাপের কোচ। সব সময় আমাকে সহায়তা করেন।
প্রশ্ন: ৬টি গোলই এসেছে পেনাল্টি কর্নার থেকে। পেনাল্টি কর্নারে কীভাবে দক্ষ হয়ে উঠলেন?
আমিরুল: সবচেয়ে বড় অবদান আমি বলব যে বিকেএসপির রাজু স্যার, নান্নু স্যার ও আমাদের সাবেক কোচ গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি স্যার। তাঁরাই আমাকে অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও সাহস দিয়েছেন। টেকনিক্যালি ও স্ট্রেন্থলি—সবদিক থেকে আমি তাঁদের সহায়তা পেয়েছি। এরপর অনুশীলনে প্রায় ১৫০ বার ড্রাগ ফ্লিক করার চেষ্টা করি।

প্রশ্ন: ড্রাগ অ্যান্ড ফ্লিক করার ক্ষেত্রে প্রথম ভাবনাটা কী থাকে?
আমিরুল: আমি যেন গোল করতে পারি, সেটাই আমার প্রথম ভাবনা থাকে। আমি চেষ্টা করি যে যতটুকু সুযোগ পাব, সেটা কাজে লাগানোর। এ বিষয়ে খুব মনোযোগ দিই। সতীর্থরাও এটা নিয়ে আরও সচেতন থাকে; বিশেষ করে ফরোয়ার্ডরা খুব চেষ্টা করে পেনাল্টি কর্নার আদায় করতে। কারণ, পেনাল্টি কর্নার পেলেই সেটা গোলে পরিণত করার সুযোগ থাকে। আমি চেষ্টা করি সতীর্থদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার।
প্রশ্ন: হকিতে কীভাবে উঠে এলেন?
আমিরুল: ২০১৫ সালে আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন আন্তস্কুল একটা টুর্নামেন্ট হয়েছিল। তো সেখানে হকির স্টিক নিয়ে একটু অনুশীলন করছিলাম। আমার আঙ্কেল হকির কোচিং করাতেন। তাঁর মাধ্যমেই বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়া। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলার প্রতি বেশি আগ্রহ ছিল। ফুটবল বেশি খেলা হতো আমার। হকিস্টিক যখন হাতে নিলাম, তখন এটাই ভালো লাগতে শুরু করে। অথচ ২০১৫ সালের আগে হকি কী জিনিস, সেটা জানতামই না। হকির জন্য অনেক কিছু পেয়েছি।
প্রশ্ন: মানুষ আপনাকে হকির হামজা বলে। বিষয়টা কেমন লাগে?
আমিরুল: আসলে ঝাঁকড়া চুল আমার অনেক আগে থেকেই। হামজা ভাই অবশ্যই একজন অসাধারণ খেলোয়াড়। আমার মতে ফুটবলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিনি। কারণ, তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবলকে কিন্তু চিনতে শুরু করেছে। আমি অবশ্যই গর্বিত, হামজা ভাইয়ের মতো একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমাকে নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয়টা আমি ইতিবাচকভাবে নিই। সতীর্থরাও আমার সঙ্গে উপভোগ করে।
প্রশ্ন: ফ্রান্সের বিপক্ষে (আজকের) ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা কী?
আমিরুল: প্রথমত আমরা অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলব। ফ্রান্স অবশ্যই শক্তিশালী, আমরা তাদের সম্মান করি। এটা মাথায় রাখলেও হাল ছেড়ে দেব না। চেষ্টা করব সেরা ফলটা বের করে আনার।

মাথায় ঝাঁকড়া চুল থাকায় কেউ কেউ তাঁকে হামজা চৌধুরী ভেবে বসেন। আসলে নাম তাঁর আমিরুল ইসলাম। ভারতে চলমান জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই করেছেন হ্যাটট্রিক। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি শোনালেন ড্রাগ অ্যান্ড ফ্লিক স্পেশালিস্ট হওয়ার গল্প। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনোয়ার সোহাগ
আনোয়ার সোহাগ, ঢাকা

প্রশ্ন: জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক। ম্যাচসেরাও হয়েছেন। কোনটি এগিয়ে রাখবেন?
আমিরুল: অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকটা এগিয়ে রাখব। ম্যাচটা একটু কঠিন ছিল। কারণ, আমরা ৩-০ তে পিছিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটা সহজ ছিল না। খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দেব, আমরা সবাই এক হয়ে খেলার কারণে ড্র করতে পেরেছি।
প্রশ্ন: তিন গোলে পিছিয়ে থাকার পরও ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কতটুকু আত্মবিশ্বাসী ছিলেন?
আমিরুল: প্রথমত মাঠে নামার আগে আমাদের যে ব্রিফিং ছিল, সেখানে আলোচনা হয়, আমরা যদি কোনোভাবে গোল হজম করি, হাল ছাড়ব না। শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব। ৩ গোল হজম করার পর কোচিং স্টাফের সবাই বলেছে, আমাদের সামর্থ্য আছে ঘুরে দাঁড়ানোর। মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী ছিলাম আমরা। সেই বিশ্বাস নিয়ে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে হ্যাটট্রিকের ভাবনা ছিল?
আমিরুল: প্রথমত বিশ্বকাপ অবশ্যই আমাদের জন্য আত্মমর্যাদার। প্রথমবারের জন্য আমরা এখানে অংশগ্রহণ করছি, এটা গর্বের বিষয়। আমি যে দুটো ম্যাচে হ্যাটট্রিক করব, সেই ভাবনা মাথায় ছিল না। কোচ আমাকে সুযোগ দিলে সেটা সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব এবং এটাই ছিল আমার ভাবনা। কারণ, দল সবার আগে।
প্রশ্ন: আপনাকে ঘিরে আস্থার জায়গাটা এখন বেড়েছে...
আমিরুল: হ্যাঁ। এটা দেখতে পাচ্ছি। অবশ্যই খুশি যে কোচ আমার ওপর আস্থা রাখছেন। এর প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছি ৷ আমি অবশ্যই নিজের সেরাটা দেব এবং দলকে সহায়তা করব।
প্রশ্ন: কোচ কীভাবে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেন?
আমিরুল: এত বড় মঞ্চে প্রথমবার খেলতে এসেছি। সেখানে মানসিকভাবে শক্তিশালী না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন আসলে। তাই আমার আত্মবিশ্বাসে এক ভাগও যদি ঘাটতি থাকে, তখন সেটা নিয়ে কোচের সঙ্গে আলোচনা করি। তিনি (সিগফ্রাইড আইকম্যান) অনেক বড় মাপের কোচ। সব সময় আমাকে সহায়তা করেন।
প্রশ্ন: ৬টি গোলই এসেছে পেনাল্টি কর্নার থেকে। পেনাল্টি কর্নারে কীভাবে দক্ষ হয়ে উঠলেন?
আমিরুল: সবচেয়ে বড় অবদান আমি বলব যে বিকেএসপির রাজু স্যার, নান্নু স্যার ও আমাদের সাবেক কোচ গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি স্যার। তাঁরাই আমাকে অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও সাহস দিয়েছেন। টেকনিক্যালি ও স্ট্রেন্থলি—সবদিক থেকে আমি তাঁদের সহায়তা পেয়েছি। এরপর অনুশীলনে প্রায় ১৫০ বার ড্রাগ ফ্লিক করার চেষ্টা করি।

প্রশ্ন: ড্রাগ অ্যান্ড ফ্লিক করার ক্ষেত্রে প্রথম ভাবনাটা কী থাকে?
আমিরুল: আমি যেন গোল করতে পারি, সেটাই আমার প্রথম ভাবনা থাকে। আমি চেষ্টা করি যে যতটুকু সুযোগ পাব, সেটা কাজে লাগানোর। এ বিষয়ে খুব মনোযোগ দিই। সতীর্থরাও এটা নিয়ে আরও সচেতন থাকে; বিশেষ করে ফরোয়ার্ডরা খুব চেষ্টা করে পেনাল্টি কর্নার আদায় করতে। কারণ, পেনাল্টি কর্নার পেলেই সেটা গোলে পরিণত করার সুযোগ থাকে। আমি চেষ্টা করি সতীর্থদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার।
প্রশ্ন: হকিতে কীভাবে উঠে এলেন?
আমিরুল: ২০১৫ সালে আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন আন্তস্কুল একটা টুর্নামেন্ট হয়েছিল। তো সেখানে হকির স্টিক নিয়ে একটু অনুশীলন করছিলাম। আমার আঙ্কেল হকির কোচিং করাতেন। তাঁর মাধ্যমেই বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়া। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলার প্রতি বেশি আগ্রহ ছিল। ফুটবল বেশি খেলা হতো আমার। হকিস্টিক যখন হাতে নিলাম, তখন এটাই ভালো লাগতে শুরু করে। অথচ ২০১৫ সালের আগে হকি কী জিনিস, সেটা জানতামই না। হকির জন্য অনেক কিছু পেয়েছি।
প্রশ্ন: মানুষ আপনাকে হকির হামজা বলে। বিষয়টা কেমন লাগে?
আমিরুল: আসলে ঝাঁকড়া চুল আমার অনেক আগে থেকেই। হামজা ভাই অবশ্যই একজন অসাধারণ খেলোয়াড়। আমার মতে ফুটবলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিনি। কারণ, তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবলকে কিন্তু চিনতে শুরু করেছে। আমি অবশ্যই গর্বিত, হামজা ভাইয়ের মতো একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমাকে নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয়টা আমি ইতিবাচকভাবে নিই। সতীর্থরাও আমার সঙ্গে উপভোগ করে।
প্রশ্ন: ফ্রান্সের বিপক্ষে (আজকের) ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা কী?
আমিরুল: প্রথমত আমরা অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলব। ফ্রান্স অবশ্যই শক্তিশালী, আমরা তাদের সম্মান করি। এটা মাথায় রাখলেও হাল ছেড়ে দেব না। চেষ্টা করব সেরা ফলটা বের করে আনার।
প্রশ্ন: জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক। ম্যাচসেরাও হয়েছেন। কোনটি এগিয়ে রাখবেন?
আমিরুল: অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকটা এগিয়ে রাখব। ম্যাচটা একটু কঠিন ছিল। কারণ, আমরা ৩-০ তে পিছিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটা সহজ ছিল না। খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দেব, আমরা সবাই এক হয়ে খেলার কারণে ড্র করতে পেরেছি।
প্রশ্ন: তিন গোলে পিছিয়ে থাকার পরও ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কতটুকু আত্মবিশ্বাসী ছিলেন?
আমিরুল: প্রথমত মাঠে নামার আগে আমাদের যে ব্রিফিং ছিল, সেখানে আলোচনা হয়, আমরা যদি কোনোভাবে গোল হজম করি, হাল ছাড়ব না। শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব। ৩ গোল হজম করার পর কোচিং স্টাফের সবাই বলেছে, আমাদের সামর্থ্য আছে ঘুরে দাঁড়ানোর। মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী ছিলাম আমরা। সেই বিশ্বাস নিয়ে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে হ্যাটট্রিকের ভাবনা ছিল?
আমিরুল: প্রথমত বিশ্বকাপ অবশ্যই আমাদের জন্য আত্মমর্যাদার। প্রথমবারের জন্য আমরা এখানে অংশগ্রহণ করছি, এটা গর্বের বিষয়। আমি যে দুটো ম্যাচে হ্যাটট্রিক করব, সেই ভাবনা মাথায় ছিল না। কোচ আমাকে সুযোগ দিলে সেটা সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব এবং এটাই ছিল আমার ভাবনা। কারণ, দল সবার আগে।
প্রশ্ন: আপনাকে ঘিরে আস্থার জায়গাটা এখন বেড়েছে...
আমিরুল: হ্যাঁ। এটা দেখতে পাচ্ছি। অবশ্যই খুশি যে কোচ আমার ওপর আস্থা রাখছেন। এর প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছি ৷ আমি অবশ্যই নিজের সেরাটা দেব এবং দলকে সহায়তা করব।
প্রশ্ন: কোচ কীভাবে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেন?
আমিরুল: এত বড় মঞ্চে প্রথমবার খেলতে এসেছি। সেখানে মানসিকভাবে শক্তিশালী না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন আসলে। তাই আমার আত্মবিশ্বাসে এক ভাগও যদি ঘাটতি থাকে, তখন সেটা নিয়ে কোচের সঙ্গে আলোচনা করি। তিনি (সিগফ্রাইড আইকম্যান) অনেক বড় মাপের কোচ। সব সময় আমাকে সহায়তা করেন।
প্রশ্ন: ৬টি গোলই এসেছে পেনাল্টি কর্নার থেকে। পেনাল্টি কর্নারে কীভাবে দক্ষ হয়ে উঠলেন?
আমিরুল: সবচেয়ে বড় অবদান আমি বলব যে বিকেএসপির রাজু স্যার, নান্নু স্যার ও আমাদের সাবেক কোচ গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি স্যার। তাঁরাই আমাকে অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও সাহস দিয়েছেন। টেকনিক্যালি ও স্ট্রেন্থলি—সবদিক থেকে আমি তাঁদের সহায়তা পেয়েছি। এরপর অনুশীলনে প্রায় ১৫০ বার ড্রাগ ফ্লিক করার চেষ্টা করি।

প্রশ্ন: ড্রাগ অ্যান্ড ফ্লিক করার ক্ষেত্রে প্রথম ভাবনাটা কী থাকে?
আমিরুল: আমি যেন গোল করতে পারি, সেটাই আমার প্রথম ভাবনা থাকে। আমি চেষ্টা করি যে যতটুকু সুযোগ পাব, সেটা কাজে লাগানোর। এ বিষয়ে খুব মনোযোগ দিই। সতীর্থরাও এটা নিয়ে আরও সচেতন থাকে; বিশেষ করে ফরোয়ার্ডরা খুব চেষ্টা করে পেনাল্টি কর্নার আদায় করতে। কারণ, পেনাল্টি কর্নার পেলেই সেটা গোলে পরিণত করার সুযোগ থাকে। আমি চেষ্টা করি সতীর্থদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার।
প্রশ্ন: হকিতে কীভাবে উঠে এলেন?
আমিরুল: ২০১৫ সালে আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন আন্তস্কুল একটা টুর্নামেন্ট হয়েছিল। তো সেখানে হকির স্টিক নিয়ে একটু অনুশীলন করছিলাম। আমার আঙ্কেল হকির কোচিং করাতেন। তাঁর মাধ্যমেই বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়া। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলার প্রতি বেশি আগ্রহ ছিল। ফুটবল বেশি খেলা হতো আমার। হকিস্টিক যখন হাতে নিলাম, তখন এটাই ভালো লাগতে শুরু করে। অথচ ২০১৫ সালের আগে হকি কী জিনিস, সেটা জানতামই না। হকির জন্য অনেক কিছু পেয়েছি।
প্রশ্ন: মানুষ আপনাকে হকির হামজা বলে। বিষয়টা কেমন লাগে?
আমিরুল: আসলে ঝাঁকড়া চুল আমার অনেক আগে থেকেই। হামজা ভাই অবশ্যই একজন অসাধারণ খেলোয়াড়। আমার মতে ফুটবলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিনি। কারণ, তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবলকে কিন্তু চিনতে শুরু করেছে। আমি অবশ্যই গর্বিত, হামজা ভাইয়ের মতো একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমাকে নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয়টা আমি ইতিবাচকভাবে নিই। সতীর্থরাও আমার সঙ্গে উপভোগ করে।
প্রশ্ন: ফ্রান্সের বিপক্ষে (আজকের) ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা কী?
আমিরুল: প্রথমত আমরা অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলব। ফ্রান্স অবশ্যই শক্তিশালী, আমরা তাদের সম্মান করি। এটা মাথায় রাখলেও হাল ছেড়ে দেব না। চেষ্টা করব সেরা ফলটা বের করে আনার।

৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৯ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
১০ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। আজ দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই। তিতাস শেষ ম্যাচে হারলেও গেম পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে নৌবাহিনীর চেয়ে।
শেষ রাউন্ডে খেলাঘর দাবা সংঘের মুখোমুখি হওয়ার আগে ৯ খেলায় তিতাসের গেম পয়েন্ট ৩১.৫। আর নৌবাহিনী ১০ খেলায় ২৮.৫ পয়েন্টের বেশি অর্জন করতে পারেনি। আজ দাবা ফেডারেশন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশকে ৩.৫-১.৫ গেম পয়েন্টে হারিয়েছে তিতাস। ক্লাবটির হয়ে জয়ের দেখা পান ফিদে মাস্টার সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ, আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান ও ফিদে মাস্টার তাহসিন তাজওয়ার জিয়া। মিসরীয় গ্র্যান্ডমাস্টার ফওজি আদম অবশ্য ড্র করেন। এবার তিতাসের হয়ে খেলেছেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং সদ্য জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়াজ মোর্শেদও।
এ নিয়ে তৃতীয়বার ঘরোয়া দাবার শীর্ষ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ২০০০ সালে প্রথমবার শিরোপা জেতে তারা। তখন অবশ্য দাবার শীর্ষ স্তর ছিল প্রথম বিভাগ। ২০১১ সালে তা রূপ নেয় প্রিমিয়ার লিগে। গত বছর করতে না পারায় এই বছর ৭ মাসের ব্যবধানে দুবার লিগ আয়োজন করছে ফেডারেশন। দুবারই চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ক্লাবটি মূলত সরকারি প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাসের অর্থায়নে পরিচালিত হয়।
গত লিগে চারে থাকলেও এবার তিতাসের সামনে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড় করায় নৌবাহিনী। আজ ৪-০ গেম পয়েন্টে জনতা ব্যাংক অফিসান ওয়েলফেয়ার সোসাইটিকে হারায় তারা। ৯ খেলায় ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। লিওনাইন চেস ক্লাব ৯ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ৯ পয়েন্ট করে নিয়ে মানহা’স ক্যাসেল ও সাধারণ বীমা করপোরেশন স্পোর্টিং ক্লাব যুগ্মভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। আজ দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই। তিতাস শেষ ম্যাচে হারলেও গেম পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে নৌবাহিনীর চেয়ে।
শেষ রাউন্ডে খেলাঘর দাবা সংঘের মুখোমুখি হওয়ার আগে ৯ খেলায় তিতাসের গেম পয়েন্ট ৩১.৫। আর নৌবাহিনী ১০ খেলায় ২৮.৫ পয়েন্টের বেশি অর্জন করতে পারেনি। আজ দাবা ফেডারেশন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশকে ৩.৫-১.৫ গেম পয়েন্টে হারিয়েছে তিতাস। ক্লাবটির হয়ে জয়ের দেখা পান ফিদে মাস্টার সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ, আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান ও ফিদে মাস্টার তাহসিন তাজওয়ার জিয়া। মিসরীয় গ্র্যান্ডমাস্টার ফওজি আদম অবশ্য ড্র করেন। এবার তিতাসের হয়ে খেলেছেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং সদ্য জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়াজ মোর্শেদও।
এ নিয়ে তৃতীয়বার ঘরোয়া দাবার শীর্ষ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ২০০০ সালে প্রথমবার শিরোপা জেতে তারা। তখন অবশ্য দাবার শীর্ষ স্তর ছিল প্রথম বিভাগ। ২০১১ সালে তা রূপ নেয় প্রিমিয়ার লিগে। গত বছর করতে না পারায় এই বছর ৭ মাসের ব্যবধানে দুবার লিগ আয়োজন করছে ফেডারেশন। দুবারই চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ক্লাবটি মূলত সরকারি প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাসের অর্থায়নে পরিচালিত হয়।
গত লিগে চারে থাকলেও এবার তিতাসের সামনে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড় করায় নৌবাহিনী। আজ ৪-০ গেম পয়েন্টে জনতা ব্যাংক অফিসান ওয়েলফেয়ার সোসাইটিকে হারায় তারা। ৯ খেলায় ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। লিওনাইন চেস ক্লাব ৯ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ৯ পয়েন্ট করে নিয়ে মানহা’স ক্যাসেল ও সাধারণ বীমা করপোরেশন স্পোর্টিং ক্লাব যুগ্মভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

মাথায় ঝাঁকড়া চুল থাকায় কেউ কেউ তাঁকে হামজা চৌধুরী ভেবে বসেন। আসলে নাম তাঁর আমিরুল ইসলাম। ভারতে চলমান জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।
১১ দিন আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৯ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
১০ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগসহ সবশেষ ৮ ম্যাচের মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ কেবল ২ ম্যাচ জিতেছে। তিনটি করে ম্যাচ হেরেছে ও ড্র করেছে। সেলতা ফিগোর বিপক্ষে ৭ ডিসেম্বর লা লিগায় হারানোর পর আলোনসোর চাকরি হারানো নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। এমন অবস্থায় পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ২-১ গোলে হেরে বসে রিয়াল। পরশু আলাভেসের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচটি এখন রিয়াল কোচ আলোনসোর জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। তবে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস তেমন কিছু (আলোনসোর চাকরি হারানো) মনে করছেন না। সাংবাদিকদের তেবাস বলেন, ‘এমন নাটক আমি আগেও অনেকবার দেখেছি। রিয়াল মাদ্রিদ এমন এক দল যারা এমন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ এ বছর হয়েছেন আলোনসো। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত রিয়ালের হয়ে খেলেছেন ২৩৬ ম্যাচ। একবার করে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগার শিরোপা জিতেছেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়াতে ওস্তাদ রিয়াল যেকোনো কিছু করতে পারে বলে মনে করেন তেবাস। খেলোয়াড় জীবনের অভিজ্ঞতা কোচ হিসেবে কাজে লাগাতে পারবেন বলে বিশ্বাস তেবাসের। লা লিগা সভাপতি বলেন, ‘জাবি আলোনসোর মধ্যে মাদ্রিদের ডিএনএ আছে। আমার বিশ্বাস সে, খেলোয়াড় ও ক্লাব সামনে এগিয়ে যাবে। তাদের শৈশব থেকেই এমন মানসিকতা। খেলোয়াড়ি জীবনে সেটা এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।’
সরাসরি না হলেও পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের পর চাকরি হারানোর ব্যাপারে প্রশ্ন এসেছিল আলোনসোর কাছে। রিয়াল কোচ অবশ্য এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন না। সিটির কাছে হারের পর আলোনসো বলেছিলেন, ‘আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। ভুল-ত্রুটি শুধরে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে। বাজে ফল হলেও ইতিবাচক ব্যাপার রয়েছে এখানে।’
৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে ম্যানচেস্টার সিটি অবস্থান করছে চার নম্বরে। পিএসজি, আতালান্তার ১৩ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানের কারণে তারা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। পিএসজি ও আতালান্তা অবস্থান করছে তিন ও পাঁচ নম্বরে। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আর্সেনাল। দুইয়ে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের পয়েন্ট ১৫। ১২ পয়েন্টে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ সাত নম্বরে। প্রত্যেকেই ছয়টি করে ম্যাচ খেলেছে। এদিকে লা লিগায় ১৬ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল। সমান ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে বার্সেলোনা। পরশু মেন্দিজোরোজা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে লা লিগার আলাভেস-রিয়াল ম্যাচ।

বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগসহ সবশেষ ৮ ম্যাচের মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ কেবল ২ ম্যাচ জিতেছে। তিনটি করে ম্যাচ হেরেছে ও ড্র করেছে। সেলতা ফিগোর বিপক্ষে ৭ ডিসেম্বর লা লিগায় হারানোর পর আলোনসোর চাকরি হারানো নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। এমন অবস্থায় পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ২-১ গোলে হেরে বসে রিয়াল। পরশু আলাভেসের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচটি এখন রিয়াল কোচ আলোনসোর জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। তবে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস তেমন কিছু (আলোনসোর চাকরি হারানো) মনে করছেন না। সাংবাদিকদের তেবাস বলেন, ‘এমন নাটক আমি আগেও অনেকবার দেখেছি। রিয়াল মাদ্রিদ এমন এক দল যারা এমন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ এ বছর হয়েছেন আলোনসো। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত রিয়ালের হয়ে খেলেছেন ২৩৬ ম্যাচ। একবার করে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগার শিরোপা জিতেছেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়াতে ওস্তাদ রিয়াল যেকোনো কিছু করতে পারে বলে মনে করেন তেবাস। খেলোয়াড় জীবনের অভিজ্ঞতা কোচ হিসেবে কাজে লাগাতে পারবেন বলে বিশ্বাস তেবাসের। লা লিগা সভাপতি বলেন, ‘জাবি আলোনসোর মধ্যে মাদ্রিদের ডিএনএ আছে। আমার বিশ্বাস সে, খেলোয়াড় ও ক্লাব সামনে এগিয়ে যাবে। তাদের শৈশব থেকেই এমন মানসিকতা। খেলোয়াড়ি জীবনে সেটা এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।’
সরাসরি না হলেও পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের পর চাকরি হারানোর ব্যাপারে প্রশ্ন এসেছিল আলোনসোর কাছে। রিয়াল কোচ অবশ্য এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন না। সিটির কাছে হারের পর আলোনসো বলেছিলেন, ‘আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। ভুল-ত্রুটি শুধরে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে। বাজে ফল হলেও ইতিবাচক ব্যাপার রয়েছে এখানে।’
৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে ম্যানচেস্টার সিটি অবস্থান করছে চার নম্বরে। পিএসজি, আতালান্তার ১৩ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানের কারণে তারা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। পিএসজি ও আতালান্তা অবস্থান করছে তিন ও পাঁচ নম্বরে। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আর্সেনাল। দুইয়ে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের পয়েন্ট ১৫। ১২ পয়েন্টে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ সাত নম্বরে। প্রত্যেকেই ছয়টি করে ম্যাচ খেলেছে। এদিকে লা লিগায় ১৬ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল। সমান ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে বার্সেলোনা। পরশু মেন্দিজোরোজা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে লা লিগার আলাভেস-রিয়াল ম্যাচ।

মাথায় ঝাঁকড়া চুল থাকায় কেউ কেউ তাঁকে হামজা চৌধুরী ভেবে বসেন। আসলে নাম তাঁর আমিরুল ইসলাম। ভারতে চলমান জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।
১১ দিন আগে
৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
১০ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডে এডওয়ার্ডস ২২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন। ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে। এমন বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি হইচই ফেলে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ড টপকে সেটা নিজের নামে লেখাতে পারলেন না এডওয়ার্ডস। কারণ, ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ধরা হয় না। এটা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।
উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে এডওয়ার্ডস শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। ২৩ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন। টানা দুই বলে দুই ছক্কা মেরে ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। ইনিংসের ১১তম ওভারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরির পর বেশ বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। ১৬ ওভার শেষে ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ২১২। সেখান থেকে নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয়েছে ২ উইকেটে ৩০৪ রান। শেষ চার ওভারে ৯২ রান দলটি করতে পেরেছে মূলত এডওয়ার্ডসের ঝড়েই।
এডওয়ার্ডসের তাণ্ডব চালানোর ম্যাচে আলটোনা জিতেছে ১৮৬ রানে। ৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং ১১৮ রানে আটকে যায়। পয়েন্ট টেবিলে আলটোনা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ছয় দলের টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপে চার নম্বরে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং। ২২৯ রান করা এডওয়ার্ডসের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে কোনো সেঞ্চুরি নেই। সর্বোচ্চ ৯৯ রান গত বছর ওমানের বিপক্ষে করেছেন। এদিকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ডটা এখনো অক্ষতই রয়ে গেল। ২০১৩ আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়ার বিপক্ষে ৬৬ বলে ১৩ চার ও ১৭ ছক্কায় ১৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে।

৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডে এডওয়ার্ডস ২২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন। ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে। এমন বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি হইচই ফেলে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ড টপকে সেটা নিজের নামে লেখাতে পারলেন না এডওয়ার্ডস। কারণ, ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ধরা হয় না। এটা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।
উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে এডওয়ার্ডস শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। ২৩ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন। টানা দুই বলে দুই ছক্কা মেরে ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। ইনিংসের ১১তম ওভারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরির পর বেশ বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। ১৬ ওভার শেষে ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ২১২। সেখান থেকে নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয়েছে ২ উইকেটে ৩০৪ রান। শেষ চার ওভারে ৯২ রান দলটি করতে পেরেছে মূলত এডওয়ার্ডসের ঝড়েই।
এডওয়ার্ডসের তাণ্ডব চালানোর ম্যাচে আলটোনা জিতেছে ১৮৬ রানে। ৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং ১১৮ রানে আটকে যায়। পয়েন্ট টেবিলে আলটোনা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ছয় দলের টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপে চার নম্বরে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং। ২২৯ রান করা এডওয়ার্ডসের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে কোনো সেঞ্চুরি নেই। সর্বোচ্চ ৯৯ রান গত বছর ওমানের বিপক্ষে করেছেন। এদিকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ডটা এখনো অক্ষতই রয়ে গেল। ২০১৩ আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়ার বিপক্ষে ৬৬ বলে ১৩ চার ও ১৭ ছক্কায় ১৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে।

মাথায় ঝাঁকড়া চুল থাকায় কেউ কেউ তাঁকে হামজা চৌধুরী ভেবে বসেন। আসলে নাম তাঁর আমিরুল ইসলাম। ভারতে চলমান জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।
১১ দিন আগে
৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৯ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
১০ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি। এবার ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তিনি।
ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের পরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য অ্যান্ডারসনকে পূর্ণকালীন অধিনায়ক করেছে। নেতৃত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত ৪৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের এই পেসার বলেন, ‘গত মৌসুমে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করা ছিল অনেক সম্মানের বিষয়। নতুন মৌসুম সামনে রেখে পূর্ণকালীন নেতৃত্ব পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছি। আমাদের একঝাঁক দারুণ ক্রিকেটার রয়েছে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে তৈরি করা হয়েছে এই দলটা। আমরা একসঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। প্রথম বিভাগে ফিরে যাওয়াই হচ্ছে সর্বপ্রথম লক্ষ্য।’
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হিসেবে ল্যাঙ্কাশায়ারকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু চার দিনের ক্রিকেটে এবার তাঁকে স্থায়ী অধিনায়ক করল কাউন্টি ক্লাব। গত বছরের মে মাসে ক্লাবটির লাল বলের ক্রিকেট থেকে কিটং জেনিংস অধিনায়কত্ব ছাড়াতেই অ্যান্ডারসন পেয়ে যান নেতৃত্ব। গত বছরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন। ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনকে নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রধান কোচ স্টিভেন ক্রফট বলেন, ‘জিমি অসাধারণ এক নেতা। সে দলকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারে। ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অধিনায়ক হওয়ার জন্য সেই যোগ্য।’
ভাইটালিটি ব্লাস্টে ল্যাঙ্কাশায়ারের অধিনায়কই থাকছেন কিটন জেনিংস। সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন জশ বোহানন। এ বছরের ভাইটালিটি ব্লাস্টে ২০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এই ক্লাবটির সঙ্গেই গত বছরের নভেম্বরে এক বছরের নতুন চুক্তি করেছিলেন। ডিভিশন টুতে থাকা ইংল্যান্ডের এই ক্লাবকে এবার পূর্ণকালীন নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। নতুন বছরের ৩ এপ্রিল ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবে। ২০০২ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৪০১ ম্যাচে পেয়েছেন ৯৯১ উইকেট। যার মধ্যে ১৯১ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৪ উইকেট। মুত্তিয়া মুরালিধরন ও শেন ওয়ার্নের পর টেস্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে মুরালিধরন ও ওয়ার্ন নিয়েছেন ৮০০ ও ৭০৮ উইকেট। টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন কদিন আগে নাইটহুড উপাধি পেয়েছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি। এবার ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তিনি।
ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের পরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য অ্যান্ডারসনকে পূর্ণকালীন অধিনায়ক করেছে। নেতৃত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত ৪৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের এই পেসার বলেন, ‘গত মৌসুমে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করা ছিল অনেক সম্মানের বিষয়। নতুন মৌসুম সামনে রেখে পূর্ণকালীন নেতৃত্ব পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছি। আমাদের একঝাঁক দারুণ ক্রিকেটার রয়েছে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে তৈরি করা হয়েছে এই দলটা। আমরা একসঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। প্রথম বিভাগে ফিরে যাওয়াই হচ্ছে সর্বপ্রথম লক্ষ্য।’
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হিসেবে ল্যাঙ্কাশায়ারকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু চার দিনের ক্রিকেটে এবার তাঁকে স্থায়ী অধিনায়ক করল কাউন্টি ক্লাব। গত বছরের মে মাসে ক্লাবটির লাল বলের ক্রিকেট থেকে কিটং জেনিংস অধিনায়কত্ব ছাড়াতেই অ্যান্ডারসন পেয়ে যান নেতৃত্ব। গত বছরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন। ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনকে নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রধান কোচ স্টিভেন ক্রফট বলেন, ‘জিমি অসাধারণ এক নেতা। সে দলকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারে। ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অধিনায়ক হওয়ার জন্য সেই যোগ্য।’
ভাইটালিটি ব্লাস্টে ল্যাঙ্কাশায়ারের অধিনায়কই থাকছেন কিটন জেনিংস। সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন জশ বোহানন। এ বছরের ভাইটালিটি ব্লাস্টে ২০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এই ক্লাবটির সঙ্গেই গত বছরের নভেম্বরে এক বছরের নতুন চুক্তি করেছিলেন। ডিভিশন টুতে থাকা ইংল্যান্ডের এই ক্লাবকে এবার পূর্ণকালীন নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। নতুন বছরের ৩ এপ্রিল ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবে। ২০০২ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৪০১ ম্যাচে পেয়েছেন ৯৯১ উইকেট। যার মধ্যে ১৯১ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৪ উইকেট। মুত্তিয়া মুরালিধরন ও শেন ওয়ার্নের পর টেস্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে মুরালিধরন ও ওয়ার্ন নিয়েছেন ৮০০ ও ৭০৮ উইকেট। টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন কদিন আগে নাইটহুড উপাধি পেয়েছেন।

মাথায় ঝাঁকড়া চুল থাকায় কেউ কেউ তাঁকে হামজা চৌধুরী ভেবে বসেন। আসলে নাম তাঁর আমিরুল ইসলাম। ভারতে চলমান জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।
১১ দিন আগে
৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৯ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে