হামজার সঙ্গে খেলতে মুখিয়ে মাহি খান
_11zon-8a4e9c-480x270.webp)
ইংল্যান্ডের লেস্টারে যাঁর খেলা গ্যালারিতে বসে মুগ্ধ হয়ে দেখতেন, এবার জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে তাঁর সঙ্গেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। হামজা চৌধুরীর ঘরের কাছেই বেড়ে ওঠা ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ মাহি খান এবার বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া জাতীয় দলের প্রথম দিনের অনুশীলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী এই তরুণ স্ট্রাইকার।
অনূর্ধ্ব-২০ দল পেরিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন মাহি। তবে তাঁর বাড়তি রোমাঞ্চিত হওয়ার কারণ হামজার সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার হাতছানি। শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলা হামজা অবশ্য যোগ সাফের মাঝপথে। তবে তাঁর সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করতে তর সইছে না মাহির। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘খুবই রোমাঞ্চিত আমি। ছোট থেকেই লেস্টারে হামজার খেলা দেখছি। কারণ, লেস্টার আমাদের বাসার কাছেই। সেই ছোটবেলা থেকে যাঁকে দেখে আসছি, এখন সুযোগ এসেছে তাঁর সঙ্গে খেলার। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলারের সঙ্গে খেলতে পারা দারুণ সম্মানের। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারব।’
মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় সিনিয়র দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া মাহির পরিবারের জন্যও বড় এক আনন্দের উপলক্ষ। নিজের অনুভূতি জানিয়ে মাহি বলেন, ‘আমি ভীষণ গর্বিত। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছি। পরিবারের সবাইও খুব খুশি। এখন আমাদের কঠোর পরিশ্রম করার সময় এবং ইনশা আল্লাহ আমরা সাফ জিতব।’
বাংলাদেশ দলে দীর্ঘদিনের প্রথাগত স্ট্রাইকার বা ‘নাম্বার নাইন’-এর যে সংকট, মাহিকে ঘিরে সেই আশার আলো দেখছেন কোচ টমাস ডুলি। বয়সের তুলনায় দায়িত্ব বড় হলেও তা নিয়ে খুব একটা নার্ভাস নন এই তরুণ। কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠে পারফর্ম করে গোল করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য, ‘কিছুটা চাপ তো থাকবেই। তবে মাঠে নেমে নিজের সেরাটা দেওয়াই আমার কাজ। কোচ আমার কাছে কী চান, তা আমি জানি। মাঠে কোচের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে ইনশা আল্লাহ গোল করতে পারব।’
এর আগে উজবেকিস্তানে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে লাল-সবুজ জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছিল মাহির। সেখানে দল আশানুরূপ ফল না পেলেও সেই টুর্নামেন্ট মাহির জন্য বড় শিক্ষা হিসেবে কাজ করেছে। অনূর্ধ্ব-২০ দলের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে সেই অভিজ্ঞতা এবার জাতীয় দলের বড় মঞ্চে কাজে লাগিয়ে দেশকে সাফল্য এনে দিতে চান এই তরুণ স্ট্রাইকার।









