Ajker Patrika

ইনফান্তিনো কি আরও একবার ফিফা সভাপতি হচ্ছেন

ক্রীড়া ডেস্ক    
ইনফান্তিনো কি আরও একবার ফিফা সভাপতি হচ্ছেন
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

চতুর্থ মেয়াদে ফিফা সভাপতি হওয়ার পথে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি নির্বাচনে না লড়ে কনকাকাফের সভাপতি পদে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ইনফান্তিনোর পথ অনেকটাই সহজ হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ইএসপিএন।

২০২৭ সালের ১৮ মার্চ মরক্কোর রাবাতে ফিফা সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। সুইস নাগরিক ইনফান্তিনো গত মে মাসেই চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নেতৃত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক বিরোধ তাঁর নির্বাচনী পথকে জটিল করে তুলেছে।

কানাডার মন্তাগলিয়ানি দীর্ঘদিন ধরে ইনফান্তিনোর সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। কিন্তু কনকাকাফের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে অঞ্চলটির ফুটবলের সেবায় দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। আগামী বছর কনকাকাফের সভাপতি নির্বাচনও হবে। ফলে ফিফা সভাপতি পদে লড়ার বদলে ওই দায়িত্বেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

তবে ইনফান্তিনোর বিরোধিতা পুরোপুরি থেমে নেই। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ফিফার নেতৃত্বে পরিবর্তন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি তুলেছে। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ও কনকাকাফেও ফিফার পরিচালনা পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

বিশেষ করে, ফিফার বিশ্বকাপসংক্রান্ত বাণিজ্যিক স্বত্ব ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার প্রস্তাব ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই প্রস্তাবটি সামনে আনার অভিযোগে বিভিন্ন কনফেডারেশন আপত্তি জানায়। পরে ফিফা সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে। এই ঘটনা ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন আরও বাড়িয়ে দেয়।

উয়েফা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তাদের ৫৫টি সদস্য দেশের মধ্যে আজারবাইজান ছাড়া বাকি দেশগুলো ফিফার সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রয়েছে। সংস্থাটির মতে, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারই যথেষ্ট নয়, ফিফার নেতৃত্বেও পরিবর্তন প্রয়োজন।

এদিকে সাবেক সুইস ফুটবলার রামন ভেগা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ফলে মন্তাগলিয়ানি সরে দাঁড়ালেও ইনফান্তিনোর প্রতিদ্বন্দ্বী একেবারেই নেই, এমনটা বলা যাচ্ছে না। তবে ভেগা প্রার্থিতার যোগ্যতা পূরণ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ফিফা সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর। এখন দেখার বিষয়, এই সময়ের মধ্যে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে শক্ত কোনো প্রার্থী মাঠে নামেন কি না। আপাতত চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাঁর সামনে। তবে ফিফার নেতৃত্ব নিয়ে চলমান বিরোধ নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই হবে দেখার বিষয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত