বাংলাদেশকে আগলে রাখলেন আফগানিস্তানের কোচ

২০১২ সালের জুনে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে বেশি দিন কাজ করেননি রিচার্ড পাইবাস। মাত্র সাড়ে চার মাস পরই দায়িত্ব ছাড়েন। এবার দুঃসময়ে নিজেদের সাবেক কোচকে পাশে পেল বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় নেওয়া তাওহীদ হৃদয়দের আগলে রাখলেন আফগানদের প্রধান কোচ।
জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের হারের পরই ফাইনালে উঠার পথটা কঠিন করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এরপরও আশা বেঁচে থাকলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় আফগানিস্তানের কাছে অসহায় আত্মসমর্পনের পর খালি হাতেই বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে। ১৬০ রানে অলআউট হয়ে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে দল। এই হারে বিদেশের মাটিতে হতাশার গল্পটাও দীর্ঘ হলো। দেশের বাইরে ১৬ ওয়ানডের ১৪টিতেই হারল বাংলাদেশ।
ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকে তীব্র সমালোচনার মুখে বাংলাদেশ। সামাজিক মাধ্যমে ক্রিকেটারদের ধুঁয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। সমালোচনা হচ্ছে বিসিবি ও টিম ম্যানেজমেন্টের ভূমিকা নিয়েও। পাইবাস অবশ্য সাম্প্রতিক ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা না করে বাংলাদেশের সাফল্যের স্মৃতিই মনে করিয়ে দিলেন।
বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পাইবাস বলেন, ‘আমি আসলে এসব নিয়ে কথা বলতে পারছি না। এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই আমার। এখানে আসার আগে তারা অস্ট্রেলিয়াতে দারুণ একটি জয় পেয়েছে, ঐতিহাসিক জয় ছিল। কোচ হিসেবে বিভিন্ন ধাপে আমাদের কাজ করতে হয়। বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন স্কোয়াড নিয়ে কাজ করতে হয়। অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশের জয়টা তাদের তৈরি করা বেঞ্চমার্ক ছিল। আমরা যখন ভারতের বিরুদ্ধে খেলেছি, তখনও নিজেদের সেরাটা দিতে চেয়েছিলাম। সেখান থেকেও আমরা কিছু শিক্ষা নিয়েছি। ক্রিকেট দলগুলোকে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতেই হয়।’
এ নিয়ে টানা ৫ ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হারল বাংলাদেশ। আগের ৪ ম্যাচে জোনাথন ট্রটের অধীনে খেলেছে রশিদ-নবিরা। সে সময়কে পাশ কাটিয়ে সবশেষ ম্যাচ নিয়েই সরব পাইবাস, ‘আগের ৪ ম্যাচ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না, কারণ তখন আমি এই দলের কোচ ছিলাম না। এই ম্যাচ নিয়ে বলতে গেলে, পাওয়ারপ্লেটা মিশ্র ধরনের ছিল। কিছুটা বিশৃঙ্খল বোলিং হয়েছে আমাদের। এর সাথে দারুণ বোলিংও ছিল। ম্যাচটা আমরা নিজেদের হাতে রেখেছি। আবুধাবিতেও প্লেয়ারদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চাই না।’









