
লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে রেকর্ড যেন নিত্যসঙ্গী। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ধরে রাখার অভিযান শুরু হবে আগামী বুধবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। সেই ম্যাচেই লা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে ২০০তম ম্যাচ খেলার অনন্য কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন দশ নম্বর জার্সিধারী।
আইসল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমে নিজের ১৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে গোলও করেন তিনি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই আরেকটি বিশেষ মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট হাঙ্গেরির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়া শুরু করেন মেসি। তবে সেই শুরুটা সুখকর ছিল না। বদলি হিসেবে মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেখান থেকে শুরু করে প্রায় ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি হয়ে উঠেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা প্রতীক।
জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯৯ ম্যাচে ১১৭ গোল করেছেন মেসি। পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৬৪ গোল। মাঠে কাটিয়েছেন ১৬ হাজার ৩৮০ মিনিটেরও বেশি সময়। তবে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় অর্জন এসেছে দলীয় সাফল্যে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি জিতেছেন ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালের ফিনালিসিমা এবং একই বছর কাতার বিশ্বকাপের শিরোপা।
আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মেসির দখলে। ১৯৯ ম্যাচ নিয়ে তিনি অনেকটা ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা হাভিয়ের মাশচেরানোর ম্যাচ সংখ্যা ১৪৭। এরপর রয়েছেন আনহেল দি মারিয়া (১৪৫), হাভিয়ের জানেত্তি (১৪২) ও নিকোলাস ওতামেন্দি (১৩২)।
শুধু জাতীয় দলের ইতিহাসেই নয়, বিশ্বকাপের মঞ্চেও ম্যাচ খেলার রেকর্ডের মালিক মেসি। কাতার বিশ্বকাপে তিনি ২৬তম ম্যাচ খেলে জার্মান কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউসের ২৫ ম্যাচের রেকর্ড ভেঙেছিলেন। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় এরপর রয়েছেন মিরোস্লাভ ক্লোসে (২৪) ও পাওলো মালদিনি (২৩)।
বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে একটি দল সর্বোচ্চ আটটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। ফলে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার পাশাপাশি বিশ্বকাপে নিজের ম্যাচসংখ্যার রেকর্ডও আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ থাকছে মেসির সামনে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকা এই ফরোয়ার্ডের জন্য ২০০তম ম্যাচ নিঃসন্দেহে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় হতে যাচ্ছে।

গত ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলের গোলপোস্ট সামলানো ভোজিনিয়ার জন্য স্পেনের বিপক্ষের ম্যাচটি ছিল ৯০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েন তিনি; শেষ হয়ে যায় পর্তুগিজ ক্লাব জিদি চাভেসের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ। তবে সম্পূর্ণ ক্লাবহীন থাকার এই মানসিক চাপ মাঠের পারফরম্যান্সে বিন্দুম
৩৪ মিনিট আগে
ফুটবলের আসল সৌন্দর্য সম্ভবত এখানেই লুকিয়ে থাকে, যেখানে খাতা-কলমের পরিসংখ্যান আর ফিফা র্যাঙ্কিং মাঠের ৯০ মিনিটের কাছে এসে একেবারে অর্থহীন হয়ে পড়ে। তা নয়তো কী! একদিকে র্যাঙ্কিংয়ের ৩ নম্বরে থাকা শিরোপার অন্যতম দাবিদার স্পেন, যাদের স্কোয়াড ঠাসা ইউরোপ সেরাদের নিয়ে। অন্যদিকে ৬৪ নম্বরে থাকা আফ্রিকার ছোট
১ ঘণ্টা আগে
মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ ছিল ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্রামের দিন। সকালে রিকভারি সেশনের পর টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে পুরো দলকে ছুটি দেওয়া হয়। সেই সুযোগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে।
২ ঘণ্টা আগে
২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক দুর্দান্ত হাফ ভলি জড়াল জালে। গ্যালারিতে তখন বুনো উল্লাস। এমন একটা নান্দনিক গোলের পর জার্সি খুলে ভোঁ-দৌড় দেওয়া কিংবা দর্শকদের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু গোলদাতা ইয়াসিন আয়ারি কেবল হাত দুটো জোড় করলেন, এরপর নতজানু হয়ে চুম্বন করলেন সবুজ ঘাসকে।
৩ ঘণ্টা আগে