নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের দাবিতে সাড়া না দেয়, তাহলে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই—‘আগামী নির্বাচনে যদি বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে এবং আল্লাহ আমাদের সেই সুযোগ দেন, তাহলে সরকারে গিয়ে দ্রুততম সময়ে কুমিল্লা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে, ইনশা আল্লাহ। কুমিল্লা তো বিভাগ করতেই হবে। প্রশাসনিক প্রয়োজনে করতে হবে এবং কুমিল্লার বাইরে অন্য কোনো নাম কুমিল্লার জনগণ মেনে নেবে না।’
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি ঢাকা ও নাগরিক পরিষদ কুমিল্লার যৌথ আয়োজনে ‘কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আয়োজকদের উদ্দেশে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আমরা সবাই কুমিল্লার নাগরিক। কুমিল্লাবাসী ইতিমধ্যে অন্য কোনো নাম প্রত্যাখ্যান করেছে। কুমিল্লায় বিভাগ চাই। এই ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দেখা করার জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিনিধিদল যাবে। সেই লক্ষ্যে আপনারা একটি কমিটি গঠন করুন। ব্যক্তিগতভাবে আমার সহযোগিতা থাকবে।’
এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কুমিল্লার সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে কমিটি গঠন করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে গেলে এই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই কুমিল্লা নামে বিভাগ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। যদি না হয়, দাবি আদায়ের আন্দোলনে আমাকে পাবেন। আপনি যে দলেরই হোন, পিছিয়ে পড়ার ভোগান্তি সবার। তাই যে রাজনৈতিক মতাদর্শেরই হোন না কেন, কুমিল্লার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সমিতি ঢাকার সভাপতি এ বি এম শাহজাহান, নাগরিক পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাবলু, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মান্নান ইলিয়াস, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির ঢাকা সভাপতি আইনজীবী আব্বাস উদ্দীনসহ প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের দাবিতে সাড়া না দেয়, তাহলে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই—‘আগামী নির্বাচনে যদি বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে এবং আল্লাহ আমাদের সেই সুযোগ দেন, তাহলে সরকারে গিয়ে দ্রুততম সময়ে কুমিল্লা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে, ইনশা আল্লাহ। কুমিল্লা তো বিভাগ করতেই হবে। প্রশাসনিক প্রয়োজনে করতে হবে এবং কুমিল্লার বাইরে অন্য কোনো নাম কুমিল্লার জনগণ মেনে নেবে না।’
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি ঢাকা ও নাগরিক পরিষদ কুমিল্লার যৌথ আয়োজনে ‘কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আয়োজকদের উদ্দেশে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আমরা সবাই কুমিল্লার নাগরিক। কুমিল্লাবাসী ইতিমধ্যে অন্য কোনো নাম প্রত্যাখ্যান করেছে। কুমিল্লায় বিভাগ চাই। এই ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দেখা করার জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিনিধিদল যাবে। সেই লক্ষ্যে আপনারা একটি কমিটি গঠন করুন। ব্যক্তিগতভাবে আমার সহযোগিতা থাকবে।’
এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কুমিল্লার সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে কমিটি গঠন করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে গেলে এই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই কুমিল্লা নামে বিভাগ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। যদি না হয়, দাবি আদায়ের আন্দোলনে আমাকে পাবেন। আপনি যে দলেরই হোন, পিছিয়ে পড়ার ভোগান্তি সবার। তাই যে রাজনৈতিক মতাদর্শেরই হোন না কেন, কুমিল্লার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সমিতি ঢাকার সভাপতি এ বি এম শাহজাহান, নাগরিক পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাবলু, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মান্নান ইলিয়াস, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির ঢাকা সভাপতি আইনজীবী আব্বাস উদ্দীনসহ প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী এক মহান রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার স্পষ্ট ঘোষণা দিলেও এখনো তাদের জন্য আলোচনার দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে...
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসেন তাঁরা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
৬ ঘণ্টা আগে