
ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চারজন খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এদের খেতাব বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করা হবে। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করলে আপনারা (সাংবাদিক) পাবেন।
তবে বঙ্গবন্ধুর কোন চারজন খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিল করা হচ্ছে, তা জানাননি মন্ত্রী। গেজেট প্রকাশের আগে এ নিয়ে আর কোনো মন্তব্যও করতে চাননি তিনি।
এর আগে সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, এ বি এম এইচ নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী এবং মোসলেহ উদ্দিন ওরফে মোসলেম উদ্দিনের মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। এরপর তাদের খেতাব বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে জামুকার সদস্য ও সাংসদ মোশাররফ হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে কোন চারজনের খেতাব বাতিল হবে, আজকের বক্তব্যে তা জানাননি মন্ত্রী।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিল করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল হলে তারা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।

মহিউদ্দিন আহমদকে পাঠক চেনেন লেখক, গবেষক এবং রাজনৈতিক কলামিস্ট হিসেবে। এসব বিষয়ে তাঁর বই বেরিয়েছে কয়েকটি। এবার তিনি বইমেলায় হাজির হয়েছেন ঔপন্যাসিক পরিচয়ে। ‘শেখ মুজিবের লাল ঘোড়া’ নামের বইটিতে বাংলাদেশের রাজনীতির স্বাধীনতা-পরবর্তী অস্থির সময়ের কথা তুলে ধরেছেন লেখক। বইটির প্রকাশক অনন্যা।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রবাসী আয়ে অবদান রাখছেন নারীরাও। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ নারীকর্মী বিভিন্ন দেশে কর্মরত। তাঁদের অর্ধেকই আছেন সৌদি আরবে। পরিবারে সচ্ছলতা আনতে বিদেশে যাওয়া এই নারীদের অনেকে প্রতারণা, মানব পাচারসহ শারীরিক-মানসিক-যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রায় সব জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে নারীর অধিকার, ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। ১৯৯১ সাল থেকে দলগুলোর ইশতেহার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, উন্নয়নের মূলধারায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো...
১০ ঘণ্টা আগে
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে...
১১ ঘণ্টা আগে