কোম্পানি করদাতাদের আয়কর দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কোম্পানি করদাতারা রিটার্ন দিতে পারবে। আজ রোববার এক আদেশে এই সময় বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটি উপলক্ষে এবং ই-ভ্যাট সিস্টেমে কিছুটা ধীর গতি হওয়ায় প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট রিটার্নের জমার সময়ও বাড়ানো হয়েছে।
কোম্পানির আয়কর রিটার্ন দাখিলের আগের সময়সীমা ছিল ১৫ মার্চ। এনবিআরের আদেশে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩৩৪ এর দফা (খ)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্বাভাবিক করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্য সব করদাতার ২০২৫-২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিলের তারিখ এক মাস বৃদ্ধি করেছে।
এনবিআরের নতুন আদেশে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় ২৯ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই সুযোগ শুধু ফেব্রুয়ারি মাসের ভ্যাট রিটার্ন দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এখন প্রতি মাসের ১৮ তারিখ পর্যন্ত রিটার্ন দেওয়া যায়।
এনবিআর সূত্র বলেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ফি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে। ফলে সার্ভার জটিলতার কারণে যাতে কোনো করদাতা অযথা জরিমানার মুখে না পড়েন, সে জন্য সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬ লাখ ৪৪ হাজার। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই রিটার্ন দেয় না।

কাগজ-কলমে ঢাকা থেকে রংপুরে যেতে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের সময় লাগে ৯ ঘণ্টা ৫০ মিনিট। কিন্তু বাস্তবে আরও অনেক রুটের মতো এই পথেও তা যেন সময়সূচির পাতায় সীমাবদ্ধ। ১ আগস্টের যাত্রায় পার্বতীপুরে ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এতে ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায় ট্রেনটি।
৪ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে পাইপলাইনের গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট গতকাল বুধবার আবার বেড়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের চুলা দিনের বেশির ভাগ সময়ই জ্বলছে না। রাজধানীসহ সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেশি। গ্রামে ১০-১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অনেক মানুষ সরকারি বিভিন্ন সেবা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর জন্মনিবন্ধন না থাকা, ঠিকানা ও পরিচয়সংক্রান্ত জটিলতাসহ নানা কারণে তাঁদের এনআইডি পেতে সমস্যা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আটটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ভোটাভুটি হয়েছে। একক প্রার্থী থাকায় পরের সাতবার ভোটের প্রয়োজন হয়নি। এবার অবশ্য প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।
৭ ঘণ্টা আগে