
আবহাওয়ার যে অবস্থা, তাতে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকে অনেক বেশি তেল জমা হয়। লোমকূপে অতিরিক্ত তেল ও বাইরের ধুলাবালু জমে ব্রণ হতে পারে। তা ছাড়া ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে ও মেকআপ সঠিক উপায়ে না তুললে ব্রণ হতে পারে। যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল, তারাও এ সময় এই সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। জেনে নিন ব্রণ হলে যা করতে হবে।
ত্বক ঠান্ডা রাখুন
সারা দিনে চার-পাঁচবার ফ্রিজের ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুতে হবে। খুব বেশি গরম পড়লে ত্বকে বরফ ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বক ঠান্ডা ও ভালো থাকবে এবং ব্রণ ওঠার প্রবণতা কমবে। গরমের সময় পানি-জাতীয় খাবার যত বেশি খাওয়া যাবে ত্বক তত বেশি ভালো থাকবে। পাশাপাশি অ্যালার্জিক খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
পরিচ্ছন্নতায় মনোযোগ
নিয়মিত ত্বক পরিষ্কারের দিকে নজর রাখতে হবে। ত্বক থেকে যদি অতিরিক্ত তেল সরিয়ে ফেলা যায়, তাহলে ত্বকে ব্রণ হবে না। নিমপাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানির ভাপ নিলে ত্বক পরিচ্ছন্ন থাকবে। ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমবে এবং দাগও হালকা হবে। তবে ব্রণ হলে ত্বকে স্ক্র্যাব করা থেকে বিরত থাকুন। এতে ব্রণ বাড়তে পারে।
স্পর্শ করবেন না
মুখের ত্বকে ব্রণ হলে কোনোভাবেই চুলকানো বা নখ লাগানো যাবে না। ব্রণ পেকে গেলেও তা চাপ দিয়ে সাদা অংশ বের করা যাবে না। বারবার ব্রণে হাত দিলে ত্বকে দাগ বসে যায়।
সঠিক প্যাক ব্যবহার করুন
ব্রণ হলে ত্বকে কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা বেটে পেস্ট করে লাগানো যেতে পারে। চাইলে এই মিশ্রণে একটু লেবুর রস মেশানো যায়। তবে এই মিশ্রণ ফ্রিজে রেখে বা ঘরের শীতল জায়গায় রেখে ঠান্ডা করে ত্বকে লাগাতে হবে। ব্রণ দূর করতে এই মিশ্রণ খুব ভালো কাজ করে। অনেকের পিঠে ব্রণ দেখা দেয়। এমন হলে পাকা পেঁপে ও লেবুর রস দিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

দাগ দূর করতে
ব্রণের দাগ দূর করতে লেবুর রস লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। মুখে নিয়মিত গোলাপজল ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়।

যা খাবেন এবং যা খাবেন না
দৈনিক খাদ্যের তালিকায় অবশ্যই টাটকা শাকসবজি, ফলমূল এবং আঁশযুক্ত খাবার রাখতে হবে। যেখানে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই ও বিটা ক্যারোটিন থাকবে। এ ধরনের ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার ব্রণ ও ব্রণের দাগ কমায়। এ ছাড়া পোরস পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আঁশযুক্ত খাবার রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখে, যা ব্রণ কমাতে উপকারী ভূমিকা পালন করে। তালিকায় জিংক ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। কারণ, এগুলো কোষের ক্ষয়রোধ ও সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করবে। তা ছাড়া এই ধরনের খাবার হরমোন ও ত্বক ভালো রাখে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ওমেগা থ্রি-সমৃদ্ধ খাবার তালিকাভুক্ত করতে হবে। তবে ব্রণ হলে সাধারণত দুগ্ধজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে বলা হয়ে থাকে। কিন্তু টক দই এ ক্ষেত্রে প্রোবায়োটিকস হিসেবে কাজ করবে, তাই খাবারের তালিকায় টক দই রাখতে হবে। শরীরে জমে থাকা টক্সিন ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দূর করতে দৈনিক ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

রাত ১০টা পেরিয়ে গেছে। রেস্তোরাঁয় তখনো ভিড় বাড়ছে, টেবিলে সাজানো হচ্ছে খাবার। বাংলাদেশে এই সময় অনেকের রাতের খাবার শেষ হয়ে যায়। অথচ বিশ্বের কিছু দেশে এটাই ডিনারের ব্যস্ত সময়। কোথাও রাত ৯টায় শুরু হয় খাবার, কোথাও আবার ১০টা বা তারও পরে। প্রশ্ন জাগতেই পারে, এত রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হলো কীভাবে?
১ ঘণ্টা আগে
ল্যাপটপ বন্ধ করেছেন, রাতের খাবার শেষ। হিসাব অনুযায়ী সেই দিনের কাজ শেষ। কিন্তু কাঁধে এখনো কাজের চাপ, হাত বারবার চলে যাচ্ছে মোবাইল ফোনের দিকে আর মাথার ভেতর ঘুরছে অফিসের অসমাপ্ত কথোপকথন বা আগামীকালের কাজের তালিকা। ফলে অফিস শেষ হয়েও মনটা অফিসেই পড়ে আছে। এই দ্বিধাময় অবস্থা থেকে নিজেকে স্বাভাবিক ছন্দে
৫ ঘণ্টা আগে
ত্বকের যত্নে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করেন অনেকে। টোনার, সেরাম, ময়শ্চারাইজার থেকে শুরু করে আই ক্রিম—প্রতিটি পণ্যের রয়েছে আলাদা কাজ। এখনকার সময়ে ত্বকযত্নের এসব পণ্য ফ্রিজে রাখার প্রবণতা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। বিশেষ করে গরমের দিনে ঠান্ডা টোনার বা সেরাম ত্বকে ব্যবহার করলে পাওয়া যায় সতেজ অনুভূতি। তবে...
৭ ঘণ্টা আগে
ওমেগা-৩ হৃদ্যন্ত্র বা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী। এটি রক্তে ক্ষতিকর ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, রক্তনালিতে চর্বি জমতে বাধা দেয় এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। পাতে ভর্তা তুলেও...
৯ ঘণ্টা আগে