ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজে জনপ্রিয় নাম স্বস্তিকা মুখার্জি। তাঁকে বলা হয় ‘বিউটি উইদ ব্রেইন’। কঠিন ব্যক্তিত্বের অধিকারী এই সেলিব্রিটির অসাধারণ সব লুক দেখার জন্য বরাবরই ভক্তরা ইনস্টাগ্রামে স্ক্রল করে যান। মেকআপসহ বা মেকআপ ছাড়া; সব সময়ই যেন লাস্যময়ী এ তারকা। কী আছে তার রূপ রুটিনে?
ত্বকের যত্নে
বাজারের নামীদামি পণ্য়ে খুব একটা ভরসা পান না তিনি। তার বদলে আয়ুর্বেদিক উপাদান চন্দনই তাঁর ভরসা। স্বস্তিকা প্রতিদিনের ত্বকের যত্নে চন্দন ব্যবহার করেন। এতে তাঁর ত্বক ট্যান ও দাগমুক্ত থাকে। বাজারে সহজলভ্য চন্দন গুঁড়োয় খুব একটা বিশ্বাস করেন না তিনি। বরং পাটায় চন্দনকাঠ ঘষে সেটাই মুখে মেখে নেন।
একদম কিশোরী বয়স থেকেই তাঁর মা তাঁকে ত্বকচর্চায় উৎসাহী করে তুলেছেন। সে সময় থেকেই সপ্তাহে দুই বার ত্বকে মুলতানি মাটির প্যাক লাগাতেন। তাতে মেশান গোলাপজল।
এ ছাড়াও দুধের সর ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে ত্বকে মাখেন তিনি। ১৫ মিনিট রেখে আলতো করে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নেন। এতে ত্বক হয় আরও নমনীয়।
মিনিমাল মেকআপ
একেবারে মিনিমাল মেকআপে থাকতেই ভালোবাসেন স্বস্তিকা। তাঁর ভাষ্য়,‘তুমি যদি ব্যাগে লিপস্টিক ও আইলাইনার রাখতে ভুলে যাও, তাতে ক্ষতি নেই। তবে মেকআপ ছাড়াই থেকো, নিজের ত্বক নিয়েই তো সুন্দর অনুভব করা যায়।’
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও অন্যান্য

বয়স কাঁটায় কাঁটায় ৩৫! ক্যারিয়ার, বিয়ে, সন্তান—সবকিছু ঘিরে এক ভরা জীবন। কিন্তু এর মধ্যে নিজের শরীর ও মনের সুস্থতার কথা ভুললে চলবে কেন? জানেন তো এই বয়সে নিজের কতটা যত্ন নিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করছে জীবনের বাকি অংশে আপনার ভালো বা মন্দ থাকা। এখন থেকে যদি সঠিক ওজন ধরে রাখা যায়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে ভোটের মাঠে ইদানীং একটি বিষয় বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। সেটা হলো সৌন্দর্য। অনেক দেশে অভিনয় জগতের তারকারা নেমে আসছেন রাজনীতির মাঠে আবার অনেক দেশে রাজনীতিবিদেরাই দেখাচ্ছেন সৌন্দর্যের খেল। সুদর্শন রূপ দিয়ে নজর কেড়েছেন কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, আরও আছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল
৯ ঘণ্টা আগে
বৃষ্টিদিনে রান্নাঘরে যেতেই আলসেমি লাগছে? পাঁচ পদ রাঁধতেই হবে এমন তো কোনো কথা নেই। ঢ্যাঁড়স দিয়ে রেঁধে ফেলুন ভাগনা মাছের ঝাল। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
১০ ঘণ্টা আগে
হিটেন একধরনের কাঠের তৈরি কেবিন বা ঘর। তবে নরওয়েজিয়ানদের কাছে এটি শুধু একটি ঘর নয়। এটি তাদের জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং আত্মিক প্রশান্তির ঠিকানা। সপ্তাহান্তের ছুটি, ইস্টার বা ক্রিসমাসের মতো উৎসব এলেই শহরের আধুনিক ও ব্যস্ত জীবন ছেড়ে পরিবার নিয়ে এই কাঠের ঘরে ছুটে যাওয়া নরওয়েজিয়ানদের
১২ ঘণ্টা আগে