
ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এক ভাষণে বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক বলেন, ‘আপনাদের জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। ধন্যবাদ।’
মঙ্গলবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—স্পেসএক্স, এক্স ও টেসলার মালিক এবং বিশ্বের শীর্ষ ধনী মাস্ক ছিলেন ট্রাম্পের অন্যতম বড় ডোনার এবং পরামর্শদাতা। ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানের সেই ভাষণে তিনি তাঁর ডান হাত আঙুল ছড়ানো অবস্থায় রেখে বুকের ওপর আঘাত করেন। এরপর তিনি আঙুলগুলোকে এক করে তালু নিচের দিকে রেখে হাতটিকে ওপর দিকে তির্যকভাবে বাড়িয়ে দেন।
অ্যান্টি-ডিফামেশন লিগের (এডিএল) তথ্য অনুযায়ী, ডান হাত প্রসারিত করে হাতের তালু নিচে রেখে দেওয়াকে নাৎসি স্যালুট হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
ভাষণের সময় জনতার উল্লাসের মধ্যে মাস্ক আবারও তাঁর বিতর্কিত স্যালুটটি করেন। এবার অবশ্য তাঁর হাত এবং কনুই কিছুটা নিচের দিকে ছিল। ট্রাম্প সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমার হৃদয় আপনাদের সঙ্গে। আপনাদের জন্যই সভ্যতার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়েছে। নিরাপদ শহর, সুরক্ষিত সীমান্ত এবং প্রয়োজনীয় খরচ—আমরা এগুলো করব।’
কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই মাস্কের সেই স্যালুট নিয়ে অনলাইনে বিস্তর সমালোচনা শুরু হয়। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ রুথ বেন-গিয়াত মন্তব্য করেন, ‘এটি একটি নাৎসি স্যালুট এবং অত্যন্ত উগ্র ভঙ্গিতে করা।’
মাস্ক তাঁর মন্তব্যে সরাসরি কিছু না বললেও, নিজের বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেন এবং এটি নিয়ে তৈরি মিমকেও সমর্থন দেন।
ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ মাস্কের এই অঙ্গভঙ্গিকে ‘রোমান স্যালুট’ বলে উল্লেখ করেছে। এটি মূলত ‘ফ্যাসিস্ট স্যালুট’ নামে পরিচিত এবং প্রধানত নাৎসি জার্মানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
ডানপন্থী সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা অবশ্য মাস্কের অঙ্গভঙ্গির প্রশংসা করেছেন। রোলিং স্টোনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্লাড ট্রাইব নামে একটি নব্য-নাৎসি দলের নেতা ক্রিস্টোফার পোহলহাউস বলেছেন, ‘এটি যদি ভুলও হয়ে থাকে, তবু আমি এটি নিয়ে আনন্দ করব।’

ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এক ভাষণে বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক বলেন, ‘আপনাদের জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। ধন্যবাদ।’
মঙ্গলবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—স্পেসএক্স, এক্স ও টেসলার মালিক এবং বিশ্বের শীর্ষ ধনী মাস্ক ছিলেন ট্রাম্পের অন্যতম বড় ডোনার এবং পরামর্শদাতা। ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানের সেই ভাষণে তিনি তাঁর ডান হাত আঙুল ছড়ানো অবস্থায় রেখে বুকের ওপর আঘাত করেন। এরপর তিনি আঙুলগুলোকে এক করে তালু নিচের দিকে রেখে হাতটিকে ওপর দিকে তির্যকভাবে বাড়িয়ে দেন।
অ্যান্টি-ডিফামেশন লিগের (এডিএল) তথ্য অনুযায়ী, ডান হাত প্রসারিত করে হাতের তালু নিচে রেখে দেওয়াকে নাৎসি স্যালুট হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
ভাষণের সময় জনতার উল্লাসের মধ্যে মাস্ক আবারও তাঁর বিতর্কিত স্যালুটটি করেন। এবার অবশ্য তাঁর হাত এবং কনুই কিছুটা নিচের দিকে ছিল। ট্রাম্প সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমার হৃদয় আপনাদের সঙ্গে। আপনাদের জন্যই সভ্যতার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়েছে। নিরাপদ শহর, সুরক্ষিত সীমান্ত এবং প্রয়োজনীয় খরচ—আমরা এগুলো করব।’
কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই মাস্কের সেই স্যালুট নিয়ে অনলাইনে বিস্তর সমালোচনা শুরু হয়। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ রুথ বেন-গিয়াত মন্তব্য করেন, ‘এটি একটি নাৎসি স্যালুট এবং অত্যন্ত উগ্র ভঙ্গিতে করা।’
মাস্ক তাঁর মন্তব্যে সরাসরি কিছু না বললেও, নিজের বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেন এবং এটি নিয়ে তৈরি মিমকেও সমর্থন দেন।
ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ মাস্কের এই অঙ্গভঙ্গিকে ‘রোমান স্যালুট’ বলে উল্লেখ করেছে। এটি মূলত ‘ফ্যাসিস্ট স্যালুট’ নামে পরিচিত এবং প্রধানত নাৎসি জার্মানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
ডানপন্থী সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা অবশ্য মাস্কের অঙ্গভঙ্গির প্রশংসা করেছেন। রোলিং স্টোনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্লাড ট্রাইব নামে একটি নব্য-নাৎসি দলের নেতা ক্রিস্টোফার পোহলহাউস বলেছেন, ‘এটি যদি ভুলও হয়ে থাকে, তবু আমি এটি নিয়ে আনন্দ করব।’

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩৯ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে