
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম্প।
আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইডেনের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ডেমোক্র্যাটরা উদ্বিগ্ন। তবে এমন পরিস্থিতিতেও বাইডেনের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, ‘কিছুটা ধীরগতিতে শুরু হলেও, শেষটা দুর্দান্ত ছিল।’
অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতিসহ নানা বিষয়ে বাইডেনকে প্রশ্ন করেন ট্রাম্প। বাইডেনের হাতিয়ার ছিল, ট্রাম্পের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গর্ভপাত, ট্যাক্স—এসব বিষয়ে মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করেছেন ট্রাম্প। ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম বিতর্কের পর ট্রাম্প সমর্থকেরা বেশ উৎফুল্ল ছিলেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে ছিল হতাশা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম্প।
আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইডেনের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ডেমোক্র্যাটরা উদ্বিগ্ন। তবে এমন পরিস্থিতিতেও বাইডেনের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, ‘কিছুটা ধীরগতিতে শুরু হলেও, শেষটা দুর্দান্ত ছিল।’
অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতিসহ নানা বিষয়ে বাইডেনকে প্রশ্ন করেন ট্রাম্প। বাইডেনের হাতিয়ার ছিল, ট্রাম্পের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গর্ভপাত, ট্যাক্স—এসব বিষয়ে মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করেছেন ট্রাম্প। ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম বিতর্কের পর ট্রাম্প সমর্থকেরা বেশ উৎফুল্ল ছিলেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে ছিল হতাশা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম্প।
আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইডেনের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ডেমোক্র্যাটরা উদ্বিগ্ন। তবে এমন পরিস্থিতিতেও বাইডেনের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, ‘কিছুটা ধীরগতিতে শুরু হলেও, শেষটা দুর্দান্ত ছিল।’
অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতিসহ নানা বিষয়ে বাইডেনকে প্রশ্ন করেন ট্রাম্প। বাইডেনের হাতিয়ার ছিল, ট্রাম্পের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গর্ভপাত, ট্যাক্স—এসব বিষয়ে মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করেছেন ট্রাম্প। ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম বিতর্কের পর ট্রাম্প সমর্থকেরা বেশ উৎফুল্ল ছিলেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে ছিল হতাশা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম্প।
আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইডেনের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ডেমোক্র্যাটরা উদ্বিগ্ন। তবে এমন পরিস্থিতিতেও বাইডেনের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, ‘কিছুটা ধীরগতিতে শুরু হলেও, শেষটা দুর্দান্ত ছিল।’
অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতিসহ নানা বিষয়ে বাইডেনকে প্রশ্ন করেন ট্রাম্প। বাইডেনের হাতিয়ার ছিল, ট্রাম্পের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গর্ভপাত, ট্যাক্স—এসব বিষয়ে মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করেছেন ট্রাম্প। ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম বিতর্কের পর ট্রাম্প সমর্থকেরা বেশ উৎফুল্ল ছিলেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে ছিল হতাশা।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
শুধু তেহরান নয়, ইরানের বড় বড় শহরে তিন রাত ধরে টানা বিক্ষোভ চলছে। আর এসব বিক্ষোভ নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় সহিংস হয়ে উঠছে। সিএনএন বলছে, ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবকটিতেই এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল রোববার পর্যন্ত ৬০ ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রেখেছে ইরান সরকার। এ ছাড়া টেলিফোন-সেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে। ইরানে যাঁরা আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন তাঁরা বলছেন, বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তিদের লাশ জমা হচ্ছে হাসপাতালগুলোয়।
তেহরানের বিক্ষোভের খবর গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন পারিসা। তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ওই ব্যক্তি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একদল বিক্ষোভকারী সরে যান। আরেক দল বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চড়াও হন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করেন।
পারিসা বলেন, গুলির আগ মুহূর্তে ওই ব্যক্তি নিচু হয়ে জুতার ফিতা ঠিক করছিলেন। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর ধারণা ছিল, তাঁর কাছে অস্ত্র আছে। তবে শেষে দেখা গেল, ওই ব্যক্তির কাছে আসলে কিছুই নেই। তিনি বলেন, সবাই ভীত, সবাই উদ্বিগ্ন, সবাই সহিংসতা বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে। ভয় নিয়েই সবাই বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হওয়ার পর ইরানের বিক্ষোভের ভিডিও নানানভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। এর অনেক ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসি। এসব ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা বাহিনী ভয়ংকর দমনপীড়ন চালাচ্ছে। এই অবস্থায় ইরানের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা রাস্তায় নামবে।
এসব ভিডিও থেকে দেখা যাচ্ছে, তেহরানের হেরাভি স্কয়ারে নেমে আসছে সাধারণ মানুষ। ছন্দে ছন্দে সেখানে স্লোগান উঠছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিরুদ্ধে। সেখানকার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভে এত মানুষের উপস্থিতি যে জনসমাগমের শুরু আর শেষ কোথায় সেটা বোঝা যাচ্ছে না। এ ছাড়া বিক্ষোভ দমনে সেখানে রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়ায় গত শনিবারের বিক্ষোভের চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। এ ছাড়া ইরান থেকে দেশটির বাইরে কেউ কলও করতে পারছে না। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এই পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলছে, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মারা গেছে ২৮ জন। তবে ইরান নিয়ে কাজ করে এমন দুটি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই নিহতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক রয়েছে। এ ছাড়া ২০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে।
ইরান হিউম্যান রাইটস সেন্টার জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ বছর বয়সী কলেজশিক্ষার্থী রুবিনা আমিনিয়ান ছিলেন। তাঁকে মাথায় গুলি করা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে।
ইরান হিউম্যান রাইটস সেন্টারের পরিচালক আমিরি মোঘাদ্দাম বলেন, পরিস্থিতি খুবই ভয়ংকর। বর্তমান শাসক সব সময় যেকোনো কিছুর চেয়ে নিজেদের ক্ষমতায় টিকে থাকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে। মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে আবারও তাই করবে।
এদিকে বিক্ষোভ থেকে সহিংসতার ঘটনার জেরে হাসপাতালগুলোর পরিস্থিতি নাজুক হতে শুরু করেছে। ইরান হিউম্যান রাইটস সেন্টার জানিয়েছে, সেখানে অনেক হাসপাতালেই রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীর ভিড় বাড়ছেই। অনেকে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে আসছে। এর মধ্যে অনেকে গুলিবিদ্ধ।
ইরানের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানকার দুটি শহরে রাস্তায় প্রতিদিন গুলি ছোড়া হচ্ছে, যাতে কেউ রাস্তায় না নামে এবং বিক্ষোভে যোগ না দেয়। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, জাহেদান শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়ছে।
এদিকে গতকাল বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ‘এই সন্ত্রাসীদের বিক্ষোভে’ জনসাধারণকে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানদের এই কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। গতকাল টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘সমগ্র সমাজকে বিপর্যস্ত করার জন্য প্রস্তুত দাঙ্গাবাজদের’ সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদকারীর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
শুধু তেহরান নয়, ইরানের বড় বড় শহরে তিন রাত ধরে টানা বিক্ষোভ চলছে। আর এসব বিক্ষোভ নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় সহিংস হয়ে উঠছে। সিএনএন বলছে, ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবকটিতেই এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল রোববার পর্যন্ত ৬০ ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রেখেছে ইরান সরকার। এ ছাড়া টেলিফোন-সেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে। ইরানে যাঁরা আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন তাঁরা বলছেন, বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তিদের লাশ জমা হচ্ছে হাসপাতালগুলোয়।
তেহরানের বিক্ষোভের খবর গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন পারিসা। তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ওই ব্যক্তি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একদল বিক্ষোভকারী সরে যান। আরেক দল বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চড়াও হন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করেন।
পারিসা বলেন, গুলির আগ মুহূর্তে ওই ব্যক্তি নিচু হয়ে জুতার ফিতা ঠিক করছিলেন। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর ধারণা ছিল, তাঁর কাছে অস্ত্র আছে। তবে শেষে দেখা গেল, ওই ব্যক্তির কাছে আসলে কিছুই নেই। তিনি বলেন, সবাই ভীত, সবাই উদ্বিগ্ন, সবাই সহিংসতা বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে। ভয় নিয়েই সবাই বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হওয়ার পর ইরানের বিক্ষোভের ভিডিও নানানভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। এর অনেক ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসি। এসব ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা বাহিনী ভয়ংকর দমনপীড়ন চালাচ্ছে। এই অবস্থায় ইরানের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা রাস্তায় নামবে।
এসব ভিডিও থেকে দেখা যাচ্ছে, তেহরানের হেরাভি স্কয়ারে নেমে আসছে সাধারণ মানুষ। ছন্দে ছন্দে সেখানে স্লোগান উঠছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিরুদ্ধে। সেখানকার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভে এত মানুষের উপস্থিতি যে জনসমাগমের শুরু আর শেষ কোথায় সেটা বোঝা যাচ্ছে না। এ ছাড়া বিক্ষোভ দমনে সেখানে রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়ায় গত শনিবারের বিক্ষোভের চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। এ ছাড়া ইরান থেকে দেশটির বাইরে কেউ কলও করতে পারছে না। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এই পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলছে, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মারা গেছে ২৮ জন। তবে ইরান নিয়ে কাজ করে এমন দুটি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই নিহতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক রয়েছে। এ ছাড়া ২০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে।
ইরান হিউম্যান রাইটস সেন্টার জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ বছর বয়সী কলেজশিক্ষার্থী রুবিনা আমিনিয়ান ছিলেন। তাঁকে মাথায় গুলি করা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে।
ইরান হিউম্যান রাইটস সেন্টারের পরিচালক আমিরি মোঘাদ্দাম বলেন, পরিস্থিতি খুবই ভয়ংকর। বর্তমান শাসক সব সময় যেকোনো কিছুর চেয়ে নিজেদের ক্ষমতায় টিকে থাকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে। মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে আবারও তাই করবে।
এদিকে বিক্ষোভ থেকে সহিংসতার ঘটনার জেরে হাসপাতালগুলোর পরিস্থিতি নাজুক হতে শুরু করেছে। ইরান হিউম্যান রাইটস সেন্টার জানিয়েছে, সেখানে অনেক হাসপাতালেই রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীর ভিড় বাড়ছেই। অনেকে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে আসছে। এর মধ্যে অনেকে গুলিবিদ্ধ।
ইরানের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানকার দুটি শহরে রাস্তায় প্রতিদিন গুলি ছোড়া হচ্ছে, যাতে কেউ রাস্তায় না নামে এবং বিক্ষোভে যোগ না দেয়। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, জাহেদান শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়ছে।
এদিকে গতকাল বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ‘এই সন্ত্রাসীদের বিক্ষোভে’ জনসাধারণকে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানদের এই কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। গতকাল টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘সমগ্র সমাজকে বিপর্যস্ত করার জন্য প্রস্তুত দাঙ্গাবাজদের’ সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদকারীর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম
২৮ জুন ২০২৪
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।
ডুমসডে বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধ বা জাতীয় বিপর্যয়ের সময় আকাশ থেকে সরকার পরিচালনার একটি ‘ভ্রাম্যমাণ কমান্ড সেন্টার’ হিসেবে কাজ করে। তবে হঠাৎ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে কেন এই ডুমসডে প্লেন?
পেন্টাগন এবং মার্কিন বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি কোনো জরুরি সংকেত নিয়ে নয়, বরং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (সেক্রেটারি অব ওয়ার) পিট হেগসেথকে বহন করে লস অ্যাঞ্জেলেসে এসেছে।
লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বর্তমানে মাসব্যাপী ‘আর্সেনাল অব ফ্রিডম’ নামক একটি সফরে (দেশব্যাপী) রয়েছেন। এই সফরের লক্ষ্য হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পকে চাঙা করা এবং নতুন করে সামরিক বাহিনীতে লোকবল নিয়োগে উৎসাহ দেওয়া।
লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থানকালে হেগসেথ ‘রকেট ল্যাব’ নামক একটি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং ইউসিএলএতে ক্যাডেটদের সঙ্গে শারীরিক কসরতে অংশ নেন। তাঁর সঙ্গে উগ্র ডানপন্থী কর্মী লরা লুমারসহ কয়েকজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বও একই বিমানে সফর করছেন।
কেন একে ‘কেয়ামতের বিমান’ বলা হয়?
বোয়িং ৭৪৭-২০০ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানটি সাধারণ কোনো আকাশযান নয়। এর বিশেষত্ব হলো—এটি পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালস এবং প্রচণ্ড তাপ সহ্য করতে সক্ষম। এর ভেতর রয়েছে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, কনফারেন্স রুম এবং অপারেশন সেন্টার। জরুরি অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ও সামরিক প্রধানেরা এখান থেকেই যুদ্ধের নির্দেশ দিতে পারেন।
এ ছাড়া আকাশে জ্বালানি নেওয়ার সুবিধার কারণে এটি টানা কয়েক দিন আকাশে থাকতে পারে। বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর কাছে মাত্র ৪টি এমন বিমান রয়েছে, যার অন্তত একটি সব সময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যখন অস্থিরতা চলছে—বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার এবং ইরানের চলমান বিক্ষোভের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান—ঠিক তখনই এই বিমানের উপস্থিতি মানুষকে বিচলিত করেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ৫১ বছর পর কেন এখন এটি এল? আমরা কি যুদ্ধের খুব কাছাকাছি?
যদিও পেন্টাগন বিষয়টিকে একটি সাধারণ সফর হিসেবে প্রচার করছে, তবে সাধারণ কোনো সরকারি বিমানের বদলে কেন এই ব্যয়বহুল ও অতি-সুরক্ষিত বিমানটি ব্যবহার করা হলো, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।
ডুমসডে বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধ বা জাতীয় বিপর্যয়ের সময় আকাশ থেকে সরকার পরিচালনার একটি ‘ভ্রাম্যমাণ কমান্ড সেন্টার’ হিসেবে কাজ করে। তবে হঠাৎ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে কেন এই ডুমসডে প্লেন?
পেন্টাগন এবং মার্কিন বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি কোনো জরুরি সংকেত নিয়ে নয়, বরং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (সেক্রেটারি অব ওয়ার) পিট হেগসেথকে বহন করে লস অ্যাঞ্জেলেসে এসেছে।
লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বর্তমানে মাসব্যাপী ‘আর্সেনাল অব ফ্রিডম’ নামক একটি সফরে (দেশব্যাপী) রয়েছেন। এই সফরের লক্ষ্য হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পকে চাঙা করা এবং নতুন করে সামরিক বাহিনীতে লোকবল নিয়োগে উৎসাহ দেওয়া।
লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থানকালে হেগসেথ ‘রকেট ল্যাব’ নামক একটি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং ইউসিএলএতে ক্যাডেটদের সঙ্গে শারীরিক কসরতে অংশ নেন। তাঁর সঙ্গে উগ্র ডানপন্থী কর্মী লরা লুমারসহ কয়েকজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বও একই বিমানে সফর করছেন।
কেন একে ‘কেয়ামতের বিমান’ বলা হয়?
বোয়িং ৭৪৭-২০০ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানটি সাধারণ কোনো আকাশযান নয়। এর বিশেষত্ব হলো—এটি পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালস এবং প্রচণ্ড তাপ সহ্য করতে সক্ষম। এর ভেতর রয়েছে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, কনফারেন্স রুম এবং অপারেশন সেন্টার। জরুরি অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ও সামরিক প্রধানেরা এখান থেকেই যুদ্ধের নির্দেশ দিতে পারেন।
এ ছাড়া আকাশে জ্বালানি নেওয়ার সুবিধার কারণে এটি টানা কয়েক দিন আকাশে থাকতে পারে। বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর কাছে মাত্র ৪টি এমন বিমান রয়েছে, যার অন্তত একটি সব সময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যখন অস্থিরতা চলছে—বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার এবং ইরানের চলমান বিক্ষোভের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান—ঠিক তখনই এই বিমানের উপস্থিতি মানুষকে বিচলিত করেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ৫১ বছর পর কেন এখন এটি এল? আমরা কি যুদ্ধের খুব কাছাকাছি?
যদিও পেন্টাগন বিষয়টিকে একটি সাধারণ সফর হিসেবে প্রচার করছে, তবে সাধারণ কোনো সরকারি বিমানের বদলে কেন এই ব্যয়বহুল ও অতি-সুরক্ষিত বিমানটি ব্যবহার করা হলো, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম
২৮ জুন ২০২৪
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধংদেহী মনোভাব তৈরি হয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী ও ৪৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। দুই সপ্তাহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষকে। যদিও ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি, তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তেহরানের মর্গগুলোতে কয়েক ডজন লাশের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ তাদের ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান স্বাধীনতার দেখা পাচ্ছে, যা আগে কখনো হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাহায্যের জন্য প্রস্তুত!’
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ট্রাম্প তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে বসবেন। সেখানে তাঁকে চারটি বিকল্প দেওয়া হতে পারে—সরাসরি সামরিক হামলা, গোপন সাইবার অস্ত্রের ব্যবহার, আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বিক্ষোভকারীদের ইন্টারনেটসহ প্রযুক্তিগত সহায়তা।
তবে মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও রেভল্যুশনারি গার্ডের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা দিয়েছেন। আজ ইরানের পার্লামেন্টে তিনি বলেছেন, ‘যদি ইরানের ওপর হামলা হয়, তবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন সব মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।’
এদিকে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে পুরোপুরি ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। এর মধ্যেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। রয়টার্স নিশ্চিত করেছে, মাশহাদের রাস্তায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলছে এবং সেখানে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে। তেহরানের রাস্তায় রাতভর মিছিলের ভিডিওতে দেখা গেছে, জনসমুদ্রের ‘শুরু বা শেষ নেই’।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতিকে ইরানের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ হিসেবে দেখছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এ নিয়ে নিবিড় যোগাযোগ চলছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধংদেহী মনোভাব তৈরি হয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী ও ৪৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। দুই সপ্তাহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষকে। যদিও ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি, তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তেহরানের মর্গগুলোতে কয়েক ডজন লাশের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ তাদের ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান স্বাধীনতার দেখা পাচ্ছে, যা আগে কখনো হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাহায্যের জন্য প্রস্তুত!’
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ট্রাম্প তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে বসবেন। সেখানে তাঁকে চারটি বিকল্প দেওয়া হতে পারে—সরাসরি সামরিক হামলা, গোপন সাইবার অস্ত্রের ব্যবহার, আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বিক্ষোভকারীদের ইন্টারনেটসহ প্রযুক্তিগত সহায়তা।
তবে মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও রেভল্যুশনারি গার্ডের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা দিয়েছেন। আজ ইরানের পার্লামেন্টে তিনি বলেছেন, ‘যদি ইরানের ওপর হামলা হয়, তবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন সব মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।’
এদিকে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে পুরোপুরি ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। এর মধ্যেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। রয়টার্স নিশ্চিত করেছে, মাশহাদের রাস্তায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলছে এবং সেখানে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে। তেহরানের রাস্তায় রাতভর মিছিলের ভিডিওতে দেখা গেছে, জনসমুদ্রের ‘শুরু বা শেষ নেই’।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতিকে ইরানের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ হিসেবে দেখছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এ নিয়ে নিবিড় যোগাযোগ চলছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম
২৮ জুন ২০২৪
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন ট্রাম্প।
বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে (১১ জানুয়ারি) সিএনএন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে হস্তক্ষেপের বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তারা। এসব আলোচনায় সরাসরি মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার ছাড়াও বিকল্প পথ নিয়ে কথা হয়েছে। প্রস্তাবিত বেশ কয়েকটি বিকল্পে তেহরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, যাদের মাধ্যমে সরকার বিক্ষোভ দমন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। প্রশাসনের একটি অংশ মনে করছে, সামরিক হামলা উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে এবং বিক্ষোভ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এমন হামলা ইরানের জনগণকে সরকারের পক্ষে একত্রিত করতে পারে কিংবা তেহরান পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। তবে ইরানে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিবেচনাধীন কোনো বিকল্পেই ইরানে সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে দেশজুড়ে ৩১টি প্রদেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইন্টারনেট ও টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরান সম্ভবত আগে কখনো না দেখা স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত।’ এর আগের দিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তেহরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যায় জড়ায়, যুক্তরাষ্ট্রও ‘জড়িয়ে পড়বে’। তাঁর ভাষায়, ‘এর অর্থ মাটিতে সেনা নামানো নয়, কিন্তু যেখানে সবচেয়ে বেশি ব্যথা পাবে, সেখানে কঠোর আঘাত।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করছে। নেতানিয়াহুও ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে সীমিত নিরাপত্তা বৈঠক ডাকতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন ট্রাম্প।
বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে (১১ জানুয়ারি) সিএনএন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে হস্তক্ষেপের বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তারা। এসব আলোচনায় সরাসরি মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার ছাড়াও বিকল্প পথ নিয়ে কথা হয়েছে। প্রস্তাবিত বেশ কয়েকটি বিকল্পে তেহরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, যাদের মাধ্যমে সরকার বিক্ষোভ দমন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। প্রশাসনের একটি অংশ মনে করছে, সামরিক হামলা উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে এবং বিক্ষোভ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এমন হামলা ইরানের জনগণকে সরকারের পক্ষে একত্রিত করতে পারে কিংবা তেহরান পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। তবে ইরানে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিবেচনাধীন কোনো বিকল্পেই ইরানে সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে দেশজুড়ে ৩১টি প্রদেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইন্টারনেট ও টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরান সম্ভবত আগে কখনো না দেখা স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত।’ এর আগের দিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তেহরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যায় জড়ায়, যুক্তরাষ্ট্রও ‘জড়িয়ে পড়বে’। তাঁর ভাষায়, ‘এর অর্থ মাটিতে সেনা নামানো নয়, কিন্তু যেখানে সবচেয়ে বেশি ব্যথা পাবে, সেখানে কঠোর আঘাত।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করছে। নেতানিয়াহুও ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে সীমিত নিরাপত্তা বৈঠক ডাকতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রথম বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০ মিনিটের এই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্সে খোদ ডেমোক্র্যাটরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুরিতে একতরফা কথা বলে গেছেন ট্রাম
২৮ জুন ২০২৪
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে