
বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় টেসলার কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত জাস্টিন ম্যাককলেকে (৩১) টেক্সাস অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে এ হুমকি দেন তিনি। ইলন মাস্ক বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স–এর মালিক।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, জাস্টিন ম্যাককলে সামাজিক মাধ্যম এক্স প্ল্যাটফর্মে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে বলেন, তিনি বাইডেন ও মাস্ককে হত্যা করার পরিকল্পনা করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর সন্ত্রাসী হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে।
এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি টেক্সাসে আসব, যেখানে অনেকগুলো ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু হয়েছে।’ আরেক পোস্টে জো বাইডেন, এক্স, টেসলা এবং ইলন মাস্ককে ট্যাগ করে লেখেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করছি।’
আদালতের নথি অনুসারে, ম্যাককলে যখন বলেন তিনি টেক্সাসের উদ্দেশে বের হচ্ছেন এবং আর কখনো ফিরবেন না তখন তাঁর স্ত্রী পুলিশে খবর দেন। তাঁর স্ত্রী বলেন, নজরদারি এড়াতে ম্যাককলে মোবাইল ফোনও বাড়িতে রেখে যান।
গত ২৬ জানুয়ারি ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ম্যাককলেকে আটকায়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ম্যাককলে পুলিশকে জানান, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে চান। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি জানতেন আপনি আগামীকাল মারা যাবেন তাহলে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে চাইতেন না?’
এর পরদিন সকালে অস্টিনে অবস্থিত টেসলা গিগাফ্যাক্টরি নিয়ে হুমকি দিয়ে একটি ফোনকল পুলিশের কাছে আসে। তবে ম্যাককলেই সে ফোনকলের জন্য দায়ী কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আদালতের রেকর্ডে ম্যাককলেকে অস্টিনে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি পুলিশকে বলেন, তিনি মাস্কের সঙ্গে কথা বলার জন্য টেসলা গিগাফ্যাক্টরিতে যাচ্ছেন। এরপর তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক বলেছিলেন, তাঁর সঙ্গে খারাপ কিছু হতে পারে বা তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে। টুইটার স্পেসে দুই ঘণ্টা দীর্ঘ এক অডিও সাক্ষাৎকারে মাস্ক বলেন, তিনি কখনোই ছাদ খোলা গাড়িতে ঘুরবেন না।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটার বা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি বেশ প্রবল। কাউকে হত্যা করার ইচ্ছা থাকলে তা খুব একটা কঠিন কাজ নয়, আশা করি, কারও এমন ইচ্ছা নেই আর ইচ্ছা থাকলেও এমন পরিস্থিতিতে যেন ভাগ্য আমার সহায় হয়। অবশ্যই আমার জীবনের আশঙ্কা রয়েছে।’

বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় টেসলার কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত জাস্টিন ম্যাককলেকে (৩১) টেক্সাস অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে এ হুমকি দেন তিনি। ইলন মাস্ক বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স–এর মালিক।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, জাস্টিন ম্যাককলে সামাজিক মাধ্যম এক্স প্ল্যাটফর্মে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে বলেন, তিনি বাইডেন ও মাস্ককে হত্যা করার পরিকল্পনা করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর সন্ত্রাসী হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে।
এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি টেক্সাসে আসব, যেখানে অনেকগুলো ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু হয়েছে।’ আরেক পোস্টে জো বাইডেন, এক্স, টেসলা এবং ইলন মাস্ককে ট্যাগ করে লেখেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করছি।’
আদালতের নথি অনুসারে, ম্যাককলে যখন বলেন তিনি টেক্সাসের উদ্দেশে বের হচ্ছেন এবং আর কখনো ফিরবেন না তখন তাঁর স্ত্রী পুলিশে খবর দেন। তাঁর স্ত্রী বলেন, নজরদারি এড়াতে ম্যাককলে মোবাইল ফোনও বাড়িতে রেখে যান।
গত ২৬ জানুয়ারি ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ম্যাককলেকে আটকায়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ম্যাককলে পুলিশকে জানান, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে চান। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি জানতেন আপনি আগামীকাল মারা যাবেন তাহলে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে চাইতেন না?’
এর পরদিন সকালে অস্টিনে অবস্থিত টেসলা গিগাফ্যাক্টরি নিয়ে হুমকি দিয়ে একটি ফোনকল পুলিশের কাছে আসে। তবে ম্যাককলেই সে ফোনকলের জন্য দায়ী কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আদালতের রেকর্ডে ম্যাককলেকে অস্টিনে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি পুলিশকে বলেন, তিনি মাস্কের সঙ্গে কথা বলার জন্য টেসলা গিগাফ্যাক্টরিতে যাচ্ছেন। এরপর তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক বলেছিলেন, তাঁর সঙ্গে খারাপ কিছু হতে পারে বা তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে। টুইটার স্পেসে দুই ঘণ্টা দীর্ঘ এক অডিও সাক্ষাৎকারে মাস্ক বলেন, তিনি কখনোই ছাদ খোলা গাড়িতে ঘুরবেন না।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটার বা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি বেশ প্রবল। কাউকে হত্যা করার ইচ্ছা থাকলে তা খুব একটা কঠিন কাজ নয়, আশা করি, কারও এমন ইচ্ছা নেই আর ইচ্ছা থাকলেও এমন পরিস্থিতিতে যেন ভাগ্য আমার সহায় হয়। অবশ্যই আমার জীবনের আশঙ্কা রয়েছে।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩৭ মিনিট আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৪ ঘণ্টা আগে