
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াই করা থেকে তাঁকে কেউই বিরত রাখতে পারবে না। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, একমাত্র সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বললেই তিনি কেবল নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।
গতকাল শুক্রবার এবিসিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বাইডেন আবারও দাবি করেন, যদি কেউ রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারাতে পারে, সেটি একমাত্র তিনিই। তবে তাঁর এই দাবি নিজ দল তথা ডেমোক্রেটিক পার্টির নীতিনির্ধারক বা সমর্থকদের উদ্বেগ মেটাতে খুব একটা সক্ষম হয়েছে বলে মনে হয় না। এ সময় তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হারা বিতর্ককে ‘বাজে ঘটনা’ বলেও আখ্যা দেন।
সাক্ষাৎকারে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন বলেন, ‘আমার ক্ষেত্রে কোনো গুরুতর অবস্থার ইঙ্গিত নেই। আমি সেদিন স্রেফ ক্লান্ত ছিলাম। আমি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমার প্রবৃত্তির কথা শুনিনি এবং...এবং এটি ছিল একটি খারাপ রাত। আমার জন্য এটি স্রেফ একটি বাজে রাত ছিল। তবে আমি ঠিক জানি না কেন এমনটা ঘটেছে।’
সাক্ষাৎকারে এবিসির সাংবাদিক বাইডেনের কাছে জানতে চান, তিনি ট্রাম্পকে হারাতে পারবেন—এমন বিশ্বাস রাখা যৌক্তিক হবে কি? জবাবে বাইডেন বলেন, ‘আমি মনে করি না, আমার চেয়ে যোগ্য কেউ আছে।’ এ সময় বিভিন্ন জরিপে তাঁর চেয়ে ট্রাম্পের এগিয়ে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হলে বাইডেন বলেন, এসব জরিপ পুরোপুরি সঠিক নয়।
বাইডেনের কাছে উপস্থাপক আরও জানতে চান, মার্কিন কংগ্রেসে থাকা ডেমোক্র্যাট নেতারা যদি মনে করেন যে, বাইডেন দলের প্রার্থীর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন, সে ক্ষেত্রে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন কি? জবাবে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বাইডেন বলেন, ‘যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর নেমে এসে আমাকে এমনটা করতে বলে, তাহলে হয়তো আমি তা করতে পারি।’
অপর এক প্রশ্নে বাইডেনের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার পর যদি ট্রাম্পের কাছে হেরে যান, তাহলে তাঁর কেমন লাগবে? উত্তরে বাইডেন বলেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার পর, আমার সামর্থ্য অনুসারে সবটা করার পরও যদি এমনটা হয়, তাহলে যেমন অনুভূত হওয়ার কথা, আমারও সেরকমই অনুভূতি হবে।’
আরও খবর পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াই করা থেকে তাঁকে কেউই বিরত রাখতে পারবে না। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, একমাত্র সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বললেই তিনি কেবল নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।
গতকাল শুক্রবার এবিসিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বাইডেন আবারও দাবি করেন, যদি কেউ রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারাতে পারে, সেটি একমাত্র তিনিই। তবে তাঁর এই দাবি নিজ দল তথা ডেমোক্রেটিক পার্টির নীতিনির্ধারক বা সমর্থকদের উদ্বেগ মেটাতে খুব একটা সক্ষম হয়েছে বলে মনে হয় না। এ সময় তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হারা বিতর্ককে ‘বাজে ঘটনা’ বলেও আখ্যা দেন।
সাক্ষাৎকারে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন বলেন, ‘আমার ক্ষেত্রে কোনো গুরুতর অবস্থার ইঙ্গিত নেই। আমি সেদিন স্রেফ ক্লান্ত ছিলাম। আমি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমার প্রবৃত্তির কথা শুনিনি এবং...এবং এটি ছিল একটি খারাপ রাত। আমার জন্য এটি স্রেফ একটি বাজে রাত ছিল। তবে আমি ঠিক জানি না কেন এমনটা ঘটেছে।’
সাক্ষাৎকারে এবিসির সাংবাদিক বাইডেনের কাছে জানতে চান, তিনি ট্রাম্পকে হারাতে পারবেন—এমন বিশ্বাস রাখা যৌক্তিক হবে কি? জবাবে বাইডেন বলেন, ‘আমি মনে করি না, আমার চেয়ে যোগ্য কেউ আছে।’ এ সময় বিভিন্ন জরিপে তাঁর চেয়ে ট্রাম্পের এগিয়ে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হলে বাইডেন বলেন, এসব জরিপ পুরোপুরি সঠিক নয়।
বাইডেনের কাছে উপস্থাপক আরও জানতে চান, মার্কিন কংগ্রেসে থাকা ডেমোক্র্যাট নেতারা যদি মনে করেন যে, বাইডেন দলের প্রার্থীর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন, সে ক্ষেত্রে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন কি? জবাবে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বাইডেন বলেন, ‘যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর নেমে এসে আমাকে এমনটা করতে বলে, তাহলে হয়তো আমি তা করতে পারি।’
অপর এক প্রশ্নে বাইডেনের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার পর যদি ট্রাম্পের কাছে হেরে যান, তাহলে তাঁর কেমন লাগবে? উত্তরে বাইডেন বলেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার পর, আমার সামর্থ্য অনুসারে সবটা করার পরও যদি এমনটা হয়, তাহলে যেমন অনুভূত হওয়ার কথা, আমারও সেরকমই অনুভূতি হবে।’
আরও খবর পড়ুন:

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে