
একটি চুক্তির অধীনে দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ সহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের নতুন সিদ্ধান্তকে ভারত মহাসাগরের ভূ-রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ১৯৬৮ সালে মরিশাস স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ছিল চাগোস দ্বীপপুঞ্জ। ওই দ্বীপগুলো নিয়ে চলমান বিরোধ এবং আন্তর্জাতিক চাপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দীর্ঘ আলোচনার পর একটি চুক্তির অধীনে নতুন সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য।
চাগোস দ্বীপপুঞ্জের দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। নতুন চুক্তি অনুযায়ী—৯৯ বছরের জন্য এখানে মার্কিন সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। এই চুক্তিটি মরিশাসের জন্য আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দেয়। শুধু তাই নয়, এই চুক্তিতে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের পুনর্বাসনেরও প্রতিশ্রুতি রয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং মরিশাসের নেতারা ঐতিহাসিক ভুলের সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি হিসাবে এই চুক্তিটি তৈরি করেছেন।
এদিকে বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উভয় সরকারের কাছ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসলেও চাগোস দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের মধ্যে এখনো উল্লেখযোগ্য মাত্রায় উদ্বেগ রয়ে গেছে। এই দ্বীপপুঞ্জের দ্বিতীয় প্রজন্মের বাসিন্দা ফ্র্যাঙ্কি বনটেম্পস মনে করেন, তাঁদের সঙ্গে এখনো বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে। কারণ চুক্তি সম্পর্কিত আলোচনায় ওই দ্বীপপুঞ্জের কোনো অধিবাসীকে প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়নি।
চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে অতীতে অনেকবারই কূটনৈতিক প্রশ্নের মুখে পড়েছিল যুক্তরাজ্য। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এই দ্বীপপুঞ্জ শাসনের জন্য মরিশাসের অবস্থানকেই সমর্থন করে এসেছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়—স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য শর্ত হিসেবে চাগোস দ্বীপগুলোকে ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল মরিশাসকে। পরবর্তীতে এই দ্বীপগুলোর মধ্যে দিয়েগো গার্সিয়াকে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইজারা দিতে সম্মত হয় যুক্তরাজ্য। তবে আফ্রিকান দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং ব্রেক্সিট-পরবর্তী পরিস্থিতির পরিবর্তনের ফলে দ্বীপগুলো নিয়ে বিগত বছরগুলোতে যুক্তরাজ্যের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছিল।

একটি চুক্তির অধীনে দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ সহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের নতুন সিদ্ধান্তকে ভারত মহাসাগরের ভূ-রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ১৯৬৮ সালে মরিশাস স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ছিল চাগোস দ্বীপপুঞ্জ। ওই দ্বীপগুলো নিয়ে চলমান বিরোধ এবং আন্তর্জাতিক চাপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দীর্ঘ আলোচনার পর একটি চুক্তির অধীনে নতুন সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য।
চাগোস দ্বীপপুঞ্জের দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। নতুন চুক্তি অনুযায়ী—৯৯ বছরের জন্য এখানে মার্কিন সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। এই চুক্তিটি মরিশাসের জন্য আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দেয়। শুধু তাই নয়, এই চুক্তিতে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের পুনর্বাসনেরও প্রতিশ্রুতি রয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং মরিশাসের নেতারা ঐতিহাসিক ভুলের সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি হিসাবে এই চুক্তিটি তৈরি করেছেন।
এদিকে বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উভয় সরকারের কাছ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসলেও চাগোস দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের মধ্যে এখনো উল্লেখযোগ্য মাত্রায় উদ্বেগ রয়ে গেছে। এই দ্বীপপুঞ্জের দ্বিতীয় প্রজন্মের বাসিন্দা ফ্র্যাঙ্কি বনটেম্পস মনে করেন, তাঁদের সঙ্গে এখনো বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে। কারণ চুক্তি সম্পর্কিত আলোচনায় ওই দ্বীপপুঞ্জের কোনো অধিবাসীকে প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়নি।
চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে অতীতে অনেকবারই কূটনৈতিক প্রশ্নের মুখে পড়েছিল যুক্তরাজ্য। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এই দ্বীপপুঞ্জ শাসনের জন্য মরিশাসের অবস্থানকেই সমর্থন করে এসেছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়—স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য শর্ত হিসেবে চাগোস দ্বীপগুলোকে ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল মরিশাসকে। পরবর্তীতে এই দ্বীপগুলোর মধ্যে দিয়েগো গার্সিয়াকে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইজারা দিতে সম্মত হয় যুক্তরাজ্য। তবে আফ্রিকান দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং ব্রেক্সিট-পরবর্তী পরিস্থিতির পরিবর্তনের ফলে দ্বীপগুলো নিয়ে বিগত বছরগুলোতে যুক্তরাজ্যের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছিল।

হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
১ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে