আজকের পত্রিকা ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের বোন ও দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিম ইয়ো-জং বলেছেন, উত্তর কোরিয়া একটি স্থায়ী পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে তা স্বীকৃতি দিতে হবে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ-তে আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো-জং বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের যেকোনো আলোচনা হতে হবে।
ইয়ো জং সতর্ক করেন, তাঁর ভাই কিম জং-উনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক যেন পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের চাপ সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত না হয়।
ইয়ো জং বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান ও বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সম্পর্ক খারাপ নয়। এই সম্পর্ক যদি নিরস্ত্রীকরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে তা একপক্ষীয় উপহাস হিসেবে বিবেচিত হবে।’
কিম ইয়ো-জং আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি বর্তমান বাস্তবতাকে স্বীকার না করে এবং ব্যর্থ অতীতেই আটকে থাকে, তবে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৈঠক শুধু যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আশা হিসেবেই থেকে যাবে।’
ইয়ো জং মনে করিয়ে দেন, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ট্রাম্প ও কিম জং-উনের মধ্যে তিনবার বৈঠক হয়েছিল। ওই সময় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি।
কিম ইয়ো-জং জানান, উত্তর কোরিয়ার সামর্থ্য ও ভূরাজনৈতিক পরিবেশ ট্রাম্পের প্রথম দফার শাসনের সময়ের তুলনায় আমূল পরিবর্তিত হয়েছে।
ইয়ো জং বলেন, উত্তর কোরিয়া তার বর্তমান জাতীয় অবস্থান রক্ষায় যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে প্রায় ৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এবং দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রভান্ডারকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখছে। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া নিয়মিত সামরিক মহড়া চালিয়ে থাকে। এই মহড়াকে হুমকি হিসেবে দেখে পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের বোন ও দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিম ইয়ো-জং বলেছেন, উত্তর কোরিয়া একটি স্থায়ী পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে তা স্বীকৃতি দিতে হবে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ-তে আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো-জং বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের যেকোনো আলোচনা হতে হবে।
ইয়ো জং সতর্ক করেন, তাঁর ভাই কিম জং-উনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক যেন পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের চাপ সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত না হয়।
ইয়ো জং বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান ও বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সম্পর্ক খারাপ নয়। এই সম্পর্ক যদি নিরস্ত্রীকরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে তা একপক্ষীয় উপহাস হিসেবে বিবেচিত হবে।’
কিম ইয়ো-জং আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি বর্তমান বাস্তবতাকে স্বীকার না করে এবং ব্যর্থ অতীতেই আটকে থাকে, তবে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৈঠক শুধু যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আশা হিসেবেই থেকে যাবে।’
ইয়ো জং মনে করিয়ে দেন, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ট্রাম্প ও কিম জং-উনের মধ্যে তিনবার বৈঠক হয়েছিল। ওই সময় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি।
কিম ইয়ো-জং জানান, উত্তর কোরিয়ার সামর্থ্য ও ভূরাজনৈতিক পরিবেশ ট্রাম্পের প্রথম দফার শাসনের সময়ের তুলনায় আমূল পরিবর্তিত হয়েছে।
ইয়ো জং বলেন, উত্তর কোরিয়া তার বর্তমান জাতীয় অবস্থান রক্ষায় যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে প্রায় ৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এবং দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রভান্ডারকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখছে। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া নিয়মিত সামরিক মহড়া চালিয়ে থাকে। এই মহড়াকে হুমকি হিসেবে দেখে পিয়ংইয়ং।

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৪ ঘণ্টা আগে