আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চেলসির ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের উদ্যাপনে ভাগ বসালেন এক অপ্রত্যাশিত অতিথি—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পিএসজিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয় চেলসি। পরে চেলসি খেলোয়াড়দের হাতে যখন মাঠে ট্রফি তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে হঠাৎই হাজির হন ট্রাম্প।
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ট্রফি দেওয়ার পর ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে মঞ্চ ছাড়ার অনুরোধ জানালেও তিনি কিছু সময় চেলসির ক্যাপ্টেন রিস জেমস ও গোলকিপার রবার্ট সানচেজের পাশে থেকে যান। শুধু তা-ই নয়, খেলোয়াড়েরা ট্রফি উঁচিয়ে ধরে যখন উদ্যাপন করছিলেন, তখন ট্রাম্পকেও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাঁদের মধ্যে দাঁড়িয়ে করতালি দিতে দেখা যায়।
রীতি অনুযায়ী, ট্রফি নিয়ে বিজয়ী দল ছবি তুলবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ট্রাম্পের অনাহূত উপস্থিতির ফলে চেলসির খেলোয়াড়েরা তাঁকে রেখেই ছবি তুলতে বাধ্য হন।
ম্যাচে দুটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখা কোল পামার ট্রাম্পের অদ্ভুত উপস্থিতি নিয়ে বলেন, ‘জানতাম উনি মাঠে থাকবেন। কিন্তু ভাবিনি ট্রফি নেওয়ার সময় স্টেজে থাকবেন। তাই একটু বিভ্রান্ত লাগছিল।’
আরেক খেলোয়াড় লেভি কলউইল বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল, উনি ট্রফি তুলে দেবেন এবং তারপর মঞ্চ ছেড়ে যাবেন। কিন্তু উনি তো থেকে গেলেন!’
এই ব্যাপারে চেলসির অধিনায়ক রিস জেমস বলেন, ‘সত্যি বলতে চারপাশে এত আওয়াজ ছিল যে উনি কী বললেন, সবটা শুনতে পারিনি। তিনি শুধু অভিনন্দন জানালেন এবং এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে বললেন।’
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক দর্শকই ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স থেকে এসেছিলেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ওই মাঠে যখন ট্রাম্প প্রবেশ করেছিলেন, তখন দর্শকসারি থেকে প্রবলভাবে তাঁর উদ্দেশে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়।

চেলসির ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের উদ্যাপনে ভাগ বসালেন এক অপ্রত্যাশিত অতিথি—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পিএসজিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয় চেলসি। পরে চেলসি খেলোয়াড়দের হাতে যখন মাঠে ট্রফি তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে হঠাৎই হাজির হন ট্রাম্প।
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ট্রফি দেওয়ার পর ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে মঞ্চ ছাড়ার অনুরোধ জানালেও তিনি কিছু সময় চেলসির ক্যাপ্টেন রিস জেমস ও গোলকিপার রবার্ট সানচেজের পাশে থেকে যান। শুধু তা-ই নয়, খেলোয়াড়েরা ট্রফি উঁচিয়ে ধরে যখন উদ্যাপন করছিলেন, তখন ট্রাম্পকেও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাঁদের মধ্যে দাঁড়িয়ে করতালি দিতে দেখা যায়।
রীতি অনুযায়ী, ট্রফি নিয়ে বিজয়ী দল ছবি তুলবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ট্রাম্পের অনাহূত উপস্থিতির ফলে চেলসির খেলোয়াড়েরা তাঁকে রেখেই ছবি তুলতে বাধ্য হন।
ম্যাচে দুটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখা কোল পামার ট্রাম্পের অদ্ভুত উপস্থিতি নিয়ে বলেন, ‘জানতাম উনি মাঠে থাকবেন। কিন্তু ভাবিনি ট্রফি নেওয়ার সময় স্টেজে থাকবেন। তাই একটু বিভ্রান্ত লাগছিল।’
আরেক খেলোয়াড় লেভি কলউইল বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল, উনি ট্রফি তুলে দেবেন এবং তারপর মঞ্চ ছেড়ে যাবেন। কিন্তু উনি তো থেকে গেলেন!’
এই ব্যাপারে চেলসির অধিনায়ক রিস জেমস বলেন, ‘সত্যি বলতে চারপাশে এত আওয়াজ ছিল যে উনি কী বললেন, সবটা শুনতে পারিনি। তিনি শুধু অভিনন্দন জানালেন এবং এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে বললেন।’
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক দর্শকই ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স থেকে এসেছিলেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ওই মাঠে যখন ট্রাম্প প্রবেশ করেছিলেন, তখন দর্শকসারি থেকে প্রবলভাবে তাঁর উদ্দেশে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৪ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৭ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৭ ঘণ্টা আগে