
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে তাঁকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে উঠে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। সেখান থেকে তাঁকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
আটকের সময় দিল্লি পুলিশকে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘আমি এখানে গ্রেপ্তার হতেই এসেছি; আসুন, আমাদের গ্রেপ্তার করুন।’
জবাবে দিল্লি পুলিশ সদস্যরা তাঁকে বলেন, ‘না, এটি গ্রেপ্তার নয়। দয়া করে আমাদের সহযোগিতা করুন।’
দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি-র বিক্ষোভের সমর্থনে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে ‘হাম ভারত কে লোগ’ -এর সভাপতি তুষার গান্ধী ও তাঁর সহযোগীদের বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করেছে মুম্বাই পুলিশ।
পুলিশের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, তুষার গান্ধীকে বান্দ্রা থেকে তুলে নিয়ে ডিএন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তবে গান্ধী ‘এক্স’-এ একটি বার্তা পোস্ট করে দাবি করেন, তাঁকে আটক করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে, তাঁর সহযোগী ও সংগঠনের সহ-সভাপতিকে আন্ধেরি থেকে তুলে নিয়ে এমআইডিসি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ তাঁদের আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাঁদের কেবল হেফাজতে করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার তুষার গান্ধী ‘এক্স’-এ একটি পোস্টারসহ বার্তা দিয়ে মুম্বাইবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন যেন তাঁরা শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে আয়োজিত বিক্ষোভে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। এই বিক্ষোভটি যন্তর মন্তরে সিজেপি-র কর্মসূচির সমর্থনে।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভ আয়োজনের অনুমতির জন্য কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি এবং এ বিষয়ে কোনো অনুমতিও দেওয়া হয়নি।
নয়াদিল্লিতে সিজেপি (সিজেপি)-র বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে দলটির নতুন মুখপাত্র ও নীতি-বিষয়ক প্রধান মেহের পারসিচাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। একটি ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, তাঁকে আটক করতে ১০ জন পুলিশ কর্মকর্তা এসেছিলেন।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সুপ্রিম কোর্ট থেকে যন্তর মন্তর অভিমুখে পদযাত্রা করার সময় আইনজীবীদের আটক করেছে পুলিশ।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে ও অন্যদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর আলোক সিং-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপি নেতাদের অজ্ঞাত কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাঁদের গন্তব্যের বিষয়ে কোনো কথা বলছে না পুলিশ।
জন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনের (সিইসি)-র বিরুদ্ধে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র বিক্ষোভ রুখতে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের জেরে শনিবার মধ্য দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভস্থলের দিকে যাওয়া বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় তল্লাশি অভিযানের ফলে যানজট তৈরি হয়েছে এবং যানবাহনের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ব্যারিকেড ও কড়া নজরদারির কারণেও মধ্য দিল্লি জুড়ে গাড়ির দীর্ঘ সারি ও তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে।

শনিবার সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরপরই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সিজেপি জানিয়েছে, ‘আজ দিল্লিতে অবতরণের পর বিমান থেকে নামামাত্রই সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে যে স্বৈরাচারী কায়দায় আটক করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লি পুলিশের এই পূর্বপরিকল্পিত পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো আজকের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের নেতৃত্বকে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছানোর আগেই অকার্যকর করে দেওয়া। চলাফেরার স্বাধীনতার এই চরম লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়ে সিজেপি অবিলম্বে ও বিনাশর্তে ডিপকে, দাস এবং রাঙ্কার মুক্তি দাবি করছে।’
দেশের ‘শান্তি ও সমৃদ্ধি অস্থিতিশীল’ করার চেষ্টার অভিযোগে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপির জাতীয় স্তরের নেতা নীতিন নবীন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নবীন বলেন, ‘দেশে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। দেশের ১৪০ কোটি মানুষের অধিকাংশই যখন শান্তিপূর্ণভাবে উন্নয়নের পথে অবদান রাখছেন, তখন সেই স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। দুটি নৈরাজ্যবাদী গোষ্ঠী এই কাজ করছে—যার মধ্যে রয়েছে 'ইন্ডি' (ইন্ডিয়া) জোটের নেতা রাহুল গান্ধী এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সহযোগীদের সংগঠন ‘সিজেপি’, যারা এই গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছে।’
তিনি বিরোধীদের সতর্ক করে বলেন, ‘জনগণ আপনাদের উভয়কেই এবং আপনাদের মধ্যকার এই নৈরাজ্যবাদী প্রতিযোগিতাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।’
পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) জানিয়েছে, সংগঠনের নেতারা ‘খুব শিগগিরই’ যন্তর মন্তরে এসে পৌঁছাবেন। সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে এসে পৌঁছানোর পরই এই ঘোষণা এল।
সিজেপি-র পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার বিভিন্ন স্থান থেকে ভিন্ন ভিন্ন দলে আসা প্রায় ৫০০ জনকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তারা এএনআই-কে জানিয়েছেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে অপরাধমূলক অতীত বা রেকর্ড রয়েছে এমন প্রায় ৫০ জনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘বিভিন্ন স্থান থেকে ভিন্ন ভিন্ন দলে আসা প্রায় ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা প্রায় ৫০ জন সমাজবিরোধী ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, যাতে তারা পরিবেশ বিঘ্নিত করতে বা কোনো গোলযোগ উসকে দিতে না পারে।’
সিজেপি নেতা সৌরভ দাস গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সংগঠনটির আইনি বিষয়ক প্রধান রত্না সিংকে পুলিশ আটক করেছে।
শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সামনে রেখে দিল্লি পুলিশ ছত্রশাল স্টেডিয়ামের ভেতরে পুলিশ সদস্য ও যানবাহন মোতায়েন করেছে; পাশাপাশি সেখানে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) সদস্যদেরও ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর সোফিয়া ম্যাথিউয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবারের বিক্ষোভের জন্য যেসব আটক কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে, তার মধ্যে ছত্রশাল স্টেডিয়াম অন্যতম।
যন্তর মন্তরে সিজেপি-র পরিকল্পিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে সংগঠনের নেতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লি বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন।
‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর আলোক সিং-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপি নেতা সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছান।
দিল্লি কর্তৃপক্ষ ধৌলা কুয়ানের কাছে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরসহ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। সিজেপি-র প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে বিক্ষোভকারীরা যন্তর মন্তরের দিকে যাচ্ছিলেন। আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর সাক্ষী চাঁদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবারের নির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে রাজধানী নয়াদিল্লিতে আসা জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরগাঁওয়ে আটক করা হয়েছে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।
পিটিআই-এর পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী, শনিবার যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র পরিকল্পিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-তে অবস্থিত তাঁর বাসভবন থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। সিজেপি-র এই বিক্ষোভে যোগ দেওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রাঠীও অন্যতম।
নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়মকানুনের কারণ দেখিয়ে দিল্লি পুলিশ এই বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। বিক্ষোভকারীরা যাতে সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে না পারে, সেজন্য পুলিশ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ধরপাকড় বাড়িয়েছে এবং কৌশলগত স্থানগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করেছে। নয়াদিল্লি এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার ভোর থেকেই দিল্লি পুলিশ ফ্ল্যাগ মার্চ (টহল) চালিয়েছে, শহরের প্রবেশমুখগুলোতে যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করেছে এবং শহরের প্রধান প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও, দিল্লিতে প্রবেশকারী যাত্রীবাহী বাসে ব্যাপক তল্লাশি করা হচ্ছে।
সিজেপি-র বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য যন্তর মন্তরে জড়ো হতে শুরু করা অন্তত ১০০ জনকে পুলিশ আটক করেছে।
শনিবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ কনট প্লেস এলাকায় ফ্ল্যাগ মার্চ চালায় এবং অন্তত ১০০ জনকে আটক করে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রাজধানীজুড়ে ৩৫ হাজারেরও বেশি দিল্লি পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ), ইউনিফর্মে লাগানো বডি ক্যামেরা এবং বিশেষ নারী বাহিনী ‘পিঙ্ক ফোর্স’-কে কাজে লাগানো হয়েছে; পাশাপাশি দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে, রাজধানীতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার অধীনে সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে।

জন্তর মন্তরে সিজেপি-র প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার পথে অভিজিৎ দীপকে সরকারের নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কঠোর বিধিনিষেধের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
দীপকে বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর এই ‘ব্যাপক দমন-পীড়ন’ আসলে এমন এক নেতার লক্ষণ যিনি ‘নিজের দেশের মানুষকেই ভয় পাচ্ছেন’।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ শুরু হওয়ার আগেই মোদী পরাজয় মেনে নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন এবং দিল্লিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলা—এসব কোনো শক্তির পরিচয় নয়, বরং নিজের দেশের মানুষের কাছে ভীত এক নেতার লক্ষণ।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শনিবার ককরোচ জনতা পার্টি-অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন'-এর ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে রাজধানীজুড়ে রাতভর অন্তত ১ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-কে জানিয়েছে, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জনই দিল্লির দক্ষিণ-পূর্ব জেলার—বিশেষ করে শাহিন বাগ ও তার আশেপাশের এলাকার—বাসিন্দা।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই শাহিন বাগ।
দিল্লি পুলিশের আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি শাহদারা ও পূর্ব দিল্লি জেলার বাসিন্দা; এই এলাকাগুলো উত্তর প্রদেশের সীমান্তবর্তী।