কানাডার টরন্টোতে এক নারী বাওজি নামে একধরনের খাবার রান্না করেন। তিনি খেতে গিয়ে দেখেন, বাউজির একটি বান জীবিত হয়ে শিশুর মতো কান্না করছে। বান থেকে ধীরে ধীরে হাত-পা গজিয়ে যাচ্ছে। নারীটি বেশ অবাক হন এবং নিজের সন্তানের মতো বানটিকে লালন-পালন করা শুরু করেন। অবিকল মানুষের অবয়ব ধারণ করে বানটি। দুজনের বেশ ভালো সময় কাটতে শুরু করে। শিশু বানটি অন্যদের সঙ্গে খেলতে বায়না ধরে। কিন্তু তার মা তাকে অন্যদের সঙ্গে মিশতে দেন না। সবকিছুতেই তার মা বাধা হয়ে দাঁড়ান ধীরে ধীরে। মায়ের ভয় হয়, তাকে যদি হারিয়ে ফেলেন। আর এ জন্য বড় হতে হতে তাদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়।
একদিন বান তার মেয়েবন্ধুকে নিয়ে বাড়ি আসে। মায়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়—এই মেয়েই হবে তার স্ত্রী। কিন্তু মা বাধা দিয়ে বসেন। রাগারাগির একপর্যায়ে মা বানটি খেয়ে ফেলেন। খেয়ে অনুতপ্ত হয়ে কান্না করতে থাকেন। পরে ওই নারী বুঝতে পারেন এটি স্বপ্ন ছিল।
মোহভঙ্গ হয়ে বুঝতে পারেন, তিনি নিজের ছেলের সঙ্গেও একই কাজ করেছেন। তাই এবার আর বাধা না দিয়ে ছেলের প্রেমিকার সঙ্গে বিয়েতে রাজি হয়ে যান তিনি। বাউজি বানাতে বানাতে সুখে-শান্তিতে কেটে যায় তাঁদের জীবন।
এই চমৎকার গল্পটি সিনেমার পর্দায় নিয়ে এসেছেন পরিচালক ডমি শি। শিশুতোষ এই সিনেমাটির নাম বাও।










