
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর ভিপি পদপ্রার্থী বিন ইয়ামিন মোল্লা অভিযোগ করে বলেছেন, নিয়ম ছিল প্রার্থীরা যেতে পারবে, তারা (বিএনপি ও শিবিরের প্রার্থী) গিয়েছে, কিন্তু আমাদের যেতে দেওয়া হয়নি। কেন আমাদের যেতে দেওয়া হলো না? কারণ, এই নির্বাচনে বিএনপিপন্থী ও জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের অনেকে দায়িত্বে ছিলেন এবং তারা ভোট কারচুপির নোংরা প্রতিযোগিতা করেছেন। এর ফলস্বরূপ, প্রায় ৮০% ভোট কাস্ট হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, যদি ধরে নিই যে ৩১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে এবং ৮০% ভোট কাস্ট হয়েছে, তাহলে কত হাজার শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছে? এটা একটা সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি ৩০ হাজার শিক্ষার্থী ঢোকে, তাহলে কি সেখানে হাঁটার জায়গা থাকে? কমন সেন্স কী বলে?
বিন ইয়ামিন মোল্লা আরও বলেন, ভোট কাস্টিং কীভাবে হয়েছে শুনুন। প্রথমে বলা হয়েছিল, কোনো বহিরাগতকে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এখন প্রশ্ন হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বা ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে আমার দলের কেউ কি আছে? আমার দলের কেউ নেই। স্বতন্ত্র প্রার্থী বা ছোট প্যানেলগুলোর কি কেউ আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে? তাদের সমর্থিত কোনো শিক্ষক কি আছে? নেই। ‘কেউ ভেতরে ঢুকতে পারবে না’ ঘোষণায় তখন যাদের শিক্ষক বা কর্মকর্তা নেই, তারা অসহায় হয়ে পড়ে। যাদের কর্মকর্তা বা দলীয় শিক্ষকেরা সেখানে দায়িত্বে আছেন, তারা ভেতরে যাক বা না যাক, কোনো সমস্যা নেই। তারপরও আমরা দেখেছি, তারা সব নিয়মকানুন ভেঙে ভেতরে গিয়েছে।
বিন ইয়ামিন বলেন, এখন কেউ কাউকে মানছে না এবং উভয় পক্ষই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুপাশে মহড়া দিচ্ছে। তাদের দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ভাগ করে দিতে হবে, না হলে তারা ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়বে।

তাদের উদ্ভাবিত ‘হাইব্রিড ইকো-স্ট্রাইড শু’ প্রকল্পটি জেলা পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ভুল চাহিদা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে নিয়োগ পেয়ে প্রার্থীরা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি শিক্ষা অঞ্চলের মোট ২ হাজার ৩৩৭টি কলেজ পর্যায়ের শূন্যপদের তথ্য যাচাই করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে জাতীয় অধ্যাপক ‘নিয়োগ সুপারিশ’ কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চার সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং ঢাকা
১১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ পদের দায়িত্বে ছিলেন...
১১ ঘণ্টা আগে