সম্প্রতি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) আয়োজন করেছে ‘সম্প্রীতির ইফতার মাহফিল’। এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একসঙ্গে রোজা ভাঙার আনন্দ ভাগাভাগি করেন। গতবার শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ইফতারের ব্যবস্থা থাকলেও এবার একযোগে সবার জন্য একটি সমবেত ইফতার আয়োজন করা হয়। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল পৃথক প্যান্ডেল, যা তাঁদের সুবিধার কথা ভেবেই রাখা হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সম্মিলিতভাবে প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। ইফতারের মেনুতে ছিল পোলাও, মুরগি, ডিম, খেজুর ও পানি।
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আয়শা আক্তার বলেন, ‘এবারের সেন্ট্রাল ইফতার নিয়ে খুব আগ্রহ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর এটি দ্বিতীয় বৃহত্তর গণ-ইফতার। সব বিভাগ এক হয়ে ইফতার করেছি। দিনটি বরকতময় হয়ে থাকবে।’
অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যের মাস। এ সময় সবাইকে একত্র করে ইফতারের আয়োজন করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম বলেন, ‘২২টি বিভাগের সবাইকে একত্র করে যে আয়োজন করা হয়েছে, তা আমাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে। সত্যিকার অর্থে প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘পবিত্র রমজান মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ইফতার করতে পারা সত্যিই আনন্দের বিষয়। সবাই এক কাতারে বসতে পারাই আমাদের হৃদ্যতার পরিচয় বহন করছে।’
প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান জানান, সকলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং মনোমুগ্ধকর ইফতার মাহফিল সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পেটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের (এসআইসিআইপি)’ আওতায় এই প্রথম চালু হয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (বিআইআরডিআই) গ্র্যান্টস।
২ ঘণ্টা আগে
রমজানের বিকেল মানেই মুসলিমদের ঘরে ঘরে ইফতার আয়োজনের ব্যস্ততা। সারা দিনের রোজা শেষে প্রিয়জনদের সঙ্গে ইফতার করার আনন্দ যেন আলাদা এক অনুভূতি। তবে বগুড়ার পাঠকবন্ধুর সদস্যদের কাছে পরিবারের পরিধি আরও বিস্তৃত। নিজ নিজ পরিবারের বাইরে তাঁদের রয়েছে আরেকটি পরিবার—‘পাঠকবন্ধু’।
৩ ঘণ্টা আগে
আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। মার্চ মাসের শুরু থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পূর্ণ হয়ে ওঠে নারীর প্রতি শ্রদ্ধা আর শুভেচ্ছায়। অফিসে, প্রতিষ্ঠানে, এমনকি ঘরেও এ নিয়ে বিশেষ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি দেখা যায়। তবু প্রশ্ন থেকে যায়, এই উদ্যাপন কি সত্যিই নারীর দৈনন্দিন সংগ্রাম ও বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে...
৩ ঘণ্টা আগে
কল্পনা করুন, জনবহুল মেলায় সন্তান হারিয়ে গেছে কিংবা গভীর রাতে নির্জন রাস্তায় কোনো নারী বিপদে পড়েছেন। স্মার্টফোনে মাত্র একটি ক্লিক, আর ১০ মিনিটের মধ্যে সমাধান! সায়েন্স ফিকশন মনে হলেও এটি বাস্তব।
৪ ঘণ্টা আগে