
ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হঠকারী’ পদক্ষেপ দ্রুত তীব্রতর হয়ে ওঠা যুদ্ধে তেহরানের হাতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কৌশলগত সুবিধা তুলে দিয়েছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে এমনটাই জানিয়েছেন দুই আরব কর্মকর্তা এমনটাই বলেছেন।

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটিই ইস্যুকে ঘিরে ঘুরপাক খেয়েছেন। তিনি এ নিয়ে সতর্ক করেছেন, এর পক্ষে লবিং করেছেন, আর ওয়াশিংটন থেকে শুরু করে জাতিসংঘ—নানা মঞ্চে দাঁড়িয়ে এটিকে নাটকীয়ভাবে তুলে ধরেছেন। এখন সেটিই বাস্তব হয়ে উঠেছে।

তৃতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধে শনিবার ভোরে প্রথম আঘাত উদযাপন করে ইসরায়েলিরা ও ইরানি প্রবাসীদের একটি অংশ উদযাপন করে। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের আরও কয়েক ডজন শীর্ষ নেতা নিহত হন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে সংঘাত যখন এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে, তখন বিশ্বের রাজধানীগুলো, সংবাদকক্ষ ও নীতিনির্ধারণী মহলে একটি গুরুতর প্রশ্ন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—চীন কি ইরানকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবে? আর যদি আসে, সেই সহায়তার রূপই বা কেমন হবে?