
গত বছরের শেষ দিকে ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর দেশটি আবারও দেশব্যাপী অস্থিরতার কবলে পড়ে। অর্থনৈতিক চাপ, মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং গত জুনের ১২ দিনের যুদ্ধের পর তৈরি হওয়া গভীর রাজনৈতিক অবসাদের এক সংমিশ্রণ থেকে এই অসন্তোষের সূত্রপাত। এই অস্থিরতা মোটেও স্বতঃস্ফূর্ত বা সম্পূর্ণ অপ্র

ইয়েমেনকে ঘিরে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিন ধরেই নীরবে জ্বলে উঠছিল। তবে ইসরায়েল ও ইউএইর মধ্যকার উদীয়মান জোট এবং বৃহত্তর ঐতিহ্যগত শক্তিগুলোকে দুর্বল করার তাদের অভিন্ন নীতি রিয়াদকে স্বভাববিরুদ্ধভাবে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নতুন অনুমোদিত এক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, গাজার আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী তার ম্যান্ডেট পালনে ‘সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেবে। এই প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফিলিস্তিনি উপত্যকার নিয়ন্ত্রণে বসাবে