
সুদূরপ্রসারী সামরিক ফলাফলের বাইরেও কিছু যুদ্ধের এমন ক্ষমতা থাকে, যা পুরো অঞ্চলকে নতুনভাবে গড়ে দিতে পারে। ১৯৯০ সালে ইরাকের কুয়েত আক্রমণ আরব আঞ্চলিক ব্যবস্থাকে যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তা বলয়ের চারপাশে পুনর্গঠিত করেছিল। আর ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক আক্রমণ এমন এক সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ঢেউ তৈরি করেছ

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত রাজনীতিতে আরেকটি ফাটল স্পষ্ট হলো। মে মাসের ১ তারিখ থেকে ওপেক ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত যেন সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল সৌদি আরবের দিকে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একধরনের রাজনৈতিক ইঙ্গিত বলেও মনে করা হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ দপ্তর বা ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এলব্রিজ কোলবি সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। খালিদ বিন সালমান সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভাই ও প্রধান উপদেষ্টাদের একজন। ফোনালাপের ইস্যু ছিল ইরানে হামলা বাড়াতে...

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হঠকারী’ পদক্ষেপ দ্রুত তীব্রতর হয়ে ওঠা যুদ্ধে তেহরানের হাতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কৌশলগত সুবিধা তুলে দিয়েছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে এমনটাই জানিয়েছেন দুই আরব কর্মকর্তা এমনটাই বলেছেন।