সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ছাত্রী হলে বানরের উপদ্রব বেড়েছে। গত পাঁচ মাসে আবাসিক হলের শতাধিক ছাত্রী বানরের আক্রমণে আহত হয়েছেন। এতে ছাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টিলা ও গাছপালাঘেরা ছাত্রীদের দুররে সামাদ রহমান হল ও সুহাসিনী দাস হলে খাবারের সন্ধানে দল বেঁধে বানর হানা দেয়। সম্প্রতি বানরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি হলের চারপাশে নেট দিয়ে ঘেরাও দেওয়া, হলের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা ছাটাইসহ নিরাপত্তাব্যবস্থা বাড়িয়েছে। তারপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বানরের উৎপাত।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নগরের টিলাগড় এলাকায় অবস্থিত। এখানের উঁচু-নিচু টিলায় বিভিন্ন প্রজাতির বানর রয়েছে। যেগুলো এই এলাকায় আসা বিভিন্ন মানুষকে আক্রমণ করে।
রোকেয়া ইয়ামিন মহনা নামের ছাত্রাবাসের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এখন অনেকের ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে আবার এমন আক্রমণ করলে আমরা কীভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেব। সব সময়ই একটা আতঙ্কের মধ্যে আমাদের থাকতে হয়। এটার সঠিক সমাধান চাই।’
এদিকে বানরের উপদ্রব থেকে রক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আজ সিকৃবি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বন ভবনে বন বিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. সানাউল্লাহ পাটোয়ারী এবং বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বানরের আক্রমণ থেকে ছাত্রীদের রক্ষার জন্য বন বিভাগের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, বন্য প্রাণী নিয়ন্ত্রণ আইনের বাধ্যবাধকতা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নানাবিধ পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও এ সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। ছাত্রী হলের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আহত ছাত্রীদের সুচিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থাসহ বানরের আক্রমণ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ছাত্রী হলে বানরের উপদ্রব বেড়েছে। গত পাঁচ মাসে আবাসিক হলের শতাধিক ছাত্রী বানরের আক্রমণে আহত হয়েছেন। এতে ছাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টিলা ও গাছপালাঘেরা ছাত্রীদের দুররে সামাদ রহমান হল ও সুহাসিনী দাস হলে খাবারের সন্ধানে দল বেঁধে বানর হানা দেয়। সম্প্রতি বানরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি হলের চারপাশে নেট দিয়ে ঘেরাও দেওয়া, হলের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা ছাটাইসহ নিরাপত্তাব্যবস্থা বাড়িয়েছে। তারপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বানরের উৎপাত।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নগরের টিলাগড় এলাকায় অবস্থিত। এখানের উঁচু-নিচু টিলায় বিভিন্ন প্রজাতির বানর রয়েছে। যেগুলো এই এলাকায় আসা বিভিন্ন মানুষকে আক্রমণ করে।
রোকেয়া ইয়ামিন মহনা নামের ছাত্রাবাসের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এখন অনেকের ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে আবার এমন আক্রমণ করলে আমরা কীভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেব। সব সময়ই একটা আতঙ্কের মধ্যে আমাদের থাকতে হয়। এটার সঠিক সমাধান চাই।’
এদিকে বানরের উপদ্রব থেকে রক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আজ সিকৃবি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বন ভবনে বন বিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. সানাউল্লাহ পাটোয়ারী এবং বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বানরের আক্রমণ থেকে ছাত্রীদের রক্ষার জন্য বন বিভাগের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, বন্য প্রাণী নিয়ন্ত্রণ আইনের বাধ্যবাধকতা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নানাবিধ পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও এ সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। ছাত্রী হলের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আহত ছাত্রীদের সুচিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থাসহ বানরের আক্রমণ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
৯ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
১৮ দিন আগে