আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়া কোম্পানিগুলো এ সুবিধা পাবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদনে সব কোম্পানিকে ১৫ বছর পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শর্ত সাপেক্ষে এই কর সুবিধা দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতে সই করেছেন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলতে জলবিদ্যুৎ, বায়ু ও সৌরচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বোঝানো হয়েছে। এর আগে গত অক্টোবরে ১০ বছরের জন্য ওই কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হলেও এবারে তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়া কোম্পানিগুলো ১৫ বছরের জন্য কর অব্যাহতি পাবে।
এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭৬-এর উপধারা (১) অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সব কোম্পানিকে কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যেসব কোম্পানির বাণিজ্যিক উৎপাদন ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শুরু হবে, সেসব কোম্পানি শর্ত সাপেক্ষে কর অব্যাহতি সুবিধা পাবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাণিজ্যিক উৎপাদনের শুরু থেকে প্রথম ১০ বছর পর্যন্ত (প্রথম থেকে ১০ বছর) শতভাগ কর অব্যাহতি সুবিধা পাবে। পরের ৩ বছর অব্যাহতি সুবিধা ৫০ শতাংশ ও পরবর্তী ২ বছর ২৫ শতাংশ কর অব্যাহতি সুবিধা পাবে।
শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—আয়কর আইনের সব বিধানাবলি পরিপালন করতে হবে। প্রাইভেট সেক্টর পাওয়ার জেনারেশন পলিসি অব বাংলাদেশের নির্ধারিত সব শর্তাবলি পূরণ করতে হবে। পলিসিতে বর্ণিত ব্যবস্থা অনুসারে কোম্পানিগুলো পরিচালিত হতে হবে।

ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হতে শুরু করায় উত্তেজনা দেখা গেছে তেলের বিশ্ববাজারে। আজ সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে দরপতন হয়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারে। লেনদেন শুরুর পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব দেশের ইস্পাত খাতে সরাসরি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। দিনদিন বাড়ছে এই ইস্পাত শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল স্ক্র্যাপ ও প্লেটের দাম। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) তথ্যমতে, চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা শিল্পে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ইস্পাতের কাঁচা
১১ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যের খাতায় হিসাব মেলে; কিন্তু বাস্তবে বড় ফাঁক থেকেই যাচ্ছে। সেই ফাঁক দিয়ে গত এক দশকে দেশ থেকে বেরিয়ে গেছে বিপুল অঙ্কের অর্থ। এ সময়ে আমদানি-রপ্তানির মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার পাচার করা হয়েছে, যা দেশীয় মুদ্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
১২ ঘণ্টা আগে
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের চেয়ে ভাঙার প্রবণতা এখনো বেশি। প্রক্রিয়াগত জটিলতা, ট্যাক্স রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা এবং সুদের হার কাঠামোর কারণে সঞ্চয়পত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ কমছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় অনেকেই এখন আর আগের মতো সঞ্চয় ধরে
১৪ ঘণ্টা আগে