প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা পৌরসভার নাগরিকদের সঠিক সময়ে জন্মনিবন্ধনসেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিশুদের জন্মনিবন্ধন করাতে মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁরা। পৌরসভার জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন পৌর এলাকার মানুষ।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহাদাত হোসেনের অভিযোগ, গত মে মাসে তাঁর মেয়ের জন্য সব বিধি মেনে জন্মনিবন্ধন করাতে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিন মাসেও তাঁর মেয়ের জন্মনিবন্ধনের কোনো সুসংবাদ দিতে পারেনি পৌর কর্তৃপক্ষ। তিন মাসে তিনি অন্তত ১৫ বার গেছেন পৌরসভায়। এরপরও কোনো সুফল পাননি তিনি।
একই অভিযোগ ইটাগাছা পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মো. ইয়াছিন মোল্যার। তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নিজের ও স্ত্রীর জন্মনিবন্ধন করাতে দিয়েছিলেন পৌরসভায়। ছয় মাস অতিবাহিত হলেও কোনো মেসেজ আসেনি মোবাইল ফোনে।
গতকাল সোমবার সাতক্ষীরা পৌরসভার জন্মনিবন্ধন শাখায় গিয়ে দেখা যায়, জন্মনিবন্ধন করাতে আসা প্রতিনিয়ত চরম হয়রানি আর বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন পৌর এলাকার মানুষ।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিখা পারভিন এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ডিসি অফিসের ডিডিএলজি শাখায় যাওয়া হয়েছিল। ওনারা বললেন পৌরসভা থেকে অনুমোদিত ফাইল এলে তাঁদের ফাইল ছেড়ে দেবেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার নিবন্ধন শাখায় দায়িত্বরত রবিউল ইসলাম লাল্টু বলেন, ‘মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে, এটা ঠিক। কিন্তু আমার কী করার আছে।’
রবিউল আরও বলেন, এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ নিবন্ধন ঝুলে আছে। কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। পৌর মেয়র অনুমোদন দিলে ডিসি অফিসের ডিডিএলজি শাখা থেকে অনুমোদন দেওয়ার পরে নিবন্ধন প্রদান করা হবে। এ ছাড়া সার্ভারেরও অনেক সমস্যা রয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র তাশকিন আহমেদ চিশতি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে সার্ভারের সমস্যার কারণে অনেক সময় প্রত্যাশিত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না।

সাতক্ষীরা পৌরসভার নাগরিকদের সঠিক সময়ে জন্মনিবন্ধনসেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিশুদের জন্মনিবন্ধন করাতে মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁরা। পৌরসভার জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন পৌর এলাকার মানুষ।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহাদাত হোসেনের অভিযোগ, গত মে মাসে তাঁর মেয়ের জন্য সব বিধি মেনে জন্মনিবন্ধন করাতে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিন মাসেও তাঁর মেয়ের জন্মনিবন্ধনের কোনো সুসংবাদ দিতে পারেনি পৌর কর্তৃপক্ষ। তিন মাসে তিনি অন্তত ১৫ বার গেছেন পৌরসভায়। এরপরও কোনো সুফল পাননি তিনি।
একই অভিযোগ ইটাগাছা পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মো. ইয়াছিন মোল্যার। তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নিজের ও স্ত্রীর জন্মনিবন্ধন করাতে দিয়েছিলেন পৌরসভায়। ছয় মাস অতিবাহিত হলেও কোনো মেসেজ আসেনি মোবাইল ফোনে।
গতকাল সোমবার সাতক্ষীরা পৌরসভার জন্মনিবন্ধন শাখায় গিয়ে দেখা যায়, জন্মনিবন্ধন করাতে আসা প্রতিনিয়ত চরম হয়রানি আর বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন পৌর এলাকার মানুষ।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিখা পারভিন এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ডিসি অফিসের ডিডিএলজি শাখায় যাওয়া হয়েছিল। ওনারা বললেন পৌরসভা থেকে অনুমোদিত ফাইল এলে তাঁদের ফাইল ছেড়ে দেবেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার নিবন্ধন শাখায় দায়িত্বরত রবিউল ইসলাম লাল্টু বলেন, ‘মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে, এটা ঠিক। কিন্তু আমার কী করার আছে।’
রবিউল আরও বলেন, এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ নিবন্ধন ঝুলে আছে। কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। পৌর মেয়র অনুমোদন দিলে ডিসি অফিসের ডিডিএলজি শাখা থেকে অনুমোদন দেওয়ার পরে নিবন্ধন প্রদান করা হবে। এ ছাড়া সার্ভারেরও অনেক সমস্যা রয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র তাশকিন আহমেদ চিশতি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে সার্ভারের সমস্যার কারণে অনেক সময় প্রত্যাশিত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২৩ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
২৮ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩২ মিনিট আগে