
হাসান মামুন
হাসান মামুন
সকল লেখা

একাত্তর ও চব্বিশে বিরোধ দেখি না
একটা নজিরবিহীন নতুন পরিস্থিতিতে দেশে এবার বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ দেশ থেকে লাপাত্তা বলা যায়। তার সমর্থকগোষ্ঠী অবশ্য রয়েছে। কিন্তু তারা সোচ্চার কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় অবিশ্বাস্য ধরনের পতন ঘটেছে

মূল অপরাধ নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করা
এই নিবন্ধ প্রকাশের পরদিন ৫ নভেম্বর হাসিনা সরকারের পতনের তিন মাস পূর্ণ হবে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি ঘিরে এমন একটা বলদর্পী সরকারের পতনই ঘটে যাবে, সেটা সত্যি বলতে কেউ বিশ্বাস করেনি। আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারীরাও নন। তাঁরা পদত্যাগের ‘এক দফা দাবি’ ঘোষণা করেছিলেন সরকার পতনের মাত্র দুই দিন আগে, ৩ আ

চাই বুঝেশুনে মোকাবিলার প্রস্তুতি
কিছু বিষয় নিয়ে আমরা অনেকে অতিরিক্ত হইচই করে থাকি, নাকি? ভারতে ইলিশ রপ্তানি নিয়ে হালে এমনটাই বোধ হয় হয়ে গেল। হইচই দেখে মনে হচ্ছিল, না জানি কত ইলিশ চলে যাবে দেশ থেকে! খুব বেশি পরিমাণ রপ্তানির অনুমতিও কিন্তু দেওয়া হয়নি।

পণ্যবাজারের ভাবভঙ্গি ভালো নয়
গেল শনিবার রাতে কাছেই এক কাঁচাবাজারে গিয়ে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে হলো ১৩০ টাকায়। অন্য দোকানে একটু কমে বিক্রি হচ্ছিল অবশ্য। সেটা নাকি ‘ভারত থেকে আসা’। আমদানি করা পণ্যের দাম কম হওয়ারই কথা। সংকট তীব্র হয়ে উঠলে আমরা তো আশা করেও থাকি, কবে সেটার আমদানি

ইলিশ ঘিরে সংকট সীমিত রপ্তানিতে নয়
ভরা মৌসুমেও এবার দেশে ইলিশ আহরণ কম বলে খবর মিলছে। দামও গেলবারের তুলনায় বেশি। এ অবস্থায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হবে না বলে জানিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা। এটাকে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান বলেও অনেকে

জোরদার হোক আস্থা; আসুক অগ্রগতি
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে তিন দিন দেরি হয়েছিল। এ অবস্থায় বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছু বাড়তি অবনতি ঘটে। গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রসমাজ ও সেনাবাহিনী সচেষ্ট থাকলেও তাতে আশানুরূপ কাজ হয়নি। নজিরবিহীন আন্দোলনে দীর্ঘকাল ক্ষমতায়

‘তৃতীয় শক্তি’ ছিল সাধারণ মানুষ
আমার একটা ধারণা ছিল, আগের দুটি নির্বাচন যেনতেনভাবে করে ফেললেও ২০২৪ সালেরটি সরকার ইচ্ছামতো করে ফেলতে পারবে না; বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক তৎপরতা দেখে এমনটা মনে হচ্ছিল। লেখালেখিও করেছি সে ধারায়।

বড় বিস্ময় লাগে!
কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরিণতিতেই হাসিনা সরকারের পতন হবে, এটা সম্ভবত কেউই ভাবতে পারেননি। আন্দোলনকারী নেতারাও নন। আর সরকারটি তো ছিল ‘অতি আত্মবিশ্বাসী’। যেনতেনভাবে তিন-তিনটি নির্বাচন সেরে ফেলে ক্ষমতা ধরে রাখার আনন্দে ছিল আত্মহারা। সেটা প্রকাশ পেত রাষ্ট্রক্ষমতার

অনিশ্চয়তার প্রভাব এড়ানো যাবে কি
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দেশে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা নজিরবিহীন। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসেই সৃষ্ট এ পরিস্থিতি অর্থনীতির বিভিন্ন দিকে প্রভাব ফেলেছে দ্রুত। এটা এড়ানো সম্ভব ছিল কি না, তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। তবে অর্থনীতিতে এর প্রভাব এড়ানো স্বভাবতই সম্ভব হয়নি। প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকে এর প্

চাল উৎপাদন, খাদ্য মজুত ও গম
বিদায়ী অর্থবছরে দেশে কোনো চাল আমদানি হয়নি। বছরের শেষদিকে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেওয়া হলে তারাও শেষতক চাল আনেনি বলে জানা গেল। সরকারি তথ্যমতে, সন্তোষজনক উৎপাদন সত্ত্বেও দাম বাড়তে থাকায় সরকার তখন কিছু চাল আমদানির সুযোগ দেয়।

অসম্পূর্ণ চামড়াশিল্প নগর: দায় এড়ানো যাবে না
রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয় ছিল। এর আওতায় হেমায়েতপুরে একটি ‘কমপ্লায়েন্ট’ বা মানসম্মত চামড়াশিল্প নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০০৩ সালে। কিন্তু প্রকল্পটি যথাসময়ে ও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।

‘ছোট বাজেটে’ বড় আগ্রহ
বাজেট পেশের পর এর ওপর সংবাদ সম্মেলনও হয়ে গেল, যার অভিজ্ঞতা অপ্রীতিকর। তবে বাজেট কতটা প্রীতিকর, সেটা নিয়েই আলোচনা চলবে বেশি। এরই মধ্যে আমরা স্পষ্ট জেনে যাব, শেষতক কত রাজস্ব আহরিত হলো চলতি অর্থবছরে। এডিপির বাস্তবায়ন কয়েক বছর ধরেই খারাপ থেকে আরও খারাপ। এবার এপ্রিল পর্যন্ত এর মাত্র ৫০ শতাংশের মতো বাস্তব

ওষুধ খাত পেতেই পারে বিশেষ মনোযোগ
ওষুধের দাম যে দফায় দফায় বাড়ছে, তাতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। তবে বেদনার্ত হওয়ার কারণ রয়েছে। বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই এ জন্য যে, ‘অত্যাবশ্যকীয়’ বাদে আর সব ওষুধের দাম স্থির করছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোই।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য হ্রাসের নেপথ্যে
ভারত আমাদের দ্বিতীয় বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। অবশ্য রপ্তানির তুলনায় ভারত থেকে আমদানি অনেক বেশি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশটিতে রপ্তানি বাড়ছিল আমাদের; বিশেষ করে তৈরি পোশাক রপ্তানি। মাঝে দু-এক বছরে এটা লাফিয়ে দ্বিগুণের বেশি হয়ে গেলে আমরা উৎসাহিত হয়েছিলাম।

কাম্য তাপমাত্রায় ওষুধ সংরক্ষণে আর ছাড় নয়
এপ্রিলের শুরু থেকে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বাইরেও এসি বিক্রি বেড়ে গেছে। মিডিয়াও ভালো বিজ্ঞাপন পাচ্ছে এর বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে।

তাপপ্রবাহে আমাদের জীবন ও অর্থনীতি
গত বছরও এপ্রিলে বেশ গরম পড়েছিল; বইছিল তাপপ্রবাহ। এবারও এপ্রিলের মধ্যভাগ থেকে পরিস্থিতি খারাপ। এরই মধ্যে রাজধানীসহ ১২টি জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে। চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে এ নিবন্ধ লেখার দিন এটা ছাড়িয়ে গেছে ৪২ ডিগ্রি।
