
ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখলের পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে আগেই ইসরায়েল সরকারকে জানিয়েছিলেন একজন ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা। কিন্তু তাঁর কথা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার কর্ণপাত করেনি বলেই গতকাল শনিবার এমন ভয়াবহ যুদ্ধের সূচনা হয়েছে বলে আল জাজিরাকে জানিয়েছেন তিনি।
হামাস গতকাল ভোরে ইসরায়েলে হাজার হাজার রকেট নিক্ষেপ করে এবং হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলি শহর ও অবৈধ বসতিতে অনুপ্রবেশ করে ত্রিমুখী হামলা শুরু করেন।
এই হামলায় এই পর্যন্ত অন্তত ৬০০ ইসরায়েলি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে কয়েক ডজন সৈন্য রয়েছে। অসংখ্য মৃতদেহ রাস্তায় পড়ে আছে। এদিকে, অবরুদ্ধ গাজা ছিটমহলে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে কমপক্ষে ৩১৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
বামপন্থী হাদাশ জোটের নেসেট (ইসরায়েলের আইনসভা) সদস্য ওফার ক্যাসিফ আল জাজিরাকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার যদি ফিলিস্তিনিদের প্রতি তার নীতি পরিবর্তন না করে, তবে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে বলে তিনি সতর্ক করেছিলেন। ১২০ সদস্যের নেসেটে হাদাশের চারটি আসন রয়েছে।
ক্যাসিফ বলেন, ‘আমরা নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার নিন্দা ও বিরোধিতা করি। অর্থাৎ, আমরা ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার বিরোধিতা করি। আমাদের অবশ্যই ইসরায়েলের চালানো আগের ভয়ানক আক্রমণ ও অবৈধ ভূমি দখলের বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।
‘আমরা বারবার সতর্ক করেছি। পরিস্থিতি ভয়ানক হতে চলেছে এবং প্রত্যেকেই এর মূল্য দিতে হবে—প্রধানত উভয় পক্ষের নিরীহ নাগরিকদের। দুর্ভাগ্যবশত, ঠিক তা-ই ঘটেছে।’
ক্যাসিফ আরও বলেন, ‘ইসরায়েল সরকার ফ্যাসিবাদী সরকার। ফিলিস্তিনিদের জাতিগতভাবে নির্মূলকে সমর্থন দিয়ে উৎসাহ এবং নেতৃত্ব দেয়। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন চলছে। ফিলিস্তিনিদের রক্তে এটা স্পষ্টভাবে দেয়ালে লেখা আছে। দুর্ভাগ্যবশত এখন ইসরায়েলিদেরও একই দশা হতে চলেছে।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর মতে, ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি গাজার সীমান্ত অঞ্চল ছেড়ে হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের আরও ভেতরে গিয়ে জাতিসংঘের স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।
ক্যাসিফ বলেন, ‘নেতানিয়াহু ইসরায়েলের নাগরিকদের মঙ্গল চায় না, অধিকৃত অঞ্চলের ফিলিস্তিনিরা দূরের কথা। তিনি শুধু ক্ষমতায় থাকতে আগ্রহী। মামলা থেকে রেহাই পেতে শুধু জেলের বাইরে থাকতে চায়। এটিই একমাত্র প্রেরণা ও উদ্দেশ্য।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৬ ঘণ্টা আগে