
নারীর নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে অর্ধেকের বেশি নারী। নারীদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সহজে সফল হবে না। এভাবে প্রতিটি সেক্টরকে চিহ্নিত করে সরকার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

খালেদা জিয়াসহ মরণোত্তর এই সম্মাননা পেয়েছেন সাতজন। এঁরা হলেন-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজ সেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান।

চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সাত দিন পিছিয়েছে সরকার। ৯ এপ্রিল এই পুরস্কার দেওয়ার কথা থাকলেও আগামী ১৬ এপ্রিল তা দেওয়া হবে।

একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দিতে স্বাধীনতা পুরস্কার-সংক্রান্ত নির্দেশাবলি সংশোধন করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার-সংক্রান্ত নির্দেশাবলির ৭.১১ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।