ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর নিজেদের আকাশসীমা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েল। ইরান থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে কাজ করছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর মধ্যে উত্তর ইসরায়েলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করার কথা বলার ঠিক পরেই বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেল।
চলমান আক্রমণে কোনো পক্ষ থেকেই কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এরপর বেসামরিক উড়োজাহাজগুলো ইরানের আকাশ এড়িয়ে যেতে শুরু করেছে, সেই চিত্র ধরা পড়েছে ফ্লাইটর্যাডার২৪ নামের ট্র্যাকিং সাইটে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার এবং কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসছে বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে উঠছে।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জনসাধারণকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশাবলী অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এ সময়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হুমকি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনে প্রতিহত এবং প্রত্যাঘ্যাত করতে কাজ করছে।
ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইস্পাহান, কোম, কারাজ এবং কেরমানের পাশাপাশি রাজধানী তেহরানেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের কারাজ, তেহরান, কোম, ইস্পাহান, তেহরান এবং কেরমানশাহের সর্বশেষ পরিস্থিতি এখনো জানা যায়নি। তবে এসব শহরে বিস্ফোরণের শব্দ ও বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা গেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে বেশ কয়েক দিনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে যা ইউরোপকেও হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্নির্মাণ করার এবং দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। এগুলো এমন ক্ষেপণাস্ত্র যা ইউরোপে আমাদের খুব ভালো বন্ধু এবং মিত্রদের, বিদেশে অবস্থানরত আমাদের সৈন্যদের এবং আমেরিকান মাতৃভূমিতে পৌঁছাতে পারে।
তিনি বলেন, ‘এই দুষ্ট উগ্র একনায়কতন্ত্রের হাত থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা বারবার একটি চুক্তি করতে চেয়েছিলাম। আমরা চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে যাচ্ছি এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটিতে মিশিয়ে দিতে যাচ্ছি। এটি সম্পূর্ণরূপে ... নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।’
ইরানের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে যাচ্ছি এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটিতে মিশিয়ে দিতে যাচ্ছি। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করতে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে যাচ্ছি যে এই অঞ্চলের সন্ত্রাসী' প্রতিনিধিরা আর এই অঞ্চল বা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না। আমরা নিশ্চিত করব যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। এটি একটি খুব সহজ বার্তা। তাদের কাছে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।’
ইরানের খোমেনি সরকারকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘এই সরকার শিগগিরই বুঝতে পারবে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি এবং সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করা কারও উচিত নয়।’
এখন পর্যন্ত, ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলি হামলার যেসব লক্ষ্য চিহ্নিত করা গেছে সেগুলো হলো—
গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থা
পারচিন সামরিক কমপ্লেক্স
গত এক ঘণ্টায়, ইসরায়েল বেশ কিছু এলাকা লক্ষ্য করে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে, বিশেষ করে লেবাননের ইকলিম আল-তুফাহ অঞ্চলে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে, হিজবুল্লাহর কৌশলগত অবকাঠামোর ওপর ইসরায়েলি হামলার সংখ্যা বেড়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বিশ্বাস করে, এই গোষ্ঠীর কাছে রকেট লঞ্চার এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।
গত কয়েকদিনে লেবাননে বারবার যে প্রশ্নটি করা হচ্ছে তা হলো, ইরানের ওপর ইসরায়েলি আক্রমণের ক্ষেত্রে হিজবুল্লাহ কী করবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো ইসরায়েল এখন কী করবে এবং এই ফ্রন্ট থেকে আসা সম্ভাব্য সব হুমকি দূর করার জন্য তারা হিজবুল্লাহর ওপর আক্রমণ চালাবে কিনা।
ইরানের আইআরএনএ সংবাদ সংস্থা, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অক্ষত রয়েছেন।
ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ -সহ ইরানি সংবাদ ওয়েবসাইটগুলো সাইবার আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত, আইআরএনএ -এর টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টটি কাজ করছে।
আল জাজিরার সিনিয়র সাংবাদিক অ্যালান ফিশার বলেছেন, গত কয়েক ঘণ্টা ধরে আমি একজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম যখন মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে, এবং তিনি ধারণা দিয়েছিলেন যে, যদি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে এটি সম্ভবত তাঁর ভাষায়, ‘একবারই এবং সমাপ্তির’ রূপ নেবে।
তাঁর মতে, ইরানের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার জন্য একটি হামলা হবে এবং বলা হবে, ‘দেখুন, আমরা এখনই এটা (হামলা) করছি, তবে যদি আপনি কোনও ধরনের চুক্তিতে না আসেন তবে সামনে আরও খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে।’
আমরা জেনেভায় ওমানি আলোচকের কাছ থেকে শুনেছি, যিনি মনে করেছিলেন, চুক্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছেন তারা, এতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। কিন্তু চুক্তির মূল কথাটি সেখানেই ছিল।
শুক্রবার টেক্সাসে যাওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প যা বলছিলেন তাতে এই সম্ভাবনার কথা প্রতিফলিত হয়নি; তিনি বলেছিলেন, তিনি ইরানীদের ওপর বিরক্ত এবং তিনি আশা করেছিলেন যে একটা চুক্তি হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার উদ্দেশ্য হলো ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি দূর করা।
তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানে বড় ধরনের যুদ্ধ অভিযান শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইরানি শাসনের হুমকি দূর করে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা।’
ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আমরা তোমাদের সতর্ক করেছিলাম!’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন তোমরা এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছো যার শেষ আর তোমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’
ইরান হামলার পর প্রতিশোধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, এবং প্রতিক্রিয়া হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের, একজন ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন।
ইরাকের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ওপর হামলার পর তারা তাদের জাতীয় আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ইরাকি সংবাদ সংস্থা আইএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেরমানশাহ, লোরেস্তান, তাবরিজ, ইসফাহান এবং কারাজ শহরেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে এ ধরনের খবর যাচাই করতে পারেনি কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেছেন, মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার লক্ষ্য ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলা।
শনিবার সকালে ইরানে হামলার পর ইসরায়েল বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য তার আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে যুক্ত তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের আকাশসীমাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার মুখপাত্র মাজিদ আখওয়ান মেহের সংবাদ সংস্থার সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুরো দেশের আকাশসীমা বন্ধ রাখা হয়েছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানের বেশ কয়েকটি এলাকায় মোবাইল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে কোনও কল করা সম্ভব হচ্ছে না।
শিগগিরই ইন্টারনেটও বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজের ইরানি স্টাডিজ ইউনিটের পরিচালক এবং কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেহরান কামরাভা বলেছেন, তিনি কখনোই ভাবেননি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আক্রমণ করবে, ইসরায়েল মার্কিন-ইরান আলোচনা ভেস্তে দেওয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বেশ সোচ্চার।
কামরাভা আল জাজিরাকে বলেন, ‘গত জুনের মতো, এটি ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে আলোচনাকে পথভ্রষ্ট করার জন্য একটি আক্রমণ শুরু করেছে বলে মনে হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি (মার্কিন প্রেসিডেন্ট) ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে এমন একটি কোণে ঠেলে দিয়েছেন যেখান থেকে তিনি পিছু হটতে পারছিলেন না। তথাকথিত আর্মাডা বা বিশাল সামরিক আয়োজন, গত দেড় বছর ধরে ইসরায়েলের জন্য ক্রমাগত সবুজ সংকেত— আমি মনে করি অনেক উপায়ে এটা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। আবারও, আমরা যা দেখতে পাচ্ছি তা হলো ইসরায়েলিরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে জোর করে চাপিয়ে দিয়েছে এবং তিনি এই মুহূর্তে তাদের আসলে না বলতে পারেননি।’
কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সব কর্মীকে আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আক্রমণ শুরু করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ইরানে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
তেহরানে আরও বিস্ফোরণের খবর ইরানি মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয়-অনুমোদিত ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরানের উত্তর ও পূর্বে বেশ কয়েকটি নতুন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অন্তত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে।
বাসিন্দাদের সুরক্ষিত এলাকার কাছাকাছি থাকার জন্য সারা দেশে সাইরেন বাজাচ্ছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
পৃথক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, দেশের সমস্ত এলাকাকে ‘পূর্ণ কার্যক্রম’ থেকে ‘জরুরি কার্যক্রম’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল বন্ধ করা, সমাবেশ নিষিদ্ধ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র ছাড়া কর্মক্ষেত্র বন্ধ রাখা।

আল জাজিরার স্থানীয় সংবাদদাতা জানিয়েছেন, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহৌরি এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
ইরানি মিডিয়ার তথ্য অনুসারে, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা খবর পেয়েছে যে ইরানের রাজধানীর রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
ইরানের ওপর আক্রমণ শুরু করেছেন ইসরায়েল। এই হামলাকে ‘পূর্ব সতর্কতা ও প্রতিরোধ মূলক’ বলে অভিহিত করেছে তারা। বিবিসি জানিয়েছে, আজ শনিবার সকালে এক বিবৃতিতে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইসরায়েল জুড়ে ‘বিশেষ এবং স্থায়ী জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন।