মাহমুদা আক্তার রোজী

ক্রমাগত নড়াচড়ার কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ের হাত থেকে হাড় রক্ষা করে কার্টিলেজ। বিভিন্ন কারণে ক্ষয় হতে হতে কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। তার ফলে দেখা দেয় গেঁটেবাত বা অষ্টিওআর্থরাইটিস। বিভিন্ন ধরনের বাতের মধ্যে এটিতে মানুষ আক্রান্ত হয় বেশি। গেঁটেবাতে আক্রান্ত হলে হাড়ের সংযোগস্থলে বা জয়েন্টে ব্যথা হয় ও হাড়ের গতিশীলতা কমতে থাকে। হাড়ের সংযোগস্থলের প্রান্তে নতুন হাড় তৈরি হয়। সাধারণত হাঁটু, কোমর, হাত ও পায়ের আঙুল, স্পাইন, কনুই, হাত ও পায়ের গোড়ালিতে গেঁটেবাত বা অষ্টিওআর্থরাইটিস হয়।
কেন হয়
গেঁটেবাত হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো:
উপসর্গ
গেঁটেবাতের সাধারণ উপসর্গগুলো হলো:
চিকিৎসা
এর চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট বিভিন্ন ইলেক্ট্রোথেরাপি ব্যবহার করে রোগীর ব্যথা কমিয়ে আনেন। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের মাধ্যমে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করেন।
পরামর্শ
লেখক: ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্ট অ্যান্ড জেরোন্টলজিস্ট, এক্সট্রা মাইল এজ কেয়ার, ঢাকা।
মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে চিঠি ও ই-মেইলের মাধ্যমে প্রশ্ন পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
চিঠি পাঠানোর ঠিকানা
বিভাগীয় সম্পাদক
আজকের জীবন (জেনে নিই, ভালো থাকি)
আজকের পত্রিকা
বাড়ি-৮, সড়ক-২, ব্লক-সি, বনশ্রী
রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
ই-মেইল: [email protected]

ক্রমাগত নড়াচড়ার কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ের হাত থেকে হাড় রক্ষা করে কার্টিলেজ। বিভিন্ন কারণে ক্ষয় হতে হতে কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। তার ফলে দেখা দেয় গেঁটেবাত বা অষ্টিওআর্থরাইটিস। বিভিন্ন ধরনের বাতের মধ্যে এটিতে মানুষ আক্রান্ত হয় বেশি। গেঁটেবাতে আক্রান্ত হলে হাড়ের সংযোগস্থলে বা জয়েন্টে ব্যথা হয় ও হাড়ের গতিশীলতা কমতে থাকে। হাড়ের সংযোগস্থলের প্রান্তে নতুন হাড় তৈরি হয়। সাধারণত হাঁটু, কোমর, হাত ও পায়ের আঙুল, স্পাইন, কনুই, হাত ও পায়ের গোড়ালিতে গেঁটেবাত বা অষ্টিওআর্থরাইটিস হয়।
কেন হয়
গেঁটেবাত হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো:
উপসর্গ
গেঁটেবাতের সাধারণ উপসর্গগুলো হলো:
চিকিৎসা
এর চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট বিভিন্ন ইলেক্ট্রোথেরাপি ব্যবহার করে রোগীর ব্যথা কমিয়ে আনেন। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের মাধ্যমে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করেন।
পরামর্শ
লেখক: ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্ট অ্যান্ড জেরোন্টলজিস্ট, এক্সট্রা মাইল এজ কেয়ার, ঢাকা।
মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে চিঠি ও ই-মেইলের মাধ্যমে প্রশ্ন পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
চিঠি পাঠানোর ঠিকানা
বিভাগীয় সম্পাদক
আজকের জীবন (জেনে নিই, ভালো থাকি)
আজকের পত্রিকা
বাড়ি-৮, সড়ক-২, ব্লক-সি, বনশ্রী
রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
ই-মেইল: [email protected]

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
১ ঘণ্টা আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
১ দিন আগে
দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ দিন আগে