
মনে করুন, আপনার পরিচিত স্কুলপড়ুয়া মেয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী, মা–খালা–ফুফু এবং দাদী-নানী কারাগারে বন্দী। কারারক্ষীরা তাদের স্রেফ পাজামা পরা অবস্থায় উপুড় করে শুইয়ে রেখেছে এবং তাদের হাত পেছনে বাঁধা। সামান্য নড়াচড়া করলেই কারারক্ষীরা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর করছে। এমন দৃশ্য একবার দেখলে কী আপনি ভুলতে

পারস্য উপসাগরে তেলের ট্যাংকারে আগুন জ্বলছিল, আর সৌদি আরব আশঙ্কা করছিল—ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যাবে। ১৯৮০-এর দশকে এই প্রণালি বাইপাস করে বা এড়িয়ে যেতে মরুভূমিতে যে পাইপলাইনটি তারা তৈরি করেছিল...

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা আপাতত এড়িয়ে যাওয়া গেছে বলে মনে হচ্ছে। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে উপসাগরীয় দেশগুলো ও তুরস্কের জোরালো কূটনীতি। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—এতে ইসরায়েলও ভূমিকা রেখেছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ-সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তাঁরা এই তথ্য